সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব গাজীপুর মহানগর শাখার উদ্যোগে আনন্দঘন পরিবেশে নৌকা ভ্রমণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত

গাজীপুর প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৭ পিএম
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব গাজীপুর মহানগর শাখার উদ্যোগে আনন্দঘন পরিবেশে নৌকা ভ্রমণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত

উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব গাজীপুর মহানগর শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নৌকা ভ্রমণ-২০২৬’। এতে সংগঠনের সদস্যরা একই রঙের গেঞ্জি পরিধান করে অংশ নেন, যা উপস্থিত সবার নজর কাড়ে। অনুষ্ঠানটির গেঞ্জির সৌজন্যে ছিল কোনাবাড়ী পপুলার হসপিটাল।

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব গাজীপুর মহানগর শাখার সভাপতি ইয়াছিন গাজীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল বারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় সভাপতি, বিশিষ্ট সাংবাদিক ফরিদ খান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সফুর উদ্দিন সফু, গাজীপুর জেলা কমিটির সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন সরকার এবং সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খন্দকার। সার্বিক সহযোগিতায় ও বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো ছিলেন গাজীপুর মহানগর শাখার সম্মানিত উপদেষ্টা এবং ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আইয়ুব সরকার মাস্টার, গণঅধিকার পরিষদ গাজীপুর মহানগরের সভাপতি আলহাজ্ব মোবারক হোসেন, কোনাবাড়ী গ্রাজুয়েট ক্লাবের উপদেষ্টা এডভোকেট আবুল বাশার এবং গণঅধিকার পরিষদ কোনাবাড়ী থানা কমিটির সভাপতি আহমেদ ফারুক খান।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দেন গাজীপুর জেলা কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা সেলিনা পারভীন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আরাফাত খন্দকার, কালিয়াকৈর উপজেলা সভাপতি নাজিম উদ্দিন, কালিগঞ্জ উপজেলা সভাপতি সোহরাব সরকার ও সাধারণ সম্পাদক কবির সরকার, শ্রীপুর উপজেলা সভাপতি মাহাবুবুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক সোহাগ রানা এবং গাজীপুর সদর উপজেলা সভাপতি সিরাজুল ইসলামসহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

মহানগর শাখার সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সহ-সভাপতি স্বপন চন্দ্র দাস, সহ-সভাপতি শহিদ সরকার, সহ-সভাপতি মমিন মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাফুজ আহমেদ মুন্না, কোষাধ্যক্ষ শাহিনুর ইসলাম শাহীন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ দোলন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ জয়, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক আশিকুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাফর আলী, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক রোকসানা আক্তার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শান্তা সরকার, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রোকসানা কাজল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম রাজু, পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসেন, নির্বাহী সদস্য জুলফিকার আলী জুয়েল, মমিনুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ, নাঈম হাসান, মোঃ সুলতান এবং সদস্য তমিজ উদ্দিন তমু ও মোঃ শাহ আলমসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সুধীজন।

সংবাদ সংগ্রহ, সার্বিক তথ্য এবং ভিডিও চিত্র ধারণের একনিষ্ঠ দায়িত্বে ছিলেন মো: সোলাইমান হোসেন রাজু (রাজু নিউজ)। মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে দিনব্যাপী এই আয়োজনে সাংবাদিকেরা পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে সময় কাটান।

শ্রীপুরে স্ত্রীকে ঘিরে বিরোধ, স্বামী-কন্যাকে হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি

রাকিবুল হাসান আহাদ।। প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৮ পিএম
শ্রীপুরে স্ত্রীকে ঘিরে বিরোধ, স্বামী-কন্যাকে হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি

গাজীপুরের শ্রীপুরে দাম্পত্য বিরোধের জেরে স্ত্রী ও তাঁর কথিত দ্বিতীয় স্বামীর বিরুদ্ধে নিজে ও ১১ বছরের কন্যাসন্তানকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন মো. রুবেল মিয়া (৪৩) নামে এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি, স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে তাঁকে ছেড়ে অন্যত্র বিয়ে করার পর থেকেই তিনি ও তাঁর সন্তান নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিষয়টি নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নিলে তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া এবং বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

এ ঘটনায় নিজের ও সন্তানের নিরাপত্তা চেয়ে শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন রুবেল মিয়া। জিডি নম্বর ২০৫৬; তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৫।

জিডি ও ভুক্তভোগীর বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, শ্রীপুরের সোনাব গ্রামের বাসিন্দা রুবেল মিয়ার সঙ্গে ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার ভাগান গ্রামের আল্পনা আক্তারের (৩০) প্রায় ১৫ বছর আগে বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে জান্নাত (১১) নামের এক কন্যাসন্তান রয়েছে।

রুবেল মিয়ার অভিযোগ, দাম্পত্য জীবন চলাকালে বিভিন্ন তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে তাঁর স্ত্রী তাঁকে মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় এক বছর আগে স্থানীয় শাহজাহান (৩৫) নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে আল্পনা আক্তারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি করেন তিনি।

একপর্যায়ে স্ত্রী তাঁর সংসার ছেড়ে শাহজাহানের সঙ্গে চলে যান এবং পরে তাঁকে বিয়ে করেন বলেও অভিযোগ করেন রুবেল মিয়া। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আল্পনা আক্তার বা শাহজাহানের বক্তব্য জানা যায়নি।

রুবেল মিয়ার দাবি, স্ত্রী চলে যাওয়ার পর থেকেই বিভিন্নভাবে তাঁকে ও তাঁর মেয়েকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে মিথ্যা মামলা-মোকদ্দমায় ফাঁসিয়ে দেওয়া এবং তাঁদের দুজনের বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও জিডিতে উল্লেখ করেন তিনি।

এ অবস্থায় নিজের ও শিশুকন্যার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন রুবেল মিয়া।

অভিযোগের বিষয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাধারণ ডায়েরিটি গ্রহণ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মিঠামইনে আওয়ামী লীগ নেতার রহস্যজনক মৃত্যু

হত্যার দাবি থেকে এখন আত্মহত্যা, বদলে যাচ্ছে পরিবারের ভাষ্য!

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৩ এম
হত্যার দাবি থেকে এখন আত্মহত্যা, বদলে যাচ্ছে পরিবারের ভাষ্য!

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের নতুন চাঁনপুর গ্রামে গত ২৬ আগস্ট ভোর সাড়ে ৫টায় যে খবর ছড়িয়ে পড়ে তাতে থমকে যায় এই গ্রামটি। গ্রামের পরিচিত মুখ আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. মুক্তার উদ্দিন (৬২) এর ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায় চাচাতো ভাই এনামুল হকের বসতঘরে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই এনামুল হক বাড়িতে না থাকায় মুক্তার উদ্দিন ওই ঘরেই রাত কাটাচ্ছিলেন। প্রতিদিন ফজরের নামাজ শেষে নিজ বাড়ি ফেরার অভ্যাস থাকলেও সেদিন আর ফেরেননি। স্ত্রী মাফুজা আক্তার কলি খুঁজতে গিয়ে স্বামীকে গলায় দড়ি ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপরই কান্না ও চিৎকারে জড়ো হন স্বজন ও প্রতিবেশীরা।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সুর চড়া ছিল পরিবারের। নিহতের ভাতিজা মো. আইকন মিয়া সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, এটা আত্মহত্যা না। পরিকল্পিত হত্যা। লাশ নামানোর পর শরীরে আঘাতের দাগ ছিল। হত্যা করে ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে।

আইকন মিয়া আরও একটি পটভূমি টেনে আনেন। তিনি বলেন, কিছুদিন আগেই মুক্তার উদ্দিন গ্রামে একটি এবতেদায়ী মাদ্রাসার জন্য ঘর তুলেছিলেন। সেই ঘরে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরও হয়েছিল। পূর্বশত্রুতার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড এমনটাই সন্দেহ তার।

কিন্তু সরেজমিনে কথা বলে জানা গেল ভিন্ন চিত্র। ঘটনার ৪ দিন পার হতেই “হত্যা”র অভিযোগ তোলা পরিবারের ভেতর থেকেই এখন শোনা যাচ্ছে “আত্মহত্যা”র কথা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বলেন, প্রথমে যারা সবচেয়ে জোরে হত্যার কথা বলছিল, তারাই এখন আস্তে আস্তে বলছে পারিবারিক ঝামেলা, মানসিক চাপের কথা। বিষয়টা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

একজন বলেন, যদি সত্যিই হত্যা হয়ে থাকে, তাহলে সন্দেহের তালিকায় পরিবারের লোকজনই আগে আসবে। তাই এখন সবাই একসাথে ‘আত্মহত্যা বলার দিকে যাচ্ছে।

গ্রামে এখন দুই ধরনের আলোচনা। কেউ বলছে রাজনৈতিক ও জমি-মাদ্রাসা নিয়ে বিরোধ, কেউ বলছে পারিবারিক কলহ।

মিঠামইন থানার ওসি মনোয়ার মাহমুদ জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, এখনই হত্যা বা আত্মহত্যা কোনোটাই নিশ্চিত করে বলার সুযোগ নেই। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করছে সব।

পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এনামুল হকের বাড়ির আশপাশের লোকজনের বক্তব্য নিয়েছে বলে জানা গেছে।

নতুন চাঁনপুরে এখন থমথমে অবস্থা। মুক্তার উদ্দিন আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন এছাড়াও জনপ্রতিনিধি হওয়ায়এলাকায় তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল বিস্তর। তার মৃত্যুতে শোকের পাশাপাশি আছে আতঙ্ক। লোকজন প্রকাশ্যে কথা বলতে চাইছে না। মুখ খুললেই ঝামেলা। এমন মনোভাব অনেকের।

স্থানীয়রা বলছেন, মাদ্রাসা নিয়ে বিরোধ অনেক পুরনো।তবে এই ঘটনা নিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে কি না তা বলা মুশকিল।

একটি মৃত্যু, দুই রকম বর্ণনা। ২৬ আগস্টের ভোরে শুরু হওয়া এই ঘটনায় পরিবারের শুর “হত্যা” দাবি এবং পরে আত্মহত্যার দিকে ঝোঁক – পুরো বিষয়টিকে আরও ঘোলাটে করেছে।

এখন সব নির্ভর করছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্তের ওপর। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মুক্তার উদ্দিনের মৃত্যু রহস্যই থেকে যাচ্ছে গোপদিঘীর বাতাসে।

পৈতৃক সম্পত্তির বিরোধে ছোট ভাইকে অপহরণের অভিযোগ, দুই দিন পর উদ্ধার

রাকিবুল হাসান আহাদ, বিশেষ প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪০ এম
পৈতৃক সম্পত্তির বিরোধে ছোট ভাইকে অপহরণের অভিযোগ, দুই দিন পর উদ্ধার

ময়মনসিংহের পাগলা থানা এলাকায় পৈতৃক সম্পত্তির বিরোধের জেরে নজরুল হক (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে অস্ত্রের মুখে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বড় ভাই ও ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, দুই দিন ধরে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখার পর তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নজরুল হক অভিযোগ করেন, গত ২৫ আগস্ট রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কান্দিপাড়া বাজার থেকে ওষুধ কিনে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। খোকন শিংয়ের বাড়ির পাশের কাঁচা রাস্তায় পৌঁছালে চারজন সশস্ত্র ব্যক্তি তাঁর চোখে কাপড় বেঁধে একটি গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর তাঁকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে দুই দিন আটকে রাখা হয়।

নজরুলের ভাষ্য, গত ২৭ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টার দিকে রাগামাড়া পানির পাম্পের পেছনে চোখ বাঁধা অবস্থায় তাঁকে ফেলে রেখে যায় অপহরণকারীরা। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করেন।

নজরুল হকের অভিযোগ, তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তির সাড়ে ৪০ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বড় ভাই নূরুল হকের সঙ্গে বিরোধ চলছে। নামজারি করতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তাঁর নামে ২৩ শতাংশ জমি নামজারি হয়েছে। বাকি সাড়ে ১৭ শতাংশ জমি তাঁর বড় ভাই গোপনে নিজের নামে নামজারি করিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় তাঁকে একাধিকবার মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নজরুল।

তিনি দাবি করেন, সর্বশেষ তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর ভাতিজা স্বপন, তোফাজ্জল, সবুজ মিয়া, ভাতিজার স্ত্রী আশরাফুন নাহারসহ আরও ১০-১২ জন এই অপহরণের ঘটনা ঘটিয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নূরুল হক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে।

নজরুলের মেয়ে রিমি বলেন, তাঁর বাবা নিখোঁজ হওয়ার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। ওই ফোনে জিডি না করার জন্য হুমকি ও প্রলোভন দেওয়া হয় বলে দাবি তাঁর।

রিমির ভাষ্য, একদিন অপেক্ষা করার পর ২৭ আগস্ট সকালে তাঁর মা আনোয়ারা খাতুন পাগলা থানায় জিডি করেন। ওই রাতেই তাঁর বাবাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়।

ঘটনার বিষয়ে জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা পাগলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আফসার আলী বলেন, জিডি হওয়ার পর ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানতে ভুক্তভোগীর পরিবারকে থানায় এসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

অপহরণের অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি এসব এখন তদন্তের বিষয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করবে বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।