বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

দুই-তিন বছরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে: ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪২ পিএম
দুই-তিন বছরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে: ববি হাজ্জাজ

আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ও গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

রোববার (১৬ আগস্ট) ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

‘প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাথমিক শিক্ষার পরিবর্তনে যে স্বপ্ন ও দায়িত্ব দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সরকার সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের পরিকল্পনা, পাইলটিং ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, কারিকুলাম উন্নয়ন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, নতুন শিক্ষক নীতিমালা প্রণয়ন, মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা, সাংস্কৃতিক শিক্ষা, ক্রীড়া শিক্ষা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন কোনো শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাইরে না থাকে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর জন্য পুষ্টিকর মিড-ডে মিল, বিনামূল্যে ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগসহ বিভিন্ন সহায়তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ নয়; প্রতিটি বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা অর্জনের উপযোগী আধুনিক, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশে রূপান্তর করা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে প্রতিটি এলাকার ‘উজ্জ্বল নক্ষত্র’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ছয় মাসের লক্ষ্যমাত্রাগুলোও যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে করা অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সক্ষমতা নিশ্চিত করেই এসব পরিবর্তন বিদ্যালয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হবে।

আগামী কারিকুলামে ইংরেজি লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে স্পিকিং টেস্ট চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের তথ্য ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষা কার্যক্রম আরও আধুনিক করতে একটি সমন্বিত আইটি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হচ্ছে। এর আওতায় প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একটি করে ইউনিক আইডি থাকবে।

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়নে পৃথক ওয়াশ ব্লকের পরিবর্তে স্কুল ভবনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ওয়াশ ব্লক স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্কুল ফিডিং কার্যক্রম নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ কার্যক্রমে যেসব ভুল-ত্রুটি হচ্ছে, তার তুলনায় এ নিয়ে অপপ্রচারই বেশি হচ্ছে। তবে সরকার প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানে কাজ করছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাধারণত মসজিদে এ ধরনের ঘটনা দেখা যায় না। এর অন্যতম কারণ মানুষ মসজিদকে নিজের প্রতিষ্ঠান মনে করে। কিন্তু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অনেকেই নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে মনে করেন না। অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সবার নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপপরিচালক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমেদ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনসের পরিচালক।

এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার পিটিআই সুপার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

এনএসআই প্রতিবেদনে আটকে নিয়োগ, অনশনের পর ছাড় ২০ জনের, ঝুলে রইল ২ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩২ পিএম
এনএসআই প্রতিবেদনে আটকে নিয়োগ, অনশনের পর ছাড় ২০ জনের, ঝুলে রইল ২ জন

এনএসআইয়ের নেতিবাচক প্রতিবেদনের কারণে নিয়োগ আটকে থাকা ময়মনসিংহের চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২২ জন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন অবশেষে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিনভর অনশনের পর মধ্যরাতে তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তবে বাকি দুজনের নিয়োগের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ২০ জনের নিয়োগপত্র জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে ওই ২০ প্রার্থীর মধ্যে।

এর আগে এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্য থাকার কথা জানিয়ে ময়মনসিংহ জেলার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২২ জন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক প্রার্থীর নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়। নিয়োগপত্র না পেয়ে বুধবার বেলা সোয়া ১১টা থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনশন শুরু করেন তারা।

অনশনরত প্রার্থীদের অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্ত্বেও নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছিল না। এমনকি এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে কী ধরনের নেতিবাচক তথ্য রয়েছে, সে বিষয়েও তাদের জানানো হয়নি।

নিয়োগপত্র পাওয়ার পর ফুলপুরের প্রার্থী কাজী অনিক বলেন, ‘মধ্যরাতে ওয়েবসাইটে নিয়োগপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। নিয়োগপত্র পেয়ে আমরা খুশি। আজকেই যোগদান করব।’

তবে নিয়োগপত্র পাননি গফরগাঁওয়ের প্রার্থী জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘দিনভর জানার চেষ্টা করেছি, কেন আমাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। আমি রাজনৈতিক কোনো পদ-পদবিতে ছিলাম না। তবুও নিয়োগপত্র কেন পেলাম না, তা জানি না।’

ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে বুধবার রাতে ২০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। নিয়োগপত্র পাওয়া ২০ জন বৃহস্পতিবারই যোগদান করবেন।

পরানগঞ্জে গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

সোহেল মিয়া।। প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ পিএম
পরানগঞ্জে গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পরানগঞ্জ ইউনিয়নের বীর বওলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে গাঁজা গাছসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কোতোয়ালী মডেল থানার এএসআই স্বপন আকন্দের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বীর বওলা গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় গাঁজা গাছসহ ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বীর বওলা গ্রামে গাঁজা চাষ ও বিক্রির খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গাঁজা গাছ উদ্ধারসহ একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মিঠামইনে প্রধান শিক্ষক রৌশন আরা চৌধুরীকে বিদায় সংবর্ধনা

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন।। প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০৬ পিএম
মিঠামইনে প্রধান শিক্ষক রৌশন আরা চৌধুরীকে বিদায় সংবর্ধনা

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রৌশন আরা চৌধুরীকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মাহফুজ মিয়া। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ আলী চৌধুরী, ইউপিইও ড. আব্দুর রহিম এবং মিঠামইন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি শাহরীল আলম তপন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি নুরুল আমিন, খলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ প্রধান শিক্ষক সমিতি মিঠামইন উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান জহির ইয়ার চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মিঠামইন শাখার সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার দাস, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নূরে আলম, প্রধান শিক্ষক শরাফ উদ্দিন, শিক্ষক গয়েস চন্দ্র দাস ও অভিভাবক তাজুল ইসলামসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিদায়ী প্রধান শিক্ষক রৌশন আরা চৌধুরী আবেগঘন বক্তব্যে বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি আমার দায়িত্ব সৎভাবে পালন করতে। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গ্রামের মানুষের ভালোবাসা আমি কখনো ভুলব না। আজকের এই সম্মান আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। তোমরা সবাই ভালো মানুষ হবে, দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।’

সাবেক শিক্ষার্থী নিয়াম আহমেদ অংকন বলেন, ‘আমাদের শিক্ষক শুধু শিক্ষক ছিলেন না, তিনি আমাদের অভিভাবকের মতো ছিলেন। তিনি আমাদের শাসন করেছেন, ভালোবাসা দিয়েছেন এবং জীবনে ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। তাই আমরা তাকে সংবর্ধনার মাধ্যমে বিদায় দিতে চেয়েছি।’

পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাত হোসেন ঈর্ষা বলেন, ‘ম্যাডামের কাছে আমরা শুধু পড়াশোনা নয়, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা শিখেছি। তিনি আমাদের জীবনের একজন আদর্শ শিক্ষক হয়ে থাকবেন।’

পরে ফুলের মালা পরিয়ে এবং ফুলেল শুভেচ্ছায় রৌশন আরা চৌধুরীকে বিদায় জানান শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিরা। আবেগঘন এ আয়োজনে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় এক হৃদয়ছোঁয়া পরিবেশ।

উল্লেখ্য, রৌশন আরা চৌধুরী ১৯৮৭ সালে মিস্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি বিভিন্ন বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।