সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

ভারতে ভেঙে দেওয়া হলো প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো মসজিদের একাংশ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১১:০০ এম
ভারতে ভেঙে দেওয়া হলো প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো মসজিদের একাংশ

ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়সহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের অভিযোগ বেশ পুরোনো। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি অতীতে বহুবারই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই ধরনের অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছে।

 

এরই ধারাবাহিকতায় ভারতে এবার ভেঙে দেওয়া হয়েছে একটি মসজিদের একাংশ। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই মসজিদটি প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে।

 

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশে ১৮৫ বছরের পুরোনো একটি মসজিদের একটি অংশ ভেঙে দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের দাবি, মসজিদের এই অংশটি বান্দা-বাহরাইচ হাইওয়ের অংশে অবৈধভাবে করা হয়েছিল।

 

উত্তরপ্রদেশের ফতেহপুর জেলায় অবস্থিত এই মসজিদটির নাম নূরী জামে মসজিদ। এটি ১৮৫ বছরের পুরোনো। জেলা প্রশাসন দাবি করেছে, মসজিদের ভেঙে ফেলা অংশটি বেআইনি ছিল। পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট (পিডব্লিউডি) দাবি করেছে, তারা গত ১৭ আগস্ট তাদের “অবৈধ নির্মাণের” কারণে মসজিদের কিছু অংশ সরানোর নোটিশ দিয়েছিল।

 

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সড়কের ওপর মসজিদের একাংশ পড়ায় মসজিদ কমটিকে নোটিশ দেয়া হয়েছিল। তারপরও সেই অংশ ভাঙেনি কমিটি। তাই নির্ধারিত সময়ের পর গণপূর্ত বিভাগ থেকে মসজিদটির ওই অংশ ভেঙে ফেলা হয়।

 

এমন এক সময় প্রশাসন মসজিদটি ভেঙেছে যখন মসজিদ কমিটি বিষয়টি সুরাহার জন্য এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আদালত থেকে এই বিষয়ে কোনও আদেশ আসার আগেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

 

তবে জেলা প্রশাসনের দাবি, আদালতে আবেদন জমা পড়লেও শুনানির জন্য নথিভুক্ত হয়নি। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অবিনাশ ত্রিপাঠির দাবি, মসজিদের যে অংশ ভেঙে দেওয়া হয়েছে তা তৈরি হয়েছিল তিন বছর আগে।

 

উল্লেখ্য, বিচারবিভাগীয় নির্দেশ ছাড়া বুলডোজার দিয়ে কোনও অবকাঠামো গুড়িয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে স্পষ্ট রায় দিয়েছিল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। এছাড়া উত্তরপ্রদেশের মতো বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যে বুলডোজার-জাস্টিস নিয়ে উদ্বেগও জানিয়েছিল দেশটির শীর্ষ আদালত।

 

তবে বিজেপির বিভিন্ন সরকারই আদালতের রায়কে অগ্রাহ্য করে বুলডোজার-জাস্টিস তথা বুলডোজার নিয়ে অবকাঠামো ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার এই প্রক্রিয়া জারি রেখেছে।

 

সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের সামভালে মুঘল আমলের একটি প্রাচীন মসজিদে ‘সার্ভে’ বা সমীক্ষা করানোর নির্দেশকে ঘিরে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় তীব্র সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। সহিংসতায় আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

ঘটনার পর গোটা এলাকায় তীব্র সাম্প্রদায়িক উত্তেজনাও ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শহরের যে মসজিদটিকে ঘিরে এই বিরোধ দেখা দিয়েছে সেটি ‘শাহী জামা মসজিদ’ নামে পরিচিত। কট্টর হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলোর দাবি, প্রাচীন একটি হিন্দু মন্দির ভেঙেই এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল, ওই ভবনের স্থাপত্যে নাকি এখনও তার প্রমাণ রয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, মুসলিমসহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও নিপীড়ন নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে বরাবরই সরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও ব্যক্তিত্ব। ২০২৩ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রে নিজের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মুসলিমসহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

 

মোদির সেই সফরের মধ্যেই ভারত নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি সেসময় বলেছিলেন, মুসলিমদের অধিকারকে সম্মান না করলে ভারত ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যেতে পারে।

 

উল্লেখ্য, মানবাধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কিত প্রতিবেদনে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট গত বছর ভারতে মুসলমান, হিন্দু দলিত, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি আচরণের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। এছাড়া ভারতীয় সাংবাদিকদের ওপর ভারত সরকারের নির্যাতনের বিষয়টিও সামনে আনা হয়েছিল ওই প্রতিবেদনে।

ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারী ও বৃদ্ধার ওপর হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

মোঃ সাজ্জাদ মিয়া, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪৬ এম
ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারী ও বৃদ্ধার ওপর হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরীর ৩৩নং ওয়ার্ডের চর গোবদিয়া এলাকায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এক নারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা, মারধর, সম্পদ নষ্ট এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান হিরা, সুরে এবং রশিদ গংদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী মোছাঃ ডলি আক্তার।

লিখিত অভিযোগে মোছা. ডলি আক্তার উল্লেখ করেন, চর ঈশ্বরদিয়া মৌজায় তাঁদের মালিকানাধীন জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদীদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিবাদীরা জমি থেকে তাঁদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি জমিতে প্রবেশে বাধা, জোরপূর্বক ঘরবাড়ি নির্মাণ এবং তাঁদের বিভিন্ন সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৯ অক্টোবর সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে বিবাদীরা তাঁদের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলে ডলি আক্তার ও তাঁর ছেলে সাকিব (২১) সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করতে বলেন। এ সময় অভিযুক্ত মোখলেসসহ কয়েকজন এবং তাঁদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ডলি আক্তারের দাবি, হামলাকারীরা লোহার রড, এসএস পাইপ ও হকিস্টিক দিয়ে তাঁকে এবং তাঁর ছেলেকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। এ সময় তাঁর ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা নুরজাহানকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে বিবাদীরা তাঁদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে হত্যার উদ্দেশ্যে তেড়ে আসেন। এ সময় তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি ভবিষ্যতে জমি নিয়ে কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ নিলে কিংবা অভিযোগ দায়ের করলে আরও ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন অভিযোগকারী।

ডলি আক্তারের আশঙ্কা, জমি দখলের চেষ্টা ও হামলার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেও তিনি প্রতিকার না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত থানার দ্বারস্থ হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।

লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

তবে অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের বক্তব্য এবং অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার আধপাখিয়া গ্রামের মেম্বারের ভাই মোফাজ্জল হোসেন সুদে টাকা লাগিয়ে কম পক্ষে ২০ পরিবারকে পথে বসিয়ে দিয়েছেন। এদের প্রায় সকলেই হয়েছেন টাকা কিংবা সুদের টাকা দিতে নাপারায় নির্যাতনের শিকার।গত ২৯ অক্টোবর সুদের টাকার জন্য শারিরিক নির্যাতনের শিকার হন বিল্লাল মিয়া।এই হতভাগ্য থানায় অভিযোগ করতে পারেনি।পরে যদি এর চেয়ে বড় কিছু করে ফেলে। মোফাজ্জল এতোটাই এলাকায় আতংকের নাম।

আধপাখিয়ার ভ্যান চালক বিল্লাল একই এলাকার মোফাজ্জলের কাছ থেকে বিপদে পড়ে মাসিক বিশ টাকা হাড় সুদে ৫ হাজার টাকা নিয়েছিল।গত প্রায় ২ বছরে বিল্লাল প্রায় বিশ হাজার টাকা সুদ দিয়েছে। সম্প্রতি সুদ দিতে দেরী হওয়ায় মোফাজ্জল চাপ দেয় সুদে আসলে তার টাকা দিয়ে দিতে হবে।টাকা দিতে দেরী হওয়ায় ২৯ অক্টোবর বিল্লালকে স্থানীয় সুমনের দোকানের সামনে বেদরক মারধর করে।নির্যাতন দেখে সহ্য না হওয়ায় দোকানদার সুমন মোফাজ্জলের টাকা দিয়ে দেন।এ সময় তাকে সুদসহ ৬ হাজার টাকাই দিতে হয়।এমন অভিযোগ স্থানীয় এক নারীও করেছেন।

এলাকার অনেকের সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হয়েছে, তারা জানিয়েছেন মোফাজ্জল চড়া সুদে টাকা লাগান। টাকা আদায় করতে গিয়ে অনেকের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তার টাকার সুদ দিতে দিতে অনেকে নিঃশ্ব হয়েছেন।অনেকের ঢাকা শহরে গিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। এলাকার মানুষের সাথে যেন তার পায়কারি হাড়ে বিরোধ। কোন ব্যাক্তি এ সকল ঘটনার প্রতিবাদ করলেই সেও পড়ে তাদের রোষানলে।

মোফাজ্জল জানান, এলাকায় তার সাথে কারো বিরোধ নেই। পাওনা টাকা চাইলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।তিনি তার ভাই মেম্বার এর নাম উল্লেখ করে বলেন আমি খারাপ হলে কি ভাইকে ভোট দিতো? জমি সংক্রান্ত বিরোধ আছে তাদের সাথে অনেকের। সে গুলোও মানুষ সমালোচনা করে।

ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর অভিযান, ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:২৪ পিএম
ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর অভিযান, ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে অভিযান চালিয়ে ১০৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৪)। এ ঘটনায় মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

এসআরবি-১৪ সূত্রে জানা যায়, গত ১ নভেম্বর দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে গৌরীপুর উপজেলার মইলাকান্দা ইউনিয়নের পোদ্দারপাড়া বণিক বাড়ির একটি টিনশেড ঘরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সিপিএসসি, এসআরবি-১৪, ময়মনসিংহের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দুলাল চন্দ্র বণিক (৫৫) ও মো. হাতিম মিয়া (৪২)। তাঁদের দুজনেরই বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামগঞ্জ বাজার এলাকায় অবস্থানকালে আভিযানিক দল জানতে পারে, পোদ্দারপাড়া বণিক বাড়ির দুলাল চন্দ্র বণিকের ঘরে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য কেনাবেচা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

পরে উপস্থিত লোকজন ও সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে ছয়টি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ১০৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তার দুজন পরস্পর যোগসাজশে বিক্রির উদ্দেশ্যে গাঁজাগুলো নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এসআরবি-১৪ সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এজাহার দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার করা গাঁজা ও জব্দ করা আলামতসহ তাঁদের গৌরীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।