বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩

গিজার ব্যবহারে এসব সমস্যা দেখা দিলে করণীয়

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৩:৪৬ পিএম
গিজার ব্যবহারে এসব সমস্যা দেখা দিলে করণীয়

শীতের সময় বাসাবাড়িতে সবচেয়ে বেশি যে গ্যাজেটটি কাজে লাগে সেটি হচ্ছে গিজার। গোসলের জন্য কিংবা খাওয়ার পানি গরম করার ঝামেলা থেকে রেহাই মেলে ঘরে একটি গিজার থাকলে। তবে গিজার ব্যবহারে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 

ব্যবহারের সময় গিজারে সমস্যা হলে ঝামেলায় পড়তে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে এটি মেরামতেরও প্রয়োজন হতে পারে। তাই কিছু মৌলিক পরীক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যাতে কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে শীতের আগেই গিজার প্রস্তুত রাখা যায়।

 

দেখে নিন কী করবেন-

>> এই সমস্যাটি গিজারের একটি সাধারণ সমস্যা। গিজারের ভেতরে দুটি গরম করার উপাদান রয়েছে, যা পানি গরম করে। যদি কারো বাড়িতে পাওয়ার সাপ্লাই ঠিক থাকে কিন্তু, গিজার থেকে গরম পানি আসছে না, তাহলে বুঝতে হবে গরম করার উপাদানগুলো নষ্ট বা ত্রুটি হয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ থার্মোস্ট্যাটও গরম পানি না পাওয়ার অন্যতম কারণ।

 

>> থার্মোস্ট্যাট হলো এমন একটি যন্ত্র যা কাঙ্খিত তাপমাত্রা অর্জন করলে পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ করে সেই উষ্ণতায় গিজারের ভেতরে পানির তাপমাত্রা বজায় রাখে। এই ডিভাইসটি মাঝে মাঝে বন্ধ অবস্থায় নষ্ট হয়ে যায়। এই অবস্থায় পানি গরম হয় না এবং পানি ঠান্ডা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে যদি কখনো কেউ গিজার থেকে গরম পানি না পান, তাহলে পেশাদারের সাহায্য নিতে হবে, যাতে গরম করার উপাদান এবং থার্মোস্ট্যাট মেরামত করা যায়।

 

>> গিজারের ভেতরে পানির তাপমাত্রা একটি থার্মোস্ট্যাট দ্বারা বজায় রাখা হয়। সব গিজারের তাপমাত্রা পরিসীমা ৪০ থেকে ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। থার্মোস্ট্যাট সেটিং কম তাপমাত্রায় সেট করা হলে, কম তাপমাত্রায় পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থায় পানি গরম না হয়ে ঠান্ডা থাকে।

 

>> যদি কেউ গরম পানি না পান, তাহলে থার্মোস্ট্যাট সেটিংস পরীক্ষা করতে হবে। অনেক সময় কম তাপমাত্রার সেটিংসে থার্মোস্ট্যাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অর্থাৎ কম তাপমাত্রায় পাওয়ার সাপ্লাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, খারাপ থার্মোস্ট্যাটটি প্রতিস্থাপন করতে হবে।

 

>> পানি কম গরম হওয়ার প্রধান কারণ হলো পাইপে পলি জমা, আউটলেট ভালভে মরচে পড়া এবং বাধা ইত্যাদি। গিজার ব্যবহারের কিছুক্ষণ পরে, লবণাক্ত মিনারেল ওয়াটার পাইপে জমা হয়। এতে জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। মরচেতে ধীরে ধীরে পাইপ আটকে যায় এবং পানির চাপ কমে যায়।

 

>> যদি গিজার থেকে হিসহিস শব্দ শুনতে পান, তাহলে তা ওয়াটার হিটার ট্যাঙ্কের নিচে লবণ এবং খনিজ জমার কারণে হতে পারে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শক্ত জলে উপস্থিত চুন জলের ট্যাঙ্কের নিচটা ঢেকে দেয়। এ কারণে সঠিক হিটারটি অপারেশনে সমস্যা তৈরি করে এবং শব্দ করতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে গিজার ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করে এর সমাধান করা যেতে পারে।

 

>> গিজার থেকে পানি বের হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি হতে পারে যে গিজারের ভেতরে ড্রেন ভালভ আলগা হয়েছে বা উচ্চ চাপ তৈরি হয়েছে। পানির ট্যাঙ্কে মরচে পড়ার কারণেও এমন হতে পারে।

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী অভিযান: ৫০০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৩ পিএম
ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী অভিযান: ৫০০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ময়মনসিংহ নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযানে এসআই শাফায়েত হোসেনের নেতৃত্বে নগরীর কেওয়াটখালী এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মুক্তা, তামান্না ও রুনা নামের তিনজনকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মোঃ শিবিরুল ইসলাম জানান, মাদক নির্মূলে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ময়মনসিংহের ফুলপুরে খাস জমি দখল ও খাল ভরাট, পানি নিষ্কাশনে চরম সংকটের আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৬ এম
ময়মনসিংহের ফুলপুরে খাস জমি দখল ও খাল ভরাট, পানি নিষ্কাশনে চরম সংকটের আশঙ্কা

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ৯নং বালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের একাংশে খাস হালট জমি দখল ও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাল ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ দখল কার্যক্রমের ফলে খালটির স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালীরা খাস জমি দখল করে সেখানে ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছেন। এতে করে খালটির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। খালটি বালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি বহন করে পাশের ঢাকুয়া ইউনিয়নে পৌঁছে দেয়, যা পুরো এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

খাল ভরাটের কারণে পানির স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে পড়েছে। এতে করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল খালটি পুনরুদ্ধার এবং দখলমুক্ত করতে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলেন, সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে বর্ষা মৌসুমে এলাকার জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাতে পারে।

ময়মনসিংহে শিক্ষকের কাছ থেকে প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগও

নাজমুল হাসান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৭ পিএম
ময়মনসিংহে শিক্ষকের কাছ থেকে প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগও

ময়মনসিংহ নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন আকুয়া মড়লপাড়া এলাকায় এক শিক্ষকের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত বর্তমানে ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকায় অবস্থান করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী সুলতানা হাফিজুন নাহার তার স্বামী শফিকুল ইসলাম খানের পক্ষে কোতোয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার আলীপুর এলাকার বাসিন্দা গোলাম মোস্তফার ছেলে মো. মাসুদ রানার সঙ্গে তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

অভিযোগে বলা হয়, গার্মেন্টস পণ্যের শিপমেন্ট ব্যবসায় লাভের প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৩ সালের ৩ মে ও ৫ জুন দুই দফায় মোট ৫ লাখ টাকা গ্রহণ করেন অভিযুক্ত। চুক্তি অনুযায়ী মাসিক ৫ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও কোনো টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।

বর্তমানে মূল টাকা ও লভ্যাংশসহ মোট ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও অভিযুক্ত বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে আসছেন বলেও দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে পাওনা টাকা চাইতে ফোন করলে অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ করেন এবং টাকা না দেওয়ার পাশাপাশি হুমকি দেন। এমনকি বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকিও দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, একদিকে তারা অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছেন, অন্যদিকে অভিযুক্তের হুমকির কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন তারা। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাসুদ রানার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

কোতোয়ালী থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।