বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩

নওগাঁয় মিথ্যা মামলা দায়ের করে উল্টো কারাদণ্ড, জেলহাজতে বাদী

এম. আনোয়ার হোসেন।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:৫২ এম
নওগাঁয় মিথ্যা মামলা দায়ের করে উল্টো কারাদণ্ড, জেলহাজতে বাদী

নওগাঁয় আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে নিজেই বিপাকে পড়েছেন শরিফুল ইসলাম ভুট্টু (৪৬) নামে এক ব্যক্তি। মামলার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে না পারায় উল্টো তাকেই কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে নওগাঁর ১ নম্বর আমলি আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-ইমরান এ আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শরিফুল ইসলাম ভুট্টু নওগাঁ সদর উপজেলার চকগোয়ালী গ্রামের মৃত আহাদ আলী সরদারের ছেলে।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, শরিফুল ইসলাম ভুট্টু একই গ্রামের চারজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৩৪২, ৩২৩, ৩৭৯ এবং ৫০৬(২)/৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা গ্রহণের পর আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) নির্দেশ দেন।

ডিবি পুলিশ সরেজমিন তদন্ত ও অনুসন্ধান শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে পূর্বশত্রুতার জেরে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর বুধবার ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন আদালত। এ সময় অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-ইমরানের কাছে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে আদালত বাদীকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি স্বীকার করেন যে, মামলার অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া।

বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় (মিথ্যা মামলা দায়েরের অপরাধ) তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় শরিফুল ইসলাম ভুট্টু নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অনাদায়ে আরও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাজা পরোয়ানামূলে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

আদালতের এ রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় আইনজীবী ও আইনজ্ঞরা। তাদের মতে, এ আদেশের মাধ্যমে আদালতে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক বার্তা দেওয়া হয়েছে। এটি বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ৩ হত্যা: গৌরীপুরে সোমনাথ সাহাসহ ৯ জনের সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছে প্রসিকিউশন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৫ এম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ৩ হত্যা: গৌরীপুরে সোমনাথ সাহাসহ ৯ জনের সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছে প্রসিকিউশন

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় যুক্তিতর্ক শেষ করেছে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশন। মামলায় গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সোমনাথ সাহাসহ ৯ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে প্রসিকিউশন।

রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যেকোনো সময় এ মামলার রায় ঘোষণা করতে পারেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গৌরীপুরে সংঘটিত সহিংসতায় তিনজন নিহত হন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোমনাথ সাহাসহ নয়জনকে আসামি করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া উচিত।

মামলার শুনানিতে প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতের সামনে তুলে ধরে সর্বোচ্চ সাজা দাবি করে। অন্যদিকে আসামিপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে তাদের খালাসের আবেদন জানিয়েছে।

এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন মামলার বাদী, নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়রা। রায় ঘোষণার পরই মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

মিঠামইনে দুর্নীতির অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অব্যাহতি

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫১ পিএম
মিঠামইনে দুর্নীতির অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অব্যাহতি

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া আব্দুর গনি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদকে প্রশাসনিক অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ ও বিদ্যালয়ে নিয়মিত অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক আদেশে গত ১৯ আগস্ট এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়ায় তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশ অনুযায়ী, আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে বিদ্যালয়ের যাবতীয় দায়িত্ব ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের কাছে বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দায়িত্ব পাওয়ার পর নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাস বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা, প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চালু রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

এ বিষয়ে মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

এদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অব্যাহতির ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

জাল দলিল করে ২ একর ১৯ শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ এমপি বাচ্চুর বিরুদ্ধে!

শিবলী সাদিক খান।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২২ পিএম
জাল দলিল করে ২ একর ১৯ শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ এমপি বাচ্চুর বিরুদ্ধে!

জাল দলিল ও ভুয়া ওয়ারিশান সনদ তৈরির মাধ্যমে ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ একর ১৯ শতাংশ জমি জবরদখল এবং ওই জমি বন্ধক রেখে ব্যাংকঋণ নেওয়ার পাঁয়তারা করার অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচার ও জমি উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এসব অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভালুকা উপজেলার ৬ নম্বর ভালুকা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাশিল গ্রামের মৃত ছফির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মান্নান, জাকির হোসেন, সাকির হোসেন ও আলম হোসেন এবং ছফির উদ্দিনের নাতি ওয়াহাব মিয়া।

লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, ভালুকা উপজেলার বাশিল মৌজার এসএ ২০ নম্বর খতিয়ানের মালিক ছিলেন তাদের দাদা মৃত মদন শেখ। তাঁর মৃত্যুর পর ছফির উদ্দিনের নামে ৩৩৯ নম্বর বিএস/বিআরএস খতিয়ান লিপিবদ্ধ হয়। ওই খতিয়ানে আটটি দাগে মোট ২ একর ৯৬ শতাংশ জমি রয়েছে। ছফির উদ্দিন মৃত্যুকালে দুই স্ত্রী, ছয় ছেলে ও চার মেয়েসহ ১২ জন ওয়ারিশ রেখে যান।

ভুক্তভোগীদের দাবি, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ওই জমি তারা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। এমনকি ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও ছফির উদ্দিনের নামে ৩৩৯ নম্বর খতিয়ানের ২ একর ১৯ শতাংশ জমির খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে।

তাদের অভিযোগ, গত ৮ আগস্ট হঠাৎ স্যুট-টাই পরিহিত কয়েকজন ব্যক্তি ওই জমি পরিদর্শনে আসেন। পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের প্রিমিয়ার ব্যাংকের বনানী শাখার কর্মকর্তা বলে জানান। ব্যাংক কর্মকর্তারা তাদের জানান, ওই জমি বন্ধক রেখে এমপি ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু শত কোটি টাকা ঋণের আবেদন করেছেন এবং ঋণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জমি পরিদর্শনে এসেছেন তারা।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, বিষয়টি জানতে পেরে জমির প্রকৃত ওয়ারিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যাংক কর্মকর্তাদের জমি পরিদর্শনে বাধা দেন। পরে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে তারা সেখান থেকে চলে যান।

এরপর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে এবং বিভিন্ন দলিলপত্র সংগ্রহ করে তারা কথিত জালিয়াতির বিষয়টি জানতে পারেন বলে দাবি করেন।

তাদের অভিযোগ, ছফির উদ্দিনের ৩৩৯ নম্বর খতিয়ানের ভুয়া মালিকানা ও ওয়ারিশান সনদ তৈরি করে বাশিল মৌজার মদন শেখের এসএ খতিয়ান-২০ এবং ছফির উদ্দিনের নামে থাকা বিআরএস খতিয়ানের ২৩৬, ২৩৭, ২৩৯, ২৪১, ২৪৮ ও ২৫১ নম্বর দাগ উল্লেখ করে একটি দলিল তৈরি করা হয়েছে। তাদের দাবি, দলিলটির নম্বর ৭৩৫৫ এবং তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০২৪।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ওই দলিলের মাধ্যমে ২ একর ১৯ শতাংশ জমি ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ভাওয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের নামে নামজারি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের পর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভালুকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জমি দখলের চেষ্টা চলছে। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের জমিসহ বন বিভাগ ও সাধারণ মানুষের জমিও দখলের অভিযোগ রয়েছে এমপি বাচ্চু ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত দাবির বাইরে স্বাধীন কোনো নথি বা তদন্তের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, কথিত জাল দলিল তৈরিতে এমপি বাচ্চুর সহযোগী হিসেবে দলিলের শনাক্তকারী জিয়াদ হোসেন শাকিল ঢালী, দলিল লেখক সাইফুল আলম খান (সনদ নম্বর ৫২৩২) এবং সাক্ষী কায়সার ও হেলাল উদ্দিন জড়িত ছিলেন।

বাপ-দাদার সম্পত্তি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে ভুক্তভোগীরা অভিযোগের তদন্ত, কথিত জাল দলিল বাতিল এবং জমি উদ্ধারের দাবি জানান।

এমপি বাচ্চুর বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “২০২৪ সালে এই জমি ক্রয় করে আমি খাজনা-খারিজ করেছি। দীর্ঘ সময়ে তাদের দাবিকৃত ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে আইন-আদালতের আশ্রয় না নিয়ে আমার মানহানি করার জন্য প্রতিপক্ষের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে। তাদের অতিরঞ্জিত বক্তব্যের অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

জমির মালিকানা, দলিলের বৈধতা এবং ব্যাংকঋণের আবেদনের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে অভিযোগটির প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।