শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবারই সবচেয়ে বড় শক্তি: দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৪ পিএম
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবারই সবচেয়ে বড় শক্তি: দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেছেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়ে কাজ করলেও এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে পরিবারকে। একজন সন্তানের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার ভিত্তি তৈরি হয় পরিবারেই। তাই সন্তানদের চলাফেরা, অভ্যাস, বন্ধুবান্ধব ও সার্বিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বাবা-মাকে সচেতন থাকতে হবে।

শনিবার (১৮ জুলাই) ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে যুবসমাজকে সচেতন করতে আয়োজিত এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি রাষ্ট্র তার নাগরিকদের সার্বিক কল্যাণে দায়িত্ব পালন করে। তবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে একজন ভালো মানুষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পরিবারের পরিচর্যা ও সচেতনতাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাবা-মা সচেতন হলে সন্তান যেমন মাদকসহ বিভিন্ন কুঅভ্যাস থেকে দূরে থাকবে, তেমনি ভবিষ্যতে দেশ গঠনের যোগ্য নেতৃত্ব হিসেবেও নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা একটি আদর্শ রাষ্ট্র বিনির্মাণের সংগ্রামেরই অংশ। মাদকের বিরুদ্ধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অবস্থান তুলে ধরতেই এ প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহের সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অংশ নেয় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও স্থানীয় সাংবাদিকদের দল।

উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি উপভোগ করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

মাহমুদ হাসান আলিফ, গৌরিপুর।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

গৌরীপুরের লঙ্কার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সোহাগ মিয়ার দোকানটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে নিত্যপণ্য সংগ্রহের অন্যতম আস্থার স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দোকানটিতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে, যা স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

দোকান মালিক সোহাগ মিয়া জানান, স্থানীয় গ্রাহকদের আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি পণ্যের গুণগত মানের বিষয়ে সর্বোচ্চ সচেতনতা অবলম্বন করছেন। দোকানের সব পণ্যের প্যাকেজিং ও মেয়াদ নিয়মিত যাচাই করা হচ্ছে, যাতে ক্রেতারা নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করতে পারেন।

ডিজিটাল সেবার এই যুগে সোহাগ মিয়া তার দোকানে বিকাশ এজেন্টসহ আধুনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করেছেন। এতে স্থানীয় মানুষ খুব সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন, যা এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময় ও কষ্ট দুটোই সাশ্রয় করছে।

এলাকাবাসী জানান, সোহাগ মিয়ার দোকানে সব সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকে এবং দোকানের পরিবেশ বেশ গোছানো।

স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক সুজিত দাস বলেন, বাজারের মাঝামাঝি সময়ে এমন একটি দোকান থাকা আমাদের জন্য খুবই সুবিধাজনক। সোহাগ মিয়ার এই ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা ও গ্রাহকসেবার মানসিকতা স্থানীয় ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দিনেও তিনি তার এই সেবার মান ধরে রেখে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম
ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির উদ্যোগে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের মাঝে মোট ৪০০টি বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য বি এম ইউসুফ আলী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী, ঊর্ধ্বতন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (আল-আমিন বীমা প্রকল্প) মো. আবু তাহের, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (জনপ্রিয় বীমা প্রকল্প) মো. কামাল হোসেন মহসিন এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইসলামী ডিপিএস প্রকল্প) মোহাম্মদ খলিলুর রহমান সিকদার।

এ সময় বক্তব্য দেন আল-বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক কে এম বিল্লাল হোসেন, পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. সোলায়মান হোসেন সোহাগ এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির বিভিন্ন প্রকল্পের ইনচার্জরা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মহাব্যবস্থাপক (সমন্বয়কারী, ময়মনসিংহ) সাকিল মাহমুদ।

বক্তারা বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ও সেবার মান অক্ষুণ্ন রেখে দ্রুততম সময়ে বীমা দাবি পরিশোধে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা সম্প্রসারণ, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং বীমা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা গ্রাহকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪০০টি বীমা দাবির চেক তুলে দেন।

গৌরীপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার নেতৃত্বে ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা, গুরুতর আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৬ এম
গৌরীপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার নেতৃত্বে ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা, গুরুতর আহত

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সাদীর মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা শান্ত চন্দ্র পন্ডিত ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে গৌরীপুর কাঁচা বাজার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার সাদীর মিয়া কোনাপাড়ার ফকর উদ্দিনের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ৩২ হাজার টাকা পাওনা নিয়ে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা শান্ত চন্দ্র পন্ডিতের সঙ্গে সাদীর মিয়ার বিরোধ চলছিল। শুক্রবার রাতে কাঁচা বাজারের সামনে পৌঁছালে শান্ত চন্দ্র পন্ডিতের নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল দেশীয় রামদা ও চাকু নিয়ে সাদীর মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তাঁর অবস্থা গুরুতর। গুরুতর আহত অবস্থায় সাদীর মিয়াকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।