বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দর্শন “দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানো”, বাস্তবে বেড়েছে ৩০ লাখ দারিদ্র্য মানুষ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৩২ পিএম
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দর্শন “দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানো”, বাস্তবে বেড়েছে ৩০ লাখ দারিদ্র্য মানুষ

দীর্ঘদিন ধরেই দারিদ্র্য বিমোচনের প্রতীকী এক দর্শনের কথা বলে আসছেন, “দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানো।” ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে তিনি দারিদ্র্যবিরোধী আন্দোলনে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। ফলে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দায়িত্ব গ্রহণের সময় জনগণের প্রত্যাশাও ছিল স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে ড. ইউনূস দারিদ্র্য বিমোচনের দর্শন বাস্তবায়নের এক বিরল সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সে সময়কালে দেশে দারিদ্র্য কমার পরিবর্তে নতুন করে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়েছেন, যা উদ্বেগজনক এবং হতাশাজনক।

অবশ্য এ বাস্তবতার পেছনে কেবল একজন ব্যক্তিকে দায়ী করা কতটা যুক্তিসংগত, সেটিও বিবেচনার দাবি রাখে। অন্তর্বর্তী সরকার মূলত একটি অস্থায়ী প্রশাসনিক কাঠামো। দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সংস্কার, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি বা সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বড় ধরনের সম্প্রসারণ এসব উদ্যোগ নেওয়ার মতো রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা তাদের থাকে না। উপরন্তু বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট এবং পূর্ববর্তী সময়ের কাঠামোগত দুর্বলতাও দারিদ্র্য বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

তবু প্রশ্ন থেকেই যায়, নৈতিক উচ্চতা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থাকা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে কি আরও দৃশ্যমান উদ্যোগ প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক ছিল? দারিদ্র্য বিমোচন কেবল একটি অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া নয়; এটি রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও সাহসী সিদ্ধান্তের সমন্বিত ফল। এ জায়গায় ড. ইউনূসের দর্শন ও রাষ্ট্র পরিচালনার বাস্তবতার মধ্যে এক ধরনের ফাঁক স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন একদিকে যেমন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ ছিল, অন্যদিকে তেমনি জনগণের উচ্চ প্রত্যাশার ভারও বহন করছিল। এই অভিজ্ঞতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানোর স্বপ্ন যতই মহৎ হোক না কেন, রাষ্ট্রীয় বাস্তবতায় তা বাস্তবায়নের পথ অনেক বেশি জটিল ও কঠিন।

ময়মনসিংহ সদরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১:৪২ এম
ময়মনসিংহ সদরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও আরিফুল ইসলাম বলেন, জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আরও সমন্বয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সভা শুরুর আগে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির পক্ষ থেকে ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম তাকে স্বাগত জানান।

মিঠামইনে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, সিআইডি তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন।। প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১:২০ এম
মিঠামইনে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, সিআইডি তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার উলামা লীগের সভাপতি ও চমকপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলী খন্দকারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় সিআইডির তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওলামা লীগের মিঠামইন উপজেলা শাখার সভাপতি ইয়াকুব আলী খন্দকার চমকপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। এরপর থেকে তিনি অধ্যক্ষের দায়িত্বে থেকে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে মাদ্রাসার লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিগত ২০২৫ সালে মুরশিদুল আলম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের বিভিন্ন তথ্য সামনে আসে। পরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুরশিদুল আলম বাদী হয়ে অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলী খন্দকার ও সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কোরবান আলীকে বিবাদী করে কিশোরগঞ্জের ৪ নম্বর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমল গ্রহণকারী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর:- সিআর ৫৩৯/২০২৫।

আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সিআইডির এসআই মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে গত ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তিনি আদালতে ২৭৭ পাতার একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইয়াকুব আলী খন্দকার অধ্যক্ষ এবং তার সহযোগী হিসেবে তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কোরবান আলী দায়িত্ব পালনকালে মাদ্রাসার তহবিল থেকে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন। এছাড়া মাদ্রাসা উন্নয়নের নামে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ‘সম্মানী’ বা ঘুষ প্রদানের কথা বলে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম তার প্রতিবেদনে ইয়াকুব আলী খন্দকার ও কোরবান আলীর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৩, ৪০৬, ৪২০ ও ৩৪ ধারার অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে আদালতে উল্লেখ করেন।

এদিকে অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, চমকপুর গ্রামের হুমায়ুন কবির ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তৎকালীন কর্মকর্তা শাজাহান সিরাজকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হলেও অভিযোগ রয়েছে, তিনি ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছেন।

এছাড়া অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে স্থানীয় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি পোড়ানোর অভিযোগেও মামলা রয়েছে। মিঠামইন থানার মামলা নম্বর–২, তারিখ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪। ওই মামলায় পুলিশ তাকে ঘাগড়া বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন।

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুরশিদুল আলম এ প্রতিবেদককে জানান, ইয়াকুব আলী অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মাদ্রাসায় দুর্নীতির রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করার পর মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য তাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার দাবি, ইয়াকুব আলী ও সাবেক সভাপতি কোরবান আলী দুর্নীতির মাধ্যমে মাদ্রাসার প্রায় ৩০ লাখ টাকা লুটপাট করেছেন। একই সঙ্গে একটি মহল পুরো ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, জিয়া সাইবার ফোর্স কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক তফসির খান এবং ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য আব্দুর রউফ মেম্বার বলেন, হেলিম মাওলানার উদ্যোগ ও চমকপুর গ্রামবাসীর সহযোগিতায় মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে নেতৃত্ব ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে শিক্ষকদের মধ্যে দলাদলি তৈরি হয়েছে, যা শিক্ষার মানকে নিম্নমুখী করছে। তারা দলাদলি নিরসন করে শিক্ষার মান উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলী খন্দকার বলেন, “ঘটনাটি নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিএনপি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগও মিথ্যা। আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।”

ময়মনসিংহের ভাবখালীতে শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা: কুইজ-ক্রীড়া-সংস্কৃতিতে মুখর শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ময়মনসিংহের ভাবখালীতে শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা: কুইজ-ক্রীড়া-সংস্কৃতিতে মুখর শিক্ষাঙ্গন

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা-২০২৬ উপলক্ষে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, বিষয়ভিত্তিক কুইজ ও কাবিং প্রতিযোগিতা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টায় সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নের পণঘাগড়া ক্লাস্টারের আয়োজনে ভাবখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিকা পারভীন। অনুষ্ঠানে পণঘাগড়া ক্লাস্টারের ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশিষ কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য রফিকুল আলম শামীম, শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল, ভাবখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিলুফার রহমান স্বপ্না এবং বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান (হাব্বন)সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী পণঘাগড়া ক্লাস্টারের ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিকা পারভীন বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও সৃজনশীল বিকাশে এ ধরনের প্রতিযোগিতার গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, কুইজ ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিশুদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের চেতনা গড়ে তোলে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে যুগোপযোগী ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিকল্প নেই। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের দক্ষ নেতৃত্ব ও দেশের ভবিষ্যৎ সম্পদ।

সভাপতির বক্তব্যে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশিষ কুমার বলেন, প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জাতীয় শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা শিশুদের প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, একটি জাতির টেকসই উন্নয়ন নির্ভর করে শিশুদের সঠিক শিক্ষা ও মানসিক বিকাশের ওপর। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব, সাংস্কৃতিক চেতনা, শৃঙ্খলা ও সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আরও সম্পৃক্ত করতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।