রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

স্বাস্থ্য সেক্টরের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে হোমিও চিকিৎসকের পদ বাধ্যতামূলক করার দাবি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫, ৪:০৯ পিএম
স্বাস্থ্য সেক্টরের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে হোমিও চিকিৎসকের পদ বাধ্যতামূলক করার দাবি

দেশের স্বাস্থ্য সেক্টরের প্রতিটি খাতে (সরকারি-বেসরকারি, এনজিও) বাধ্যতামূলক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক নিয়োগে জন্য পদ রাখার দাবি জানিয়েছেন হোমিও চিকিৎসকরা।

হোমিওপ্যাথির জনক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ২৭০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর গ্র্যান্ড আজাদ সেন্টারে ইনো হেলথ অ্যান্ড হোমিও ক্যান্সার চিকিৎসাকেন্দ্র আয়োজিত এক সায়েন্টিফিক সেমিনারে এ দাবি জানানো হয়।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ) এ কে এম সোহেল, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গোলাম কবির, হোমিও চিকিৎসক ডা. এম এ কাদের, ডা. মো. রাশিদুল হক, ডা. আরিফুর রহমান মোল্লা, ডা. নাজমুল হাসান জামসন, ডা. নজরুল ইসলাম ভুইয়া, ডা. আলতাফ হোসেন এবং ডা. শাহীন মাহমুদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, হোমিওপ্যাথি একটা পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাব্যবস্থা। সব বয়সের ও সব রোগের জন্যই এটা উপযোগী। দেশের চল্লিশ ভাগ মানুষ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপেও একাধিকবার এটাই প্রমাণিত হয়েছে। মানুষ হোমিওপ্যাথি ডাক্তারদের খুব সহজেই কাছে পাচ্ছে। পাশাপাশি চিকিৎসা খরচ স্বল্পমূল্যে থাকার কারণে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বেশ জনপ্রিয়।

তারা বলেন, রোগীকে অল্প ওষুধ দিয়ে সুস্থ করে তোলাই হোমিওপ্যাথির মূলমন্ত্র। তবে ডাক্তারদের মধ্যে পেশাগত অহমিকা, লোভ, হিংসা ইত্যাদি ও মাল্টিন্যাশনাল ড্রাগ কোম্পানিগুলি হোমিওপ্যাথিকে তাদের স্বার্থের পরিপন্থি মনে করে ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের বিরুদ্ধাচরণ শুরু করে এবং বর্তমানেও তার ধারাবাহিকতা দৃশ্যমান রেখেছে। এ মনোভাব থেকে বের হয়ে চিকিৎসা, পরামর্শ, প্রস্তুতি ও গবেষণা মূলক কার্যক্রমে অবশ্যই হোমিওপ্যাথিক বিশেষজ্ঞ টিম অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

হোমিও বিশেষজ্ঞরা বলেন, দেশের স্বাস্থ্য সেবাখাতের উন্নয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি বিশেষ করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের জন্য কমপক্ষে একটি পদ সৃষ্টি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং এইচপিএনের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান/ ইন্সটিটিউট হালনাগাদ করণ, পরীক্ষাগ্রহণে আধুনিকায়ন, সিলেবাস ও পাঠ্যক্রম পূণর্মূল্যায়ন এবং বিশেষায়িত ও উপবিশেষায়িত চিকিৎসকদের জন্য হোমিওপ্যাথিক পদ সৃষ্টি করতে হবে।

তারা বলেন, হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ সরকারি পর্যায়ে মাত্র একটি। আর আসন সংখ্যা মাত্র ৫০টি। নতুন সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ স্থাপন এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে আসন সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ জরুরী। প্রতিটি বিভাগে ন্যূনতম ১টি করে সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ স্থাপন করতে হবে।

তারা আরও বলেন, শিশু, কিশোর-কিশোরী ও প্রসূতি মায়েদের অপুষ্টি মোকাবেলায় প্রশিক্ষিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্যক্রমে অংশগ্রহণের মধ্যমে সহায়তা করতে পারে। বিভিন্ন সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় প্রশিক্ষিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা সার্বিকভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এসডিজি এমডিজি বাস্তবায়নে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখতে পারে।

এছাড়া বিভিন্ন সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা, বিভিন্ন ধরনের নতুন রোগও বিদ্যমান রোগগুলোর প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা ও নিয়ন্ত্রণ, দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, সেবার মান উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা আগ্রহী। যেখানে প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে অন্যান্য চিকিৎসকরা অবস্থান করতে অনাগ্রহী সেখানে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরাই হতে পারে সর্বোত্তম বিকল্প।

হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের ময়মনসিংহ জেলা কমিটি অনুমোদন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:০৩ পিএম
হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের ময়মনসিংহ জেলা কমিটি অনুমোদন

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল (HATI)–এর ১০৫ সদস্য বিশিষ্ট ময়মনসিংহ জেলা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা আয়েশ রেস্টুরেন্টে এক সুশৃঙ্খল, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয় ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কো-চেয়ারম্যান এনায়েত উল্লাহ সাইদ এবং উদ্বোধন করেন ভাইস চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন মহাসচিব অ্যাডভোকেট আবজাল হোসাইন মৃধা, ময়মনসিংহ চরপাড়া মেমোরিয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রধান নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রহমান বাবুল ছাড়াও কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের অসংখ্য মানবাধিকার কর্মী, সামাজিক সংগঠক ও অতিথিরা এসময় বক্তব্য রাখেন ।

ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট মোঃ অন্তর ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাদিকুর রহমান পাবেল।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল এর ১০৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল ময়মনসিংহ জেলায় মানবাধিকার কার্যক্রমে নতুন গতি ও প্রাণ ফিরে পাবে—এমনই প্রত্যাশা সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের ।

সবশেষে সার্বিক মঙ্গল কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

জনতা ব্যাংকের বিপর্যয়: লোকসানের কারণ এমডির দুর্নীতি ও অদক্ষতা

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:১৮ পিএম
জনতা ব্যাংকের বিপর্যয়: লোকসানের কারণ এমডির দুর্নীতি ও অদক্ষতা

সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আস্থাভাজন বঙ্গবন্ধু পরিষদের উপদেষ্টা ব্যাংক সেক্টরের নেতা মজিবর রহমান জনতা ব্যাংকের এমডি পদে বহাল তবিয়তে থেকে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। সাবেক অর্থ মন্ত্রী ও হাসিনা সরকারের প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের বিশ্বস্ত হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে

ঘুষ দুর্নীতি বদলী বানিজ্যে করে অর্থ বিত্ত সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন।

গত অর্থবছরে জনতা ব্যাংক লস করেছে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। যা ছিল জনতা ব্যাংকের ইতিহাসে ভয়াবহ বিপর্যয়। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনতা ব্যাংকের ২০২৪ সালের লোকসানের পরিমাণ ৩০৬৬ কোটি টাকা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে, এই লসের পরিমাণ আগামীতে চার হাজার কোটিতে গিয়ে ঠেকতে পারে।

‎এই বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ এমডি মজিবুর রহমানের অদক্ষতা এবং লাগামহীন দুর্নীতি ও বদলি বাণিজ্য। ঘুষের আশায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নীতি সহায়তা প্রাপ্ত গ্রাহকদের পনু : তফশিল দিতে গড়িমসি।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের রূপরেখা ও ব্যাংক সেক্টরকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে আনতে এই জনতা ব্যাংকের প্রধান বাধা এমডি মজিবর রহমান। জিরো টলারেন্স দুর্নীতির চরম শিখরে অবস্থান করছে। আওয়ামী দলবাজ এমডি’র দুর্নীতি ও দলবাজি’র কবলে পড়ে অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কোন মূল্যায়ন না করে অদক্ষ ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের

মাঠ পর্যায়ের শাখা ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সহ কর্মচারীদের পোস্টিং দেওয়ার কারণে ব্যাংক লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারছেনা এমনটি জানালেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিজ্ঞ ব্যাংক কর্মকর্তা।

এদিকে, উচ্চ সুদে আমানত এনে, মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার দিয়ে এবং ভুল তথ্য দিয়ে নিজের ব্যক্তি ইমেজ গড়ায় সর্বশক্তি নিয়োগ করছেন মজিবুর রহমান। জনতা ব্যাংকের পয়সায় এই আমানত আনার শিশুসুলভ বিজ্ঞাপনে দেশের সবগুলো দৈনিকের পাতা এখন মজিবুরের ছবিতে ভর্তি।

ব্যাংক পাড়ায় গুঞ্জন রয়েছে, নানা সূত্রে ৪৭ কোটি টাকা ঘুষের কন্টাক্টে মজিবুর জনতা ব্যাংকের এমডি পদ হাসিল করেছেন। এই টাকা লাভসহ তোলার জন্য মুখিয়ে আছেন মজিবুর। ফলে সব রকম খাত থেকেই তিনি লাভ তুলতে মরিয়া। উদাহরণ হিসেবে, সম্প্রতি ২ কোটি ৪১ লক্ষ টাকার ওরিয়ান ফার্মার একটি প্রজেক্টের ফায়ার ইনসিওরেন্স তার এক আত্মীয়ের মাধ্যমে ইউনিয়ন ইনসুরেন্সকে দিতে বাধ্য করেন মজিবুর। জানা গেছ, মজিবুর একাই এখান থেকে কমিশন নিয়েছেন ১ কোটি ৯ লাখ টাকা। বাকি কমিশন ৪৮ মতিঝিল শাখার দুর্নীতিগ্রস্ত ডিজিএম সোবাহান এবং এমডির আত্মীয় ভাগ করে নেন। যা সবসময়ই অপ্রদর্শিত আয় হিসেবে তাদের কুক্ষিগত হয়। জানা গেছে- অরিয়ন অনিচ্ছা সত্ত্বেও এমডির হুমকিতে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ডেভিটের চিঠি দিতে বাধ্য হয়।

‎এমন হাজার অনিয়ম দুর্নীতির কবলে পড়ে ব্যাহত হচ্ছে ব্যাংকের লাভজনক স্বাভাবিক কার্যক্রম। দক্ষ কর্মকর্তা কর্মচারীদের যখন তখন যেখানে সেখানে বদলি করার ফলে মুখ থুবড়ে পড়ছে জনতা ব্যাংকের অগ্রগতি। হয়রানিমূলক বদলির হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই ঘুস দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। জানা গেছে, এই বদলি বাণিজ্য দেখাশোনার দায়িত্বে আছেন যে কর্মকর্তা, তিনি আবার এমডি মজিবুরের ভায়রাভাই।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে উচ্চপদস্থ এক ব্যাংকার বলেন যে, জনতা ব্যাংক বর্তমানে খেলাপি ঋণে জর্জরিত। এখন দরকার পুনঃ :তফশিল এবং সুদ মওকুফের মাধ্যমে অতিদ্রুত উল্লেখযোগ্য অঙ্কের খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনা, নতুন সিকিউরড ঋণ সৃষ্টি। বর্তমান এমডি খেলাপি ঋণ কমানোর কোনো চেষ্টাই করছেন না। বরং অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নীতি সহায়তা প্রাপ্ত গ্রাহকদের পনু :তফশিল দিতে গড়িমসি করছেন। ফলে ব্যাংকটির শ্রেণিকৃত ঋণের হার কেবল বাড়ছে। এদিকে উচ্চ সুদে আমানত এনে, মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার দিয়ে নিজের ব্যক্তি ইমেজ গড়ায় সর্বশক্তি নিয়োগ করছেন মজিবুর রহমান।

‎জনতা ব্যাংক বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সরকারি ব্যাংক। দেশের ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি অবদান এই ব্যাংকটির। এমন প্রেক্ষিতে এই ব্যাংকের বিপর্যয় জাতীয় অর্থনীতিতে একটি কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা উচিত।

তিনি ১৯৬৯ সালে ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলাধীন হাসাদিয়া গ্রামে এক সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদ থেকে বিএসসি অনার্স ইন এগ্রিকালচারাল ইকোনমিক্স এবং এগ্রিকালচারাল প্রডাকশন ইকোনমিক্সে এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন।

ময়মনসিংহে বড় মসজিদের ছাত্র মুয়াজকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৫১ এম
ময়মনসিংহে বড় মসজিদের ছাত্র মুয়াজকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত

ময়মনসিংহ বড় মসজিদের ছাত্র আজিজুল হক মুয়াজকে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মমেকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেকে রেফার করা হয়। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

মুয়াজের পরিবার জানায়, হামলার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থা সংকটজনক। তাকে বাঁচাতে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছেন। তারা দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

স্বজনদের দাবি, এই নৃশংস হামলার দ্রুত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। ঘটনাটির পর স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা ও উদ্বেগ ছড়িয়েছে।

হামলার খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে হামলার কারণ এখনো পরিষ্কার নয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।