শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩

পুরোনো স্থাপনা দেখিয়ে নতুন বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

গৌরীপুরে কাজ না করেই টিআর-কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বিল উত্তোলনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৭ পিএম
গৌরীপুরে কাজ না করেই টিআর-কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বিল উত্তোলনের অভিযোগ

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের কাজ না করেই বিল উত্তোলন এবং আংশিক কাজ করে পুরো বরাদ্দের টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও আবার কয়েক বছর আগে নির্মিত স্থাপনা দেখিয়ে নতুন প্রকল্পের বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগের তীর উঠেছে গৌরীপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আলাল উদ্দিনের দিকে। স্থানীয়দের দাবি, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্পের অনেকগুলোর কাজ বাস্তবে হয়নি। অথচ নির্ধারিত সময়ের আগেই এসব প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে।

সরেজমিনে মেলেনি প্রকল্প বাস্তবায়নের চিত্র

স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৭ থেকে ২০ আগস্ট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। এ সময় কয়েকটি প্রকল্পে কাজ না হওয়া, নামমাত্র কাজ এবং পুরোনো কাজকে নতুন প্রকল্প হিসেবে দেখানোর অভিযোগ পাওয়া যায়।

রায়গঞ্জ বাজার থেকে কান্দির ঘাট বাজার সড়ক মেরামতে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা এবং নন্দীগ্রাম শামছুলের বাড়ি থেকে রফিকের চায়ের দোকান পর্যন্ত রাস্তার জন্য ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এছাড়া কলতাপাড়া থেকে গৌরীপুর রাস্তা হয়ে দক্ষিণ দিকে বড়ইতলা রাস্তার আংশিক সলিং ও সংস্কার এবং সাহেব কাচারী সীমান্ত থেকে কাঠবাড়ীর সালামের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের প্রকল্প অনুমোদন করা হলেও স্থানীয়দের দাবি, এসব প্রকল্পে বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি।

ময়লাকান্দা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বাজার এইচবিবি রাস্তা থেকে টিকুরীগামী সড়কে গাইডওয়াল নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য ৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকা এবং ভেঙা পূর্বপাড়া পাকা রাস্তা থেকে মাদ্রাসা পর্যন্ত এইচবিবিকরণের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে শ্যামগঞ্জ-গৌরীপুর সড়কের গাভীশিমুলা থেকে পূর্ব ভালুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে খোদাবক্সের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার জন্য ৩ লাখ টাকা এবং অচিন্তপুর ডেকুরা বাজার সড়কের সিসিকরণের জন্য আরও ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

মাওহা ইউনিয়নের ভাটিয়ারকোনা লালচানের বাড়ি থেকে আহম্মদপুর কামাল মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার জন্য বরাদ্দ ছিল ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেখানে আনুমানিক ৩০ শতাংশ কাজ করেই পুরো বরাদ্দের টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

পুরোনো গাইডওয়াল দেখিয়ে নতুন বরাদ্দ?

রামগোপালপুর ইউনিয়নের দামগাঁও মোড়লপাড়া জামে মসজিদ থেকে ডাউকী রতনের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার জন্য ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং ধুরুয়া বাজার থেকে আগপাড়া চৌরাস্তা পর্যন্ত রাস্তার জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। স্থানীয়দের দাবি, দুটি প্রকল্পেই নামমাত্র কাজ করা হয়েছে।

এদিকে সিংজানী ভূঁইয়া বাড়ি সার্বজনীন পূজা মন্দিরের পাশে পুকুরপাড়ে গাইডওয়াল নির্মাণের জন্য ১ লাখ ১৯ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও সেখানে নতুন করে কাজ করার কোনো চিত্র পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় এক বৃদ্ধের ভিডিও বক্তব্যে দাবি করা হয়, ওই গাইডওয়ালটি প্রায় ৬ থেকে ৭ বছর আগেই নির্মাণ করা হয়েছিল। চলতি অর্থবছরে সেখানে কোনো কাজ হয়নি। এরপরও পুরোনো স্থাপনাকে নতুন প্রকল্প হিসেবে দেখিয়ে বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

স্থানীয় কলেজ শিক্ষার্থী সোয়াদ ও আকাশ ভিডিও বক্তব্যে প্রকল্পগুলোর অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরেজমিন তদন্তের দাবি জানান। তাদের ভাষ্য, তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে যাওয়ার কথা ভাবছেন তারা।

ডৌহাখলা এলাকার বাসিন্দা আলী আকবর বলেন, রাস্তা ও গাইডওয়ালের কাজ না করেই যারা টাকা উত্তোলন করেছেন, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

আগের অভিযোগের তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের অনিয়ম এবং সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পে প্রায় ৪ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান চালিয়েছিল। তবে ওই অভিযানের তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ হয়নি বলে দাবি স্থানীয়দের।

বক্তব্য পাওয়া যায়নি পিআইও-ইউএনওর

অভিযোগের বিষয়ে গৌরীপুর উপজেলা পিআইও মোহাম্মদ আলাল উদ্দিন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিয়া আমিন পাপ্পার সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় এবং খুদে বার্তা পাঠানো হয়। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ডিআরও) মো. রেজাউল করিম সংশ্লিষ্ট ইউএনও ও পিআইওর সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। তবে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, এসব প্রকল্পের বরাদ্দ কিস্তিভিত্তিক আসে। ৩০ জুনের মধ্যে অর্থ ব্যয়ের কথা থাকলেও কিছু অর্থ অবশিষ্ট থাকতে পারে। তবে কোনো কাজ না করেই বিল পরিশোধ করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টি যাচাই করতে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাকে সরেজমিনে পাঠানো হবে।

অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রকল্পভিত্তিক তদন্ত এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

গৌরীপুরে শ্রমিকদল নেতা মরহুম আবুল হাসিমের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

গৌরিপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৫ পিএম
গৌরীপুরে শ্রমিকদল নেতা মরহুম আবুল হাসিমের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা শ্রমিক দলের কার্যকরী কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মরহুম আবুল হাসিমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল, গৌরীপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা অংশগ্রহণ করেন। দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে মরহুম আবুল হাসিমের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক অবদান গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়।

বক্তারা বলেন, মরহুম আবুল হাসিম আমৃত্যু জাতীয়তাবাদী আদর্শ বাস্তবায়নে এবং শ্রমিক দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন। তারা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

পরে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে মরহুমের রুহের মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। এসময় শ্রমিক দলের গৌরীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শহিদুল্লাহসহ বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ৩ হত্যা: গৌরীপুরে সোমনাথ সাহাসহ ৯ জনের সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছে প্রসিকিউশন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৫ এম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ৩ হত্যা: গৌরীপুরে সোমনাথ সাহাসহ ৯ জনের সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছে প্রসিকিউশন

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় যুক্তিতর্ক শেষ করেছে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশন। মামলায় গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সোমনাথ সাহাসহ ৯ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে প্রসিকিউশন।

রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যেকোনো সময় এ মামলার রায় ঘোষণা করতে পারেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গৌরীপুরে সংঘটিত সহিংসতায় তিনজন নিহত হন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোমনাথ সাহাসহ নয়জনকে আসামি করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া উচিত।

মামলার শুনানিতে প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতের সামনে তুলে ধরে সর্বোচ্চ সাজা দাবি করে। অন্যদিকে আসামিপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে তাদের খালাসের আবেদন জানিয়েছে।

এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন মামলার বাদী, নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়রা। রায় ঘোষণার পরই মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

মিঠামইনে দুর্নীতির অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অব্যাহতি

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫১ পিএম
মিঠামইনে দুর্নীতির অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অব্যাহতি

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া আব্দুর গনি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদকে প্রশাসনিক অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ ও বিদ্যালয়ে নিয়মিত অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক আদেশে গত ১৯ আগস্ট এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়ায় তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশ অনুযায়ী, আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে বিদ্যালয়ের যাবতীয় দায়িত্ব ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের কাছে বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দায়িত্ব পাওয়ার পর নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাস বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা, প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চালু রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

এ বিষয়ে মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

এদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অব্যাহতির ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।