নির্বাচনের ছয় দিন পরও ময়মনসিংহ নগরজুড়ে ঝুলছে পোস্টার–ব্যানার, ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও ময়মনসিংহ নগরের বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে এখনো ঝুলছে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্যানা–পোস্টার ও ব্যানার। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব প্রচারসামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
ময়মনসিংহ–৪ সদর আসনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে বিজয়ী হন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–সমর্থিত প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ। তবে নির্বাচন শেষ হলেও নগরের প্রধান সড়ক নতুন বাজার, গাঙ্গিনারপাড়, চরপাড়া, জিলা স্কুল মোড়, টাউন হল মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় এখনো প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার ও বড় আকারের বিলবোর্ড ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। শুধু প্রধান সড়কই নয়, অলিগলিতেও শত শত নির্বাচনী সামগ্রী টানানো রয়েছে।
বুধবার বিকেলে গাঙ্গিনারপাড় ও ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এখনো পোস্টার অপসারণ করা হয়নি। এ সময় ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কথা হয় পথচারী হামিদুল হকের সঙ্গে। তিনি বলেন, “নির্বাচনের ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও পোস্টার–ব্যানার সরানো হয়নি। শহরজুড়েই একই অবস্থা। দ্রুত এগুলো অপসারণ করা উচিত।”
এদিকে নির্বাচনী প্রচারসামগ্রী অপসারণের বিষয়ে সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন। সেখানে ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এখন সময় শহর ও গ্রামকে আগের মতো পরিষ্কার ও সুন্দর করে তোলার। জনদুর্ভোগ ও পরিবেশ দূষণ এড়াতে রাস্তাঘাট, দেয়াল, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও জনসমাগমস্থলে টাঙানো প্যানা, বিলবোর্ড দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে সবাইকে নিজ নিজ প্রচারণাসামগ্রী সরিয়ে পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, “প্রার্থীদের আবারও অনুরোধ করা হচ্ছে, তারা যেন নিজেদের নির্বাচনী সামগ্রী নিজেরাই অপসারণ করেন। পাশাপাশি সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভাগুলোকে এ কাজে সহায়তার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।”













