বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

ময়মনসিংহে বিভাগীয় তথ্য কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৫ এম
ময়মনসিংহে বিভাগীয় তথ্য কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জেলা পর্যায়ে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে বিভাগীয় নগরীর শিকারীকান্দা ছত্রপুর এলাকায় তথ্য কমপ্লেক্সের জন্য অধিগ্রহণকৃত নিজস্ব জায়গায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪ জেলায় ৬৪টি তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিভাগীয় শহরসহ ২৬টি জেলার কাজ ইতোমধ্যে হাতে নেওয়া হয়েছে। এটি তার প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উল্লেখ করে তিনি জানান, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আরও চারটি ভবনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে উপজেলা পর্যায়েও তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হবে। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিগত সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে অনেক প্রকল্প নেওয়া হলেও কাজ হয়নি। আমরা চাই গুণগত মান বজায় রেখে সঠিকভাবে কাজ শেষ হোক। আমাদের কাজে দুর্নীতি স্পর্শ করতে পারবে না।” তিনি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করার আহ্বান জানান।

গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তবে ভুল তথ্য বা মিসইনফরমেশন যেন প্রচার না হয় সে বিষয়ে সাংবাদিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। তথ্যের অবাধ প্রবাহ বজায় রাখার পাশাপাশি বানোয়াট বা মিথ্যা খবর যেন সংবাদে রূপ না নেয়—সেদিকেও নজর দেওয়ার কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জন কেনেডি জাম্বিল, জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, ময়মনসিংহ গণপূর্ত জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এবং জেলা পর্যায়ে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ বিভাগে প্রায় ১৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে সাততলা বিশিষ্ট বিভাগীয় তথ্য কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হবে। এ জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ১৮ মাস মেয়াদি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ৪ এপ্রিল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।

নির্মিতব্য তথ্য কমপ্লেক্সে সিনেপ্লেক্স, ইন্টারনেট সুবিধা, সাইবার ক্যাফে, ইনফরমেশন কিয়স্ক, ডিজিটাল আর্কাইভ ও ডিজিটাল ল্যাবসহ বিভিন্ন আইসিটি সুবিধা থাকবে। এর মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের জন্য এটি একটি তথ্যভাণ্ডার হিসেবে কাজ করবে।

এছাড়া সিনেপ্লেক্সে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র দেখার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটানো সম্ভব হবে বলেও জানানো হয়।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, আইটি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সেবা প্রদান এবং তরুণ-তরুণীদের প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই এর লক্ষ্য।

এছাড়া আইসিটি সুবিধার মাধ্যমে ফ্যাক্ট-চেকিং টুলস ব্যবহার করে গুজব ও ভুয়া খবর শনাক্ত করে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াও সম্ভব হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

তথ্য কমপ্লেক্সটি সরকারি-বেসরকারি গণমাধ্যম, স্থানীয় প্রেসক্লাব, কমিউনিটি রেডিও, পর্যটন করপোরেশন ও প্রবাসী কল্যাণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে এবং জনগণের ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় ছিল ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৪ পিএম
ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

ময়মনসিংহ নগরীর ধোপাখলা এলাকায় কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় এবং কোতোয়ালী থানাধীন ৩নং ফাঁড়ির চৌকস এস আই সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি অভিযান চালিয়ে মোঃ পিয়াল হাসান (২৬) নামে এক চোর, মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত পিয়াল হাসান বাঘমারা এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা: রমজান আলী ও মাতা: পারভিন বেগম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে একটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি এবং মাদক সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, কোতোয়ালী মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও মাদক সংক্রান্ত মোট ৮টি মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২১ এম
ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের পাড়াইল গ্রামে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে এক কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে। গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সংঘটিত এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে খাইরুল ইসলাম, মফিজ, আবেদ আলী, রাবেয়া খাতুন, লাকী আক্তারসহ অজ্ঞাত আরও ৬/৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সবাই স্থানীয় কৃষকদল নেতা আশিকুর রহমান মিলনের অনুসারী বলে দাবি করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা উক্ত জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। হঠাৎ করে কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলন জমিটি ক্রয় করেছেন দাবি করে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবার নিজেদের নিরাপত্তার জন্য থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জিডি করার পর অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও তা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তারা ভুক্তভোগীর জমিতে থাকা দোকানপাট ভাঙচুর করে মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় হামলায় পরিবারের দুই সদস্য আহত হন।

এছাড়া ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দোকানের পাশেই থাকা তাদের পারিবারিক গোরস্থানের জমিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাড়িঘরে থাকতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পুলিশ জানায়, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৬ পিএম
বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

ময়মনসিংহে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উপপরিচালকের পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্তসাপেক্ষে পদোন্নতি বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ১২ এপ্রিল অভিযোগ দুটি জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ময়মনসিংহে কর্মরত উপপরিচালক হারুন অর রশিদ ২০২১ সালে বিধিবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি লাভ করেন। অভিযোগকারীর দাবি, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নিয়োগ বিধিমালা উপেক্ষা করে তিনি এ পদোন্নতি নেন।

নিয়োগ বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী, উপপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী পরিচালক হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা আবশ্যক। কিন্তু অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হারুন অর রশিদ ১৮ এপ্রিল ২০১৪ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৭ জানুয়ারি ২০২১ সালে পদোন্নতি পাওয়ার সময় তার অভিজ্ঞতা ছিল ৭ বছরেরও কম।

এছাড়া ২০১৮ সালের জ্যেষ্ঠতা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৪০ নম্বরে। কিন্তু পদোন্নতির তালিকায় তাকে ৬০ নম্বরে উন্নীত করা হয়, যা জ্যেষ্ঠতা নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে তিনি এই পদোন্নতি নিশ্চিত করেন। এতে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন –

১) অবৈধ পদোন্নতি বাতিল,

২) পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা,

৩) সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।

এ বিষয়ে উপপরিচালক হারুন অর রশিদের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে সচিব স্যার অবগত আছেন, তিনিই সব ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।