রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

গিজার ব্যবহারে এসব সমস্যা দেখা দিলে করণীয়

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৩:৪৬ পিএম
গিজার ব্যবহারে এসব সমস্যা দেখা দিলে করণীয়

শীতের সময় বাসাবাড়িতে সবচেয়ে বেশি যে গ্যাজেটটি কাজে লাগে সেটি হচ্ছে গিজার। গোসলের জন্য কিংবা খাওয়ার পানি গরম করার ঝামেলা থেকে রেহাই মেলে ঘরে একটি গিজার থাকলে। তবে গিজার ব্যবহারে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 

ব্যবহারের সময় গিজারে সমস্যা হলে ঝামেলায় পড়তে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে এটি মেরামতেরও প্রয়োজন হতে পারে। তাই কিছু মৌলিক পরীক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যাতে কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে শীতের আগেই গিজার প্রস্তুত রাখা যায়।

 

দেখে নিন কী করবেন-

>> এই সমস্যাটি গিজারের একটি সাধারণ সমস্যা। গিজারের ভেতরে দুটি গরম করার উপাদান রয়েছে, যা পানি গরম করে। যদি কারো বাড়িতে পাওয়ার সাপ্লাই ঠিক থাকে কিন্তু, গিজার থেকে গরম পানি আসছে না, তাহলে বুঝতে হবে গরম করার উপাদানগুলো নষ্ট বা ত্রুটি হয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ থার্মোস্ট্যাটও গরম পানি না পাওয়ার অন্যতম কারণ।

 

>> থার্মোস্ট্যাট হলো এমন একটি যন্ত্র যা কাঙ্খিত তাপমাত্রা অর্জন করলে পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ করে সেই উষ্ণতায় গিজারের ভেতরে পানির তাপমাত্রা বজায় রাখে। এই ডিভাইসটি মাঝে মাঝে বন্ধ অবস্থায় নষ্ট হয়ে যায়। এই অবস্থায় পানি গরম হয় না এবং পানি ঠান্ডা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে যদি কখনো কেউ গিজার থেকে গরম পানি না পান, তাহলে পেশাদারের সাহায্য নিতে হবে, যাতে গরম করার উপাদান এবং থার্মোস্ট্যাট মেরামত করা যায়।

 

>> গিজারের ভেতরে পানির তাপমাত্রা একটি থার্মোস্ট্যাট দ্বারা বজায় রাখা হয়। সব গিজারের তাপমাত্রা পরিসীমা ৪০ থেকে ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। থার্মোস্ট্যাট সেটিং কম তাপমাত্রায় সেট করা হলে, কম তাপমাত্রায় পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থায় পানি গরম না হয়ে ঠান্ডা থাকে।

 

>> যদি কেউ গরম পানি না পান, তাহলে থার্মোস্ট্যাট সেটিংস পরীক্ষা করতে হবে। অনেক সময় কম তাপমাত্রার সেটিংসে থার্মোস্ট্যাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অর্থাৎ কম তাপমাত্রায় পাওয়ার সাপ্লাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, খারাপ থার্মোস্ট্যাটটি প্রতিস্থাপন করতে হবে।

 

>> পানি কম গরম হওয়ার প্রধান কারণ হলো পাইপে পলি জমা, আউটলেট ভালভে মরচে পড়া এবং বাধা ইত্যাদি। গিজার ব্যবহারের কিছুক্ষণ পরে, লবণাক্ত মিনারেল ওয়াটার পাইপে জমা হয়। এতে জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। মরচেতে ধীরে ধীরে পাইপ আটকে যায় এবং পানির চাপ কমে যায়।

 

>> যদি গিজার থেকে হিসহিস শব্দ শুনতে পান, তাহলে তা ওয়াটার হিটার ট্যাঙ্কের নিচে লবণ এবং খনিজ জমার কারণে হতে পারে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শক্ত জলে উপস্থিত চুন জলের ট্যাঙ্কের নিচটা ঢেকে দেয়। এ কারণে সঠিক হিটারটি অপারেশনে সমস্যা তৈরি করে এবং শব্দ করতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে গিজার ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করে এর সমাধান করা যেতে পারে।

 

>> গিজার থেকে পানি বের হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি হতে পারে যে গিজারের ভেতরে ড্রেন ভালভ আলগা হয়েছে বা উচ্চ চাপ তৈরি হয়েছে। পানির ট্যাঙ্কে মরচে পড়ার কারণেও এমন হতে পারে।

পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০১ পিএম
পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

পরিবেশ সংরক্ষণ, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের উদ্যোগে এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় পরিবেশ সচেতনতামূলক পথনাটক ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সমনা আল মজীদ (উপসচিব), মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান, জেলা কালচারাল অফিসার আব্দুল্লাহ্-আল-মামুন, সিরাক বাংলাদেশের প্রতিনিধি কামরান মিয়া, ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্য এবং সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

পথনাটকে অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলার ক্ষতিকর প্রভাব এবং পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিক দায়িত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ সময় প্রতিপাদ্য ছিল, “শহর যদি হয় পরিষ্কার, সুস্থ থাকবে পরিবার।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন বলেন, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশ সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুবসমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

পথনাটকটি রচনা করেন যুব কাউন্সিলর মো. সজিব হাসান (সানি)। নির্দেশনায় ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর আলম রবিন। এতে অভিনয় করেন মো. রবিন মিয়া, মিনহাজুল ইসলামসহ ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্যরা।

গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

মাহমুদ হাসান আলিফ, গৌরিপুর।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

গৌরীপুরের লঙ্কার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সোহাগ মিয়ার দোকানটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে নিত্যপণ্য সংগ্রহের অন্যতম আস্থার স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দোকানটিতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে, যা স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

দোকান মালিক সোহাগ মিয়া জানান, স্থানীয় গ্রাহকদের আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি পণ্যের গুণগত মানের বিষয়ে সর্বোচ্চ সচেতনতা অবলম্বন করছেন। দোকানের সব পণ্যের প্যাকেজিং ও মেয়াদ নিয়মিত যাচাই করা হচ্ছে, যাতে ক্রেতারা নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করতে পারেন।

ডিজিটাল সেবার এই যুগে সোহাগ মিয়া তার দোকানে বিকাশ এজেন্টসহ আধুনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করেছেন। এতে স্থানীয় মানুষ খুব সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন, যা এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময় ও কষ্ট দুটোই সাশ্রয় করছে।

এলাকাবাসী জানান, সোহাগ মিয়ার দোকানে সব সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকে এবং দোকানের পরিবেশ বেশ গোছানো।

স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক সুজিত দাস বলেন, বাজারের মাঝামাঝি সময়ে এমন একটি দোকান থাকা আমাদের জন্য খুবই সুবিধাজনক। সোহাগ মিয়ার এই ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা ও গ্রাহকসেবার মানসিকতা স্থানীয় ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দিনেও তিনি তার এই সেবার মান ধরে রেখে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম
ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির উদ্যোগে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের মাঝে মোট ৪০০টি বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য বি এম ইউসুফ আলী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী, ঊর্ধ্বতন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (আল-আমিন বীমা প্রকল্প) মো. আবু তাহের, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (জনপ্রিয় বীমা প্রকল্প) মো. কামাল হোসেন মহসিন এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইসলামী ডিপিএস প্রকল্প) মোহাম্মদ খলিলুর রহমান সিকদার।

এ সময় বক্তব্য দেন আল-বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক কে এম বিল্লাল হোসেন, পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. সোলায়মান হোসেন সোহাগ এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির বিভিন্ন প্রকল্পের ইনচার্জরা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মহাব্যবস্থাপক (সমন্বয়কারী, ময়মনসিংহ) সাকিল মাহমুদ।

বক্তারা বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ও সেবার মান অক্ষুণ্ন রেখে দ্রুততম সময়ে বীমা দাবি পরিশোধে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা সম্প্রসারণ, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং বীমা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা গ্রাহকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪০০টি বীমা দাবির চেক তুলে দেন।