শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

নওগাঁয় নবাগত পুলিশ সুপারকে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (BMUJ) জেলার পক্ষে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:৫২ পিএম
নওগাঁয় নবাগত পুলিশ সুপারকে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (BMUJ) জেলার পক্ষে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়

নওগাঁ জেলায় নবাগত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাফিউল সরোয়ার বিপিএম কে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (BMUJ)নওগাঁ জেলা শাখার পক্ষে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত শুভেচ্ছা জানানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার সভাপতি মোঃখোরশেদ আলম, সহ সভাপতি আঃআজিজ সাঃসম্পাদক মোঃহাবিবুর রহমান দপ্তর সম্পাদক মির্জা তুষার আহমেদ প্রমূখ।

গত ২২/১২/২৪ ইং তারিখে বিদায়ী পুলিশ সুপার মোঃকুতুব উদ্দীন অতিরিক্ত ডিআইজির স্হলা ভিষিক্ত হলেন, মোহাম্মদ সাফিউল সরোয়ার বিপিএম। তিনি ১৯৭৬ সালে ব্র্যাক্ষণবাড়িয়া জেলা মিরপুর এক সম্ভ্রান্ত মোসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।তিনি তার এলাকায় শিবপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে এস এসসি পাশ করে, উচ্চ শিক্ষার জন্য বাংলাদেশের নামকরা ঐতিহ্য বাহী তেঁজগাও কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে এইচ এস সি পাশ করে,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাষ্টার্স শেষ করেন।,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি এড সম্পন্ন করেন।আরও উচ্চতর শিক্ষার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্ত হন এবং সেখান থেকে এম পি এস ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি ২৭ তম বিসিএস পরীক্ষায় পাশ করে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন।তিনি দেশের বিভিন্ন জেলায় একজন সুদক্ষ ও সৎচরিত্রের অফিসার হিসেবে প্রসংসা কুড়িয়েছেন। নওগাঁ পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পূর্বে বাংলাদেশ পুলিশের একটা গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট,পুলিশ হেডকোয়ার্টার স্পেশাল ব্রান্সে সুনামের সহিদ চাকুরী করেন।

তিনি জাতি সংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সুদানে একবৎসর অতি নিষ্ঠার সহিদ দ্বায়িত্ব পালন করে,বাংলাদেশের জন্য প্রসংসা বয়ে এনেছেন। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশন ছাড়াও, বিভিন্ন দেশে পেশাগত প্রশিক্ষন গ্রহন করেছেন। যেমন জাপান,থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রশিক্ষন গ্রহন করেন।

তিনি ব্যাক্তি জীবনে দুই কন্যা সন্তানের জনক।

তিনি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন( BMUJ)নওগাঁ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সহিদ অত্যন্ত হাস্যউজ্জল ও খোলা মনে গুরুত্বপূর্ণ নওগাঁ জেলার সার্বিক অবস্থার উপর আলোচনা করেন।তার মন্তব্য কোন মতে আইন অমান্যকারী,ড্রাগ,ও নওগাঁর শান্তি বিনিষ্ঠ কারীদের ছাড় দেওয়া হবে না।

ময়মনসিংহে মারধরের শিকার তরুণী, থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১১:০৮ পিএম
ময়মনসিংহে মারধরের শিকার তরুণী, থানায় অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরীর স্বদেশী বাজার এলাকায় এক তরুণীকে মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আসমা আক্তার (২০) কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগে আসমা আক্তার উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় কোনো কাজ করতে পারছেন না এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে রয়েছেন। এ অবস্থায় ভাড়া-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একই এলাকার বাসিন্দা নাসরিন আক্তার, কাজল, আঁখি ও বাবুর সঙ্গে তার বিরোধের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগে বলা হয়, শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে নগরীর রমেশ সেন রোডের ২ নম্বর গেট এলাকায় অভিযুক্তরা তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করেন। একপর্যায়ে নাসরিন আক্তার তার তলপেটে লাথি মারলে তিনি মাটিতে পড়ে যান।

এ ছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা পুনরায় তার ওপর হামলা চালায়। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা তার বোন সুমিকেও মারধর করা হয়। এ সময় অভিযুক্তরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী রয়েছেন এবং সুষ্ঠু তদন্ত করলে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটিত হবে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশ জানায়, অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নওগাঁয় মিথ্যা মামলা দায়ের করে উল্টো কারাদণ্ড, জেলহাজতে বাদী

এম. আনোয়ার হোসেন।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:৫২ এম
নওগাঁয় মিথ্যা মামলা দায়ের করে উল্টো কারাদণ্ড, জেলহাজতে বাদী

নওগাঁয় আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে নিজেই বিপাকে পড়েছেন শরিফুল ইসলাম ভুট্টু (৪৬) নামে এক ব্যক্তি। মামলার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে না পারায় উল্টো তাকেই কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে নওগাঁর ১ নম্বর আমলি আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-ইমরান এ আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শরিফুল ইসলাম ভুট্টু নওগাঁ সদর উপজেলার চকগোয়ালী গ্রামের মৃত আহাদ আলী সরদারের ছেলে।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, শরিফুল ইসলাম ভুট্টু একই গ্রামের চারজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৩৪২, ৩২৩, ৩৭৯ এবং ৫০৬(২)/৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা গ্রহণের পর আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) নির্দেশ দেন।

ডিবি পুলিশ সরেজমিন তদন্ত ও অনুসন্ধান শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে পূর্বশত্রুতার জেরে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর বুধবার ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন আদালত। এ সময় অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-ইমরানের কাছে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে আদালত বাদীকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি স্বীকার করেন যে, মামলার অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া।

বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় (মিথ্যা মামলা দায়েরের অপরাধ) তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় শরিফুল ইসলাম ভুট্টু নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অনাদায়ে আরও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাজা পরোয়ানামূলে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

আদালতের এ রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় আইনজীবী ও আইনজ্ঞরা। তাদের মতে, এ আদেশের মাধ্যমে আদালতে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক বার্তা দেওয়া হয়েছে। এটি বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তাজিয়া ইসলামের মূল দর্শনের পরিপন্থী: আল্লামা ইমাম হায়াত

মঈনউদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৮ পিএম
তাজিয়া ইসলামের মূল দর্শনের পরিপন্থী: আল্লামা ইমাম হায়াত

ইসলামের মূলধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের পুনরুজ্জীবনকারী, বিশ্ব সুন্নী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত তাজিয়া মিছিলের বিরোধিতা করে বলেছেন, মহররম হলো ঈমানি শোক, মহান কারবালার শাহাদাতের স্মরণ এবং সেই শাহাদাতের লক্ষ্য বাস্তবায়নে জীবনপণ অঙ্গীকারের মাস।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মহররম মাসে কৃত্রিম কাঠামো নির্মাণ করে পবিত্র স্থান বা ব্যক্তিত্বের প্রতীকী উপস্থাপন ইসলামের মূল দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁর ভাষায়, তাজিয়া হলো প্রতীকী মাজার বা কবর নির্মাণের একটি প্রথা, যা তিনি ইসলাম পরিপন্থী বলে মনে করেন।

আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, “তাজিয়া মানে বাতিল শিয়াবাদ। তাজিয়া মানে পবিত্র আহলে রাসুল (আ.)-এর অবমাননা।” তাঁর মতে, তাজিয়ার মাধ্যমে শোক প্রকাশ প্রকৃত মহব্বতের প্রকাশ নয়; বরং এটি আহলে বাইত (আ.)-এর প্রতি বেয়াদবি এবং মুসলিম সমাজকে বিভ্রান্ত করার একটি মাধ্যম।

তিনি আরও বলেন, ইসলামে কৃত্রিমতা বা প্রতীকী উপাসনার কোনো স্থান নেই। নকল মাজার বা কৃত্রিম কাঠামো নির্মাণ করে আসল পবিত্র স্থান ও ব্যক্তিত্বের মর্যাদাকে খাটো করা ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শের পরিপন্থী।

আল্লামা ইমাম হায়াতের মতে, তাজিয়া ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু আচার-অনুষ্ঠান ইসলামের মৌলিক শিক্ষার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। তিনি এসব কর্মকাণ্ডকে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও ঈমানি চেতনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তবে তিনি ১০ মহররম, তথা শাহাদাতে কারবালা দিবস যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ দিনকে শুধু আশুরা হিসেবে নয়, বরং “মুসলিম মিল্লাতের মহান জাতীয় ঈমানি শহীদ দিবস” এবং “মানবতার মুক্তির মহাশাহাদত দিবস” হিসেবে স্মরণ করা উচিত।

তিনি তাজিয়া ও অন্যান্য প্রতীকী আয়োজন পরিহার করে কারবালার প্রকৃত শিক্ষা, সত্য, ন্যায়, ঈমান, মানবিক মর্যাদা ও জুলুমের বিরুদ্ধে সংগ্রামের চেতনাকে ধারণ করার আহ্বান জানান। এ লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণ র‍্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, “হকের দুশমন বাগি, মুনাফিক ও জালিমদের আদর্শ যেমন বাতিল, তেমনি শিয়াবাদও বাতিল। তাজিয়া বা পবিত্র আহলে রাসুল (আ.)-এর নামে নির্মিত নকল মাজার ও মণ্ডপ তাঁদের শানে চরম বেয়াদবি এবং ইসলামের প্রকৃত চেতনার পরিপন্থী।”

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, কারবালার শিক্ষা হলো সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিচল থাকা। মুসলিম উম্মাহকে বিভেদ ও কৃত্রিম আচার-অনুষ্ঠান থেকে দূরে থেকে কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে হবে।

সবশেষে তিনি বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব আয়োজিত আগামী ১০ মহররমের শাহাদাতে কারবালা দিবস উপলক্ষে ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে দেশবাসী, বিশেষ করে ঈমানদার নারী-পুরুষকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।