শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহের পরানগঞ্জ ইউনিয়নে চলছে অনিরাপদ চিকিৎসা সেবা

নাজমুল হাসান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম
ময়মনসিংহের পরানগঞ্জ ইউনিয়নে চলছে অনিরাপদ চিকিৎসা সেবা

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৪নং পরানগঞ্জ ইউনিয়নের সাহারগঞ্জ, আম্বিকাগঞ্জ বাজার ও আশেপাশের এলাকা জুড়ে চলছে অনিরাপদ চিকিৎসা সেবা, যার ফলে এলাকাবাসীর স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ এলাকায় প্রায় ২০টির মত প্যাথলজি ও ফার্মেসি রয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে একদিন রেজিস্টার্ড ডাক্তার থাকলেও বাকী দিনগুলোতে রেজিস্টার ছাড়াই ডাক্তার প্রেসক্রিপশন দিয়ে যাচ্ছে।

এছাড়া, প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার রিপোর্টগুলোতে প্রায়শই ভুল তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, যা রোগীদের স্বাস্থ্যগত ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশেরই স্বাস্থ্য সেবা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি বা পরিবেশের ছাড়পত্র নেই, যা এলাকার মানুষের জন্য একটি বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

সারা বাংলাদেশে যখন রেজিস্টার বিহীন ডাক্তারদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে, তখন পরানগঞ্জ ইউনিয়নে চলছে ভূয়া ডাক্তারদের রমরমা ব্যবসা। এলাকার সাধারণ মানুষ তাদের অজ্ঞানতার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা নিচ্ছে, যা তাদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলছে।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন সমাজ সেবক জানান, শহর থেকে সপ্তাহে একদিন রেজিস্টার্ড ডাক্তার আসলেও বাকি দিনগুলোতে সঠিক চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু প্রতিষ্ঠান যেমন অনুমোদনহীন, তেমনি কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের কাগজপত্র ও পরিবেশের অনুমতি না থাকার কারণে সন্দেহের মধ্যে রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকটি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে কল দিলে একজন মুটোফোনের কল রিসিভ করলে তার কাছে অনুমোদন ও সাস্থ্যসেবা সর্ম্পকে জানতে চায়লে তিনি এক কথায বলেন বেশীর প্রতিষ্ঠানের সঠিক অনুমোদন নেই।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা: ফয়সাল মুঠো ফোনে জানান,

জেলা প্রশাসনের কার্যালয় ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আন্তরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে এ বিষয়ে এক মতামত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে দায়ী দোষী ব্যাক্তিদের উপযুক্ত শাস্তি প্রধান করতে যে কোন সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

তিনি আরো বলেন, অনুমতিবিহীন কোন কোন প্রতিষ্ঠান আছে এ বিষয়ে সকল প্রস্তুতি নেওয়া কোথায় কী করতে হবে।

সচেতন নাগরিক সমাজের রূপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘের সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ তানসেন বলেন, জেলা সিভিল সার্জনের অনুমতি/ছাড়পত্র ব্যতিত কোন প্যথলজি ক্লিনিক/মেডিক্যাল হল চালু করা সম্পূর্ণ নীতিমালা বহির্ভূত। এ ধরণের ক্লিনিক যত্রতত্র চালু থাকলে অপচিকিৎসার কারণে রোগীর জীবনহানীর আশংকা থাকে।

ময়মনসিংহ সদরের চরাঞ্চলে বিদ্যমান অনুমোদনহীন প্যাথলজি ক্লিনিক/মেডিক্যাল হলগুলো নিয়মের আওতায় আনা জরুরি।। যথাযথ নীতিমালা অনুসরণ করে চরাঞ্চলে ক্লিনিকগুলো পরিচালনা হলে অপচিকিৎসার হাত থেকে সাধারণ রোগী আশকাংমুক্ত থাকবে বলে মনে করি। এছাড়া,

চরাঞ্চলে স্থাপিত ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা উন্নত করা হোক। তাহলে এলাকার সাধারণ মানুষে রাষ্ট্রের চিকিৎসাসেবার সুফল পাবে।

সচেতন মহল মনে করেন, এ অঞ্চলের স্বাস্থ্য সেবা পরিস্থিতি উন্নত করতে জেলা সিভিল সার্জনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে, রোগীদের সঠিক চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া, চরাঞ্চলের চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মের আওতায় আনার পাশাপাশি ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা উন্নত করাও জরুরি।

ময়মনসিংহে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

মোঃ সাজ্জাদ মিয়া।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
ময়মনসিংহে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহ নগরীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় আসামিদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের দিকে নগরীর গোহাইলকান্দি এলাকায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) কার্যালয়ের পেছনের একটি নির্জন স্থান থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় একদল সশস্ত্র ব্যক্তি ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে বলে জানতে পারে পুলিশ। পরে কোতোয়ালী মডেল থানার ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সেলিম মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন এবং পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ চারদিক থেকে ঘেরাও করে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আজমতপুর এলাকার মো. সজিব মিয়া (২০), সানকিপাড়া এলাকার মো. আকাশ (২২), গোহাইলকান্দি এলাকার মো. ইমন আহম্মেদ আবির (৩০), গোহাইলকান্দি দরগা এলাকার মো. শাহেদ (২১), চরগোবিন্দপুরের মো. মোফাজ্জল (৩৫) এবং তিনকোনা পুকুরপাড় এলাকার মো. জাহাঙ্গীর (৪০)।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার সজিবের কাছ থেকে একটি সুইচ গিয়ার চাকু, আকাশের কাছ থেকে একটি ধারালো দা, ইমন আহম্মেদ আবিরের কাছ থেকে একটি চাকু এবং শাহেদের কাছ থেকে একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। মোফাজ্জল ও জাহাঙ্গীরকে তাঁদের সহযোগী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।

কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পেশাদার ছিনতাই ও ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। তাঁরা নগরীর বিভিন্ন নির্জন এলাকায় পথচারীদের জিম্মি করে ছিনতাই ও ডাকাতি করে আসছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ও ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সেলিম মিয়ার নেতৃত্বে এসআই কাইয়ূম, এএসআই আজহারুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

এ ঘটনায় এসআই কাইয়ূম বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় দণ্ডবিধির ৩৯৯ ও ৪০২ ধারায় মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৭, একই পরিবারের ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৭, একই পরিবারের ৪

ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাস সড়কে রাজীব পরিবহনের বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে বাইপাস সড়কের পূর্ব গন্দ্রপা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার দড়ি হামিদপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেন লেবু (৫০), তাঁর মা রাশিদা বেগম (৭০), মেয়ে মর্জিনা (২৫) ও মর্জিনার ছেলে মিনাল (৫)। তাঁরা গাজীপুরে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজীব পরিবহনের একটি বাস পূর্ব গন্দ্রপা এলাকায় পৌঁছালে মুক্তাগাছাগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ চালান। পরে নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

ওসি মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উভয় যানবাহনের অতিরিক্ত গতির কারণে কেউ কাউকে সাইড দিতে না পারায় মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন।

এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে বাস চলাচল বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

দুর্ঘটনার কারণে আকুয়া বাইপাস সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

এনএসআই প্রতিবেদনে আটকে নিয়োগ, অনশনের পর ছাড় ২০ জনের, ঝুলে রইল ২ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩২ পিএম
এনএসআই প্রতিবেদনে আটকে নিয়োগ, অনশনের পর ছাড় ২০ জনের, ঝুলে রইল ২ জন

এনএসআইয়ের নেতিবাচক প্রতিবেদনের কারণে নিয়োগ আটকে থাকা ময়মনসিংহের চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২২ জন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন অবশেষে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিনভর অনশনের পর মধ্যরাতে তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তবে বাকি দুজনের নিয়োগের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ২০ জনের নিয়োগপত্র জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে ওই ২০ প্রার্থীর মধ্যে।

এর আগে এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্য থাকার কথা জানিয়ে ময়মনসিংহ জেলার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২২ জন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক প্রার্থীর নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়। নিয়োগপত্র না পেয়ে বুধবার বেলা সোয়া ১১টা থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনশন শুরু করেন তারা।

অনশনরত প্রার্থীদের অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্ত্বেও নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছিল না। এমনকি এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে কী ধরনের নেতিবাচক তথ্য রয়েছে, সে বিষয়েও তাদের জানানো হয়নি।

নিয়োগপত্র পাওয়ার পর ফুলপুরের প্রার্থী কাজী অনিক বলেন, ‘মধ্যরাতে ওয়েবসাইটে নিয়োগপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। নিয়োগপত্র পেয়ে আমরা খুশি। আজকেই যোগদান করব।’

তবে নিয়োগপত্র পাননি গফরগাঁওয়ের প্রার্থী জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘দিনভর জানার চেষ্টা করেছি, কেন আমাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। আমি রাজনৈতিক কোনো পদ-পদবিতে ছিলাম না। তবুও নিয়োগপত্র কেন পেলাম না, তা জানি না।’

ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে বুধবার রাতে ২০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। নিয়োগপত্র পাওয়া ২০ জন বৃহস্পতিবারই যোগদান করবেন।