বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

গিজার ব্যবহারে এসব সমস্যা দেখা দিলে করণীয়

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৩:৪৬ পিএম
গিজার ব্যবহারে এসব সমস্যা দেখা দিলে করণীয়

শীতের সময় বাসাবাড়িতে সবচেয়ে বেশি যে গ্যাজেটটি কাজে লাগে সেটি হচ্ছে গিজার। গোসলের জন্য কিংবা খাওয়ার পানি গরম করার ঝামেলা থেকে রেহাই মেলে ঘরে একটি গিজার থাকলে। তবে গিজার ব্যবহারে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 

ব্যবহারের সময় গিজারে সমস্যা হলে ঝামেলায় পড়তে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে এটি মেরামতেরও প্রয়োজন হতে পারে। তাই কিছু মৌলিক পরীক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যাতে কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে শীতের আগেই গিজার প্রস্তুত রাখা যায়।

 

দেখে নিন কী করবেন-

>> এই সমস্যাটি গিজারের একটি সাধারণ সমস্যা। গিজারের ভেতরে দুটি গরম করার উপাদান রয়েছে, যা পানি গরম করে। যদি কারো বাড়িতে পাওয়ার সাপ্লাই ঠিক থাকে কিন্তু, গিজার থেকে গরম পানি আসছে না, তাহলে বুঝতে হবে গরম করার উপাদানগুলো নষ্ট বা ত্রুটি হয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ থার্মোস্ট্যাটও গরম পানি না পাওয়ার অন্যতম কারণ।

 

>> থার্মোস্ট্যাট হলো এমন একটি যন্ত্র যা কাঙ্খিত তাপমাত্রা অর্জন করলে পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ করে সেই উষ্ণতায় গিজারের ভেতরে পানির তাপমাত্রা বজায় রাখে। এই ডিভাইসটি মাঝে মাঝে বন্ধ অবস্থায় নষ্ট হয়ে যায়। এই অবস্থায় পানি গরম হয় না এবং পানি ঠান্ডা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে যদি কখনো কেউ গিজার থেকে গরম পানি না পান, তাহলে পেশাদারের সাহায্য নিতে হবে, যাতে গরম করার উপাদান এবং থার্মোস্ট্যাট মেরামত করা যায়।

 

>> গিজারের ভেতরে পানির তাপমাত্রা একটি থার্মোস্ট্যাট দ্বারা বজায় রাখা হয়। সব গিজারের তাপমাত্রা পরিসীমা ৪০ থেকে ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। থার্মোস্ট্যাট সেটিং কম তাপমাত্রায় সেট করা হলে, কম তাপমাত্রায় পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থায় পানি গরম না হয়ে ঠান্ডা থাকে।

 

>> যদি কেউ গরম পানি না পান, তাহলে থার্মোস্ট্যাট সেটিংস পরীক্ষা করতে হবে। অনেক সময় কম তাপমাত্রার সেটিংসে থার্মোস্ট্যাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অর্থাৎ কম তাপমাত্রায় পাওয়ার সাপ্লাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, খারাপ থার্মোস্ট্যাটটি প্রতিস্থাপন করতে হবে।

 

>> পানি কম গরম হওয়ার প্রধান কারণ হলো পাইপে পলি জমা, আউটলেট ভালভে মরচে পড়া এবং বাধা ইত্যাদি। গিজার ব্যবহারের কিছুক্ষণ পরে, লবণাক্ত মিনারেল ওয়াটার পাইপে জমা হয়। এতে জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। মরচেতে ধীরে ধীরে পাইপ আটকে যায় এবং পানির চাপ কমে যায়।

 

>> যদি গিজার থেকে হিসহিস শব্দ শুনতে পান, তাহলে তা ওয়াটার হিটার ট্যাঙ্কের নিচে লবণ এবং খনিজ জমার কারণে হতে পারে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শক্ত জলে উপস্থিত চুন জলের ট্যাঙ্কের নিচটা ঢেকে দেয়। এ কারণে সঠিক হিটারটি অপারেশনে সমস্যা তৈরি করে এবং শব্দ করতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে গিজার ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করে এর সমাধান করা যেতে পারে।

 

>> গিজার থেকে পানি বের হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি হতে পারে যে গিজারের ভেতরে ড্রেন ভালভ আলগা হয়েছে বা উচ্চ চাপ তৈরি হয়েছে। পানির ট্যাঙ্কে মরচে পড়ার কারণেও এমন হতে পারে।

নওগাঁয় মিথ্যা মামলা দায়ের করে উল্টো কারাদণ্ড, জেলহাজতে বাদী

এম. আনোয়ার হোসেন।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:৫২ এম
নওগাঁয় মিথ্যা মামলা দায়ের করে উল্টো কারাদণ্ড, জেলহাজতে বাদী

নওগাঁয় আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে নিজেই বিপাকে পড়েছেন শরিফুল ইসলাম ভুট্টু (৪৬) নামে এক ব্যক্তি। মামলার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে না পারায় উল্টো তাকেই কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে নওগাঁর ১ নম্বর আমলি আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-ইমরান এ আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শরিফুল ইসলাম ভুট্টু নওগাঁ সদর উপজেলার চকগোয়ালী গ্রামের মৃত আহাদ আলী সরদারের ছেলে।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, শরিফুল ইসলাম ভুট্টু একই গ্রামের চারজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৩৪২, ৩২৩, ৩৭৯ এবং ৫০৬(২)/৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা গ্রহণের পর আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) নির্দেশ দেন।

ডিবি পুলিশ সরেজমিন তদন্ত ও অনুসন্ধান শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে পূর্বশত্রুতার জেরে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর বুধবার ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন আদালত। এ সময় অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-ইমরানের কাছে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে আদালত বাদীকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি স্বীকার করেন যে, মামলার অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া।

বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় (মিথ্যা মামলা দায়েরের অপরাধ) তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় শরিফুল ইসলাম ভুট্টু নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অনাদায়ে আরও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাজা পরোয়ানামূলে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

আদালতের এ রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় আইনজীবী ও আইনজ্ঞরা। তাদের মতে, এ আদেশের মাধ্যমে আদালতে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক বার্তা দেওয়া হয়েছে। এটি বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তাজিয়া ইসলামের মূল দর্শনের পরিপন্থী: আল্লামা ইমাম হায়াত

মঈনউদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৮ পিএম
তাজিয়া ইসলামের মূল দর্শনের পরিপন্থী: আল্লামা ইমাম হায়াত

ইসলামের মূলধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের পুনরুজ্জীবনকারী, বিশ্ব সুন্নী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত তাজিয়া মিছিলের বিরোধিতা করে বলেছেন, মহররম হলো ঈমানি শোক, মহান কারবালার শাহাদাতের স্মরণ এবং সেই শাহাদাতের লক্ষ্য বাস্তবায়নে জীবনপণ অঙ্গীকারের মাস।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মহররম মাসে কৃত্রিম কাঠামো নির্মাণ করে পবিত্র স্থান বা ব্যক্তিত্বের প্রতীকী উপস্থাপন ইসলামের মূল দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁর ভাষায়, তাজিয়া হলো প্রতীকী মাজার বা কবর নির্মাণের একটি প্রথা, যা তিনি ইসলাম পরিপন্থী বলে মনে করেন।

আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, “তাজিয়া মানে বাতিল শিয়াবাদ। তাজিয়া মানে পবিত্র আহলে রাসুল (আ.)-এর অবমাননা।” তাঁর মতে, তাজিয়ার মাধ্যমে শোক প্রকাশ প্রকৃত মহব্বতের প্রকাশ নয়; বরং এটি আহলে বাইত (আ.)-এর প্রতি বেয়াদবি এবং মুসলিম সমাজকে বিভ্রান্ত করার একটি মাধ্যম।

তিনি আরও বলেন, ইসলামে কৃত্রিমতা বা প্রতীকী উপাসনার কোনো স্থান নেই। নকল মাজার বা কৃত্রিম কাঠামো নির্মাণ করে আসল পবিত্র স্থান ও ব্যক্তিত্বের মর্যাদাকে খাটো করা ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শের পরিপন্থী।

আল্লামা ইমাম হায়াতের মতে, তাজিয়া ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু আচার-অনুষ্ঠান ইসলামের মৌলিক শিক্ষার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। তিনি এসব কর্মকাণ্ডকে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও ঈমানি চেতনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তবে তিনি ১০ মহররম, তথা শাহাদাতে কারবালা দিবস যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ দিনকে শুধু আশুরা হিসেবে নয়, বরং “মুসলিম মিল্লাতের মহান জাতীয় ঈমানি শহীদ দিবস” এবং “মানবতার মুক্তির মহাশাহাদত দিবস” হিসেবে স্মরণ করা উচিত।

তিনি তাজিয়া ও অন্যান্য প্রতীকী আয়োজন পরিহার করে কারবালার প্রকৃত শিক্ষা, সত্য, ন্যায়, ঈমান, মানবিক মর্যাদা ও জুলুমের বিরুদ্ধে সংগ্রামের চেতনাকে ধারণ করার আহ্বান জানান। এ লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণ র‍্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, “হকের দুশমন বাগি, মুনাফিক ও জালিমদের আদর্শ যেমন বাতিল, তেমনি শিয়াবাদও বাতিল। তাজিয়া বা পবিত্র আহলে রাসুল (আ.)-এর নামে নির্মিত নকল মাজার ও মণ্ডপ তাঁদের শানে চরম বেয়াদবি এবং ইসলামের প্রকৃত চেতনার পরিপন্থী।”

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, কারবালার শিক্ষা হলো সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিচল থাকা। মুসলিম উম্মাহকে বিভেদ ও কৃত্রিম আচার-অনুষ্ঠান থেকে দূরে থেকে কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে হবে।

সবশেষে তিনি বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব আয়োজিত আগামী ১০ মহররমের শাহাদাতে কারবালা দিবস উপলক্ষে ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে দেশবাসী, বিশেষ করে ঈমানদার নারী-পুরুষকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম
শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমে ধীরগতি, ডেঙ্গু ও হামের প্রাদুর্ভাব এবং ফাইলবন্দি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। এ প্রেক্ষাপটে রোববার (২১ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির জুন ২০২৬ মাসের সভা।

ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম ও চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বাস্তবমুখী উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি এবং হামের সংক্রমণের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে অন্তত একদিন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মশার লার্ভা ধ্বংসে সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুততর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে ও কার্যকরভাবে ব্যয় নিশ্চিত করে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজারে অসাধু সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা রোধে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণে কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে কার্যকর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক।

সভায় জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, “উন্নয়ন বা জনসেবার নামে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। মাঠপর্যায়ের কাজের অগ্রগতি শুধু নথিপত্রে নয়, বাস্তবেও দৃশ্যমান হতে হবে।”

সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।