বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

ময়মনসিংহে দোকানে ঢুকে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০২ পিএম
ময়মনসিংহে দোকানে ঢুকে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা এলাকায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে একটি কম্পিউটারের দোকানে ঢুকে মো. রাব্বী (২৭) নামে এক যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

নিহত রাব্বী নগরীর মাসকান্দা হাইস্কুল রোড এলাকার মোবারক হোসেনের ছেলে। তিনি একটি বেসরকারি পলিটেকনিক কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি পাসপোর্ট অফিসের সামনে একটি কম্পিউটারের দোকান পরিচালনা করতেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাব্বী তার দোকানের আশপাশে অবস্থান করছিলেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি হঠাৎ তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে রাব্বী দৌড়ে নিজের দোকানের ভেতরে আশ্রয় নেন। কিন্তু হামলাকারীরা পিছু নিয়ে দোকানের ভেতর ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।

হামলার পর রক্তাক্ত অবস্থায় রাব্বীকে দোকানের ভেতরে ফেলে রেখে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পাসপোর্ট অফিস ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে এমন হত্যাকাণ্ডে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে।

কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত রাব্বীর প্রতিবেশী সাব্বিরের পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জেরেই রাব্বীকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

ওসি বলেন, হত্যাকাণ্ডে সাব্বির ও তার ভাইয়ের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে, পাসপোর্ট অফিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকার সামনে একটি দোকানে ঢুকে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, হামলার সঙ্গে জড়িতদের সংখ্যা এবং ঘটনায় আরও কেউ সম্পৃক্ত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফল প্রকাশের পর নিখোঁজ, দুই দিন পর অগভীর পুকুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৮ পিএম
ফল প্রকাশের পর নিখোঁজ, দুই দিন পর অগভীর পুকুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় নিখোঁজের দুই দিন পর বদরুন্নাহার সীমা (১৭) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাড়ির অদূরের একটি পুকুরে মাত্র ২ থেকে ৩ ফুট পানিতে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের পুঙ্গায়াই পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত বদরুন্নাহার সীমা ওই গ্রামের বদরুজ্জামান বকুল ও বেবি আক্তারের মেয়ে। সে পুঙ্গায়াই উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল। চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিল সীমা।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় সীমাকে বকাঝকা করেন তার মা। ওই দিন দুপুর ১২টার পর বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সে। তখন তার মা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিল সীমা।

পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। অবশেষে বুধবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ হাত দূরের একটি পুকুরে স্থানীয়রা তার মরদেহ ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, পুকুরটিতে পানির গভীরতা ছিল আনুমানিক ২ থেকে ৩ ফুট। এমন অগভীর পানিতে সীমার মৃত্যু কীভাবে হলো, তা নিয়ে এলাকায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিহতের বাবা বদরুজ্জামান বকুল বলেন, মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেছেন তারা। পরীক্ষায় খারাপ করায় মন খারাপ করে হয়তো কারও বাড়িতে চলে গেছে এমনটাই ভেবেছিলেন। কিন্তু এভাবে মেয়ের মরদেহ দেখতে হবে, তা কল্পনাও করেননি। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, কিছুই বুঝতে পারছেন না তিনি।

তারাকান্দা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলাল উদ্দিন বলেন, নিহতের বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ হাত দূরের একটি পুকুরে ২ থেকে ৩ ফুট পানির মধ্যে মরদেহটি পাওয়া গেছে। পুকুরের পানির গভীরতা বিবেচনায় মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে সুরতহালে নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, তরুণীর মরদেহ যে অবস্থায় পাওয়া গেছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা দ্রুতই বেরিয়ে আসবে বলে আশা করেন তিনি।

ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি শিবিরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০১ পিএম
ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি শিবিরুল ইসলাম

ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম।

অদ্য ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে পুলিশ লাইন্স, ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত জেলার মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভায় তাঁকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

মেধা, দক্ষতা, দায়িত্ববোধ, পেশাদারিত্ব ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে ময়মনসিংহ নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ অর্জন করেছেন।

দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার, কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন ওসি মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম।

তাঁর এ অর্জনে পুলিশ বিভাগের সহকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অভিনন্দন জানিয়েছেন। কর্মদক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি হিসেবে পাওয়া এ সম্মাননা তাঁকে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে অনুপ্রাণিত করবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি হিসেবে ওসি মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের এ অর্জনে রইল আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।

ময়মনসিংহে পুলিশের তদন্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
ময়মনসিংহে পুলিশের তদন্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার একটি মামলার তদন্ত ও আদালতে দেওয়া চার্জশিটকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলামকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে মনগড়া অভিযোগ করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

জানা গেছে, গত ২৪ এপ্রিল নগরীর ভাটিকাশর মিশন স্কুলের সামনে থেকে কৃষ্টপুর রোড পর্যন্ত হকিস্টিক, লাঠি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে একদল কিশোরের শোডাউনের অভিযোগ ওঠে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ও জনমনে ভয়ভীতির সৃষ্টি হয় বলে জানায় পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে কিশোরগ্যাং সদস্য তপু হাসানকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালী মডেল থানার ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তির ১৬১ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য এবং ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর-৭৪, তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০২৬।

মামলার এজাহারে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাকিমের ছেলে মেরাজকে ১২ নম্বর আসামি করা হয়। পরে তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত, সাক্ষ্য ও অন্যান্য আলামত যাচাই-বাছাই শেষে মেরাজকে চার্জশিটে ৪ নম্বর আসামি করা হয়। মামলায় মোট ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

এদিকে, গত ৩ আগস্ট মেরাজকে নির্দোষ দাবি করে তার বাবা আব্দুল হাকিম ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগে তিনি তার ছেলেকে মামলায় জড়ানোর বিষয়ে আপত্তি জানান। পরে ওই অভিযোগের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করা হলে পুলিশের তদন্ত ও চার্জশিট নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তিকে মামলায় আসামি করা কিংবা চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা কোনো অফিসার ইনচার্জের একক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়। তদন্তে প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ, ঘটনাস্থলের তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, ভিডিও ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করেই আইনগত প্রক্রিয়ায় তদন্ত সম্পন্ন করা হয়।

পুলিশ আরও বলছে, কারও অভিযোগ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের ভিত্তিতে তদন্তের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ না করে সংশ্লিষ্ট নথি ও তদন্তের উপাদান যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো পক্ষের অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনগতভাবে নিষ্পত্তির সুযোগ রয়েছে।

তবে আব্দুল হাকিমের অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য এবং অভিযোগের বিস্তারিত বিষয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা ও পুলিশের তদন্তের যথার্থতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি ও আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।