শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০১ পিএম
পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

পরিবেশ সংরক্ষণ, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের উদ্যোগে এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় পরিবেশ সচেতনতামূলক পথনাটক ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সমনা আল মজীদ (উপসচিব), মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান, জেলা কালচারাল অফিসার আব্দুল্লাহ্-আল-মামুন, সিরাক বাংলাদেশের প্রতিনিধি কামরান মিয়া, ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্য এবং সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

পথনাটকে অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলার ক্ষতিকর প্রভাব এবং পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিক দায়িত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ সময় প্রতিপাদ্য ছিল, “শহর যদি হয় পরিষ্কার, সুস্থ থাকবে পরিবার।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন বলেন, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশ সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুবসমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

পথনাটকটি রচনা করেন যুব কাউন্সিলর মো. সজিব হাসান (সানি)। নির্দেশনায় ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর আলম রবিন। এতে অভিনয় করেন মো. রবিন মিয়া, মিনহাজুল ইসলামসহ ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্যরা।

মিঠামইনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
মিঠামইনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় মিঠামইন বাজারের বালুর মাঠে এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট শাহ কামাল (এপিপি), শাহরিয়ার আলম তপন, অ্যাডভোকেট রুবেল আহমেদ (এপিপি)।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া, হাজি আলমগীর শিকদার, মামুন মিয়া, ভিপি বাহার মিয়া, কামাল পাশা, এরশাদুল হক, সিদ্দিকুর রহমান ঠাকুর, কাশেম সিকদার, তুষার আহমেদ শান্ত, নাজমুল হাসান ভূঁইয়া, ইব্রাহিম খলিল, নজু মিয়া, বদিউল আলম রতন, হজেন্দ্র চন্দ্র দাস, নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর আদর্শের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

আলোচনা সভায় মিঠামইন উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

ময়মনসিংহে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৪ পিএম
ময়মনসিংহে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আলালপুর এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন—হালুয়াঘাটের আব্দুর রাজ্জাক ও ফুলপুরের তোফাজ্জল হোসেন। নিহত অপর ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হালুয়াঘাট থেকে ঢাকাগামী শ্যামলী বাংলা পরিবহনের একটি বাস সদর উপজেলার আলালপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ইমাম পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুই বাসের কয়েকজন যাত্রী হতাহত হন। ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আরও দুজন মারা যান।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রমে সহযোগিতা করে। পরে নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম বলেন, নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপি সভাপতি মানিক সওদাগরের দাবি

‘বিমানমন্ত্রী মিল্লাতের নির্দেশেই আওয়ামী লীগে যোগ দেন যুবদল নেতা নজরুল’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৮ পিএম
‘বিমানমন্ত্রী মিল্লাতের নির্দেশেই আওয়ামী লীগে যোগ দেন যুবদল নেতা নজরুল’

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগরের বক্তব্য ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বক্তব্যে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বর্তমান জামালপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্তমানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের পরামর্শ ও নির্দেশে তাঁর ছোট ভাই নজরুল ইসলাম সওদাগর আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছিলেন।

গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এ বক্তব্য দেন মানিক সওদাগর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিমানমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

মানিক সওদাগর তাঁর বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বকশীগঞ্জ পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর তাঁর লোকবল ও অর্থ দিয়ে তাঁকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি হতে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর দাবি, আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের শাসনামলে নজরুল ইসলাম সওদাগর বিএনপিকে ‘বুকে ধারণ করে’ টিকিয়ে রেখেছেন।

নজরুল ইসলাম সওদাগরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোরভাবে মোকাবিলার হুঁশিয়ারি দিয়ে মানিক সওদাগর বলেন, যারা তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, তাঁদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।

তিনি আরও দাবি করেন, নজরুল ইসলাম সওদাগরকে তিনটি হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্র করে আসামি করা হয়েছে। টাকা দিয়ে তাঁকে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্যে বিস্তারিত কোনো তথ্য বা নথি উপস্থাপন করা হয়নি।

২০১৫ সালে আওয়ামী লীগে যোগদানের তথ্য

স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নজরুল ইসলাম সওদাগর ২০১৫ সালের ১২ জুন তৎকালীন উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। পরে তিনি বকশীগঞ্জ পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক হন।

২০১৯ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বকশীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন নজরুল ইসলাম সওদাগর।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের একটি অংশের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মানিক সওদাগর নিজেও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে তৎকালীন সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের হাতে ফুল দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছিলেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে মানিক সওদাগরের বক্তব্য জানা যায়নি।

বিএনপির সম্মেলনে নজরুলের উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক

২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বকশীগঞ্জের খয়ের উদ্দিন মাদ্রাসা মাঠে উপজেলা ও পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে কয়েকজন সহযোগীসহ নজরুল ইসলাম সওদাগরের উপস্থিতির বিষয়টি সামনে এলে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি নজরুল ইসলাম সওদাগরের গ্রেপ্তারের দাবিতে বকশীগঞ্জ পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। মিছিল শেষে থানায় স্মারকলিপিও দেওয়া হয়।

পরে ১২ আগস্ট রাতে রাজধানীর উত্তরার সাঙ্গাম মোড় এলাকা থেকে উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ নজরুল ইসলাম সওদাগরকে গ্রেপ্তার করে। একাধিক মামলায় প্রায় সাত মাস কারাভোগের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মঞ্চে বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির মঞ্চে উপজেলা বিএনপির সভাপতির এমন বক্তব্য স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের সাবেক যুবলীগ নেতাকে বিএনপিকে টিকিয়ে রাখার কৃতিত্ব দেওয়া এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোকে ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করায় দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে অতীতে সম্পৃক্ত ছিলেন-এমন ব্যক্তিদের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান এবং তাঁদের ভূমিকা নিয়ে বিএনপির ভেতরেও যে আলোচনা রয়েছে, মানিক সওদাগরের বক্তব্য তা আরও সামনে নিয়ে এসেছে।

অনুষ্ঠানে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান গামাসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা।

তবে মানিক সওদাগরের বক্তব্য এবং নজরুল ইসলাম সওদাগরের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় বা জেলা পর্যায়ের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।