বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ময়মনসিংহে এনসিপিতে যোগ দিলেন নাগরিক ঐক্যসহ বিভিন্ন দলের ৩০ নেতাকর্মী

আরিফ রব্বানী, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১১:৩৪ পিএম
ময়মনসিংহে এনসিপিতে যোগ দিলেন নাগরিক ঐক্যসহ বিভিন্ন দলের ৩০ নেতাকর্মী

ময়মনসিংহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে জেলার ত্রিশাল উপজেলার নাগরিক ঐক্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩০ জন নেতাকর্মী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগদান করেছেন।

শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ১১টায় নগরীর ১৪৭ কাচারি রোডস্থ ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কার্যালয়ে ত্রিশাল উপজেলা নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক কপিল উদ্দিনের নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে তারা যোগদান করেন।

যোগদান উপলক্ষে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ময়মনসিংহ জেলা কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম ও সদস্য সচিব মো. জসিম উদ্দিনসহ নেতাকর্মীরা নবাগতদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভ্যর্থনার মাধ্যমে বরণ করে নেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নবাগত নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এনসিপি ময়মনসিংহ মহানগর শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব সোহেল আহমদ, ময়মনসিংহ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক ফয়সাল ফার্নিম, জেলা নারীশক্তির সদস্য উম্মে সালমা বৃষ্টি প্রমুখ। নবাগতদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ত্রিশাল উপজেলা নাগরিক ঐক্যের সাবেক আহ্বায়ক ও নবযোগদানকারী এনসিপি নেতা মো. কফিন উদ্দিন।

সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম বলেন, “ময়মনসিংহের ইতিহাস আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস। সূর্যসেন ও প্রীতিলতার মতো বিপ্লবীদের চেতনা ধারণ করেই এনসিপি ময়মনসিংহকে আরও সুসংগঠিত করবে।”

নতুন যোগদানকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এনসিপির পতাকাতলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।” রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি ময়মনসিংহে হামের প্রকোপ বৃদ্ধির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম বলেন, “প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও এনসিপি সারা দেশের মতো ময়মনসিংহ জেলাতেও সকলের সহযোগিতায় সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করছে।”

জুলাই আন্দোলনে নারীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি নারী নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, “জুলাই বিপ্লবের চেতনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। প্রয়োজনে নতুন আন্দোলনের সূচনা ময়মনসিংহ থেকেই হবে।” পাশাপাশি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও মানবিক বাংলাদেশের প্রত্যয়ে নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এনসিপির ময়মনসিংহ জেলা শাখার সদস্য সচিব জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও মানবিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, এই যোগদান শুধু সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি নয়, বরং একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গঠনের প্রত্যয়। ময়মনসিংহে এনসিপির অগ্রযাত্রা আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

নতুন নেতৃবৃন্দের যোগদানকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠানটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আগত নেতাকর্মীদের ফুল দিয়ে ও মিষ্টিমুখ করিয়ে বরণ করা হয়।

অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম বলেন, “সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ ছাড়া সব দলের লোকজন এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন। প্রতিদিন বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন। আমরা বিচ্ছিন্নভাবে অনেককে নিয়েছি। আজ থেকে নিয়মিত যোগদান অনুষ্ঠান অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “আজ ত্রিশালের নাগরিক ঐক্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনের ৩০ জন নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগদান করেছেন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত একটি মডেল ময়মনসিংহ গড়ে তুলবো।”

শ্যামপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২:২৫ পিএম
শ্যামপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

রাজধানীর শ্যামপুর থানা শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শাপলা খানমের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, বই বিতরণ-সংক্রান্ত বরাদ্দে অনিয়ম এবং তদন্ত কার্যক্রমে গাফিলতির অভিযোগ এনে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন ২০২৬ তারিখে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে শ্যামপুরের দোলাইরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দিলেও এখন পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, তদন্ত কার্যক্রমে অস্বাভাবিক বিলম্বের কারণে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া ধীরগতিতে পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন ‘স্টার্ট-আপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ আয়োজনেও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় সংসদ সদস্যকে প্রধান অতিথি হিসেবে রাখার কথা থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তিন ব্যক্তির পৃথক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের সুপারিশ করা হলেও পরবর্তী পর্যায়ে কেবল একজনের অভিযোগ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

এ ছাড়া বছরের পর বছর বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তারা বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শ্যামপুর থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শাপলা খানম। তিনি বলেন, “আমি সরকারি বিধি-বিধান মেনেই দায়িত্ব পালন করছি। প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে দোলাইরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রমে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। সরকারি কোনো নির্দেশনা অমান্য করার প্রশ্নই আসে না।”

এ বিষয়ে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, “শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। আমার নির্বাচনী এলাকায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করা বা সরকারি অর্থের অপব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল শিক্ষা খাতে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহে অবৈধ সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কারখানা উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ পিএম
ময়মনসিংহে অবৈধ সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কারখানা উচ্ছেদ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চক শ্যামরামপুর এলাকায় পরিবেশের ক্ষতি করে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে প্রশাসন। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ সাব্বির হুসাইনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে দেখা যায়, কারখানাটি পরিবেশগত ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। এছাড়া কারখানার কার্যক্রমের কারণে স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছিল।

এ ঘটনায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৬(গ) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে মোবাইল কোর্টে দায়ের করা দুটি মামলায় দুই ব্যক্তিকে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এ সময় নদীতীরবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা অস্থায়ী সিসা কারখানাটি উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সিসা গলানোর কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতিও জব্দ করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এ ধরনের অবৈধ শিল্পকারখানার বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাক্ষর জালিয়াতি চক্রের সদস্য আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাক্ষর জালিয়াতি চক্রের সদস্য আটক

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি জালিয়াতি চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদিরের স্বাক্ষর নকল করে জাল দলিল তৈরি করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দলিল নিবন্ধনের সময় নথিপত্র যাচাই করতে গিয়ে বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান জালিয়াতির বিষয়টি শনাক্ত করেন। সন্দেহ হলে তিনি নথি আরও গভীরভাবে পরীক্ষা করেন এবং একপর্যায়ে অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করেন।

পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক ব্যক্তিকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে জালিয়াতি চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।

সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, “দলিল নিবন্ধন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। কোনো ধরনের জালিয়াতি বরদাশত করা হবে না।”

তিনি দলিল নিবন্ধনের সময় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান।