মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

ময়মনসিংহে বিভাগীয় তথ্য কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৫ এম
ময়মনসিংহে বিভাগীয় তথ্য কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জেলা পর্যায়ে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে বিভাগীয় নগরীর শিকারীকান্দা ছত্রপুর এলাকায় তথ্য কমপ্লেক্সের জন্য অধিগ্রহণকৃত নিজস্ব জায়গায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪ জেলায় ৬৪টি তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিভাগীয় শহরসহ ২৬টি জেলার কাজ ইতোমধ্যে হাতে নেওয়া হয়েছে। এটি তার প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উল্লেখ করে তিনি জানান, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আরও চারটি ভবনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে উপজেলা পর্যায়েও তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হবে। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিগত সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে অনেক প্রকল্প নেওয়া হলেও কাজ হয়নি। আমরা চাই গুণগত মান বজায় রেখে সঠিকভাবে কাজ শেষ হোক। আমাদের কাজে দুর্নীতি স্পর্শ করতে পারবে না।” তিনি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করার আহ্বান জানান।

গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তবে ভুল তথ্য বা মিসইনফরমেশন যেন প্রচার না হয় সে বিষয়ে সাংবাদিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। তথ্যের অবাধ প্রবাহ বজায় রাখার পাশাপাশি বানোয়াট বা মিথ্যা খবর যেন সংবাদে রূপ না নেয়—সেদিকেও নজর দেওয়ার কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জন কেনেডি জাম্বিল, জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, ময়মনসিংহ গণপূর্ত জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এবং জেলা পর্যায়ে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ বিভাগে প্রায় ১৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে সাততলা বিশিষ্ট বিভাগীয় তথ্য কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হবে। এ জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ১৮ মাস মেয়াদি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ৪ এপ্রিল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।

নির্মিতব্য তথ্য কমপ্লেক্সে সিনেপ্লেক্স, ইন্টারনেট সুবিধা, সাইবার ক্যাফে, ইনফরমেশন কিয়স্ক, ডিজিটাল আর্কাইভ ও ডিজিটাল ল্যাবসহ বিভিন্ন আইসিটি সুবিধা থাকবে। এর মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের জন্য এটি একটি তথ্যভাণ্ডার হিসেবে কাজ করবে।

এছাড়া সিনেপ্লেক্সে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র দেখার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটানো সম্ভব হবে বলেও জানানো হয়।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, আইটি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সেবা প্রদান এবং তরুণ-তরুণীদের প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই এর লক্ষ্য।

এছাড়া আইসিটি সুবিধার মাধ্যমে ফ্যাক্ট-চেকিং টুলস ব্যবহার করে গুজব ও ভুয়া খবর শনাক্ত করে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াও সম্ভব হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

তথ্য কমপ্লেক্সটি সরকারি-বেসরকারি গণমাধ্যম, স্থানীয় প্রেসক্লাব, কমিউনিটি রেডিও, পর্যটন করপোরেশন ও প্রবাসী কল্যাণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে এবং জনগণের ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় ছিল ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারী ও বৃদ্ধার ওপর হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

মোঃ সাজ্জাদ মিয়া, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪৬ এম
ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারী ও বৃদ্ধার ওপর হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরীর ৩৩নং ওয়ার্ডের চর গোবদিয়া এলাকায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এক নারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা, মারধর, সম্পদ নষ্ট এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান হিরা, সুরে এবং রশিদ গংদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী মোছাঃ ডলি আক্তার।

লিখিত অভিযোগে মোছা. ডলি আক্তার উল্লেখ করেন, চর ঈশ্বরদিয়া মৌজায় তাঁদের মালিকানাধীন জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদীদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিবাদীরা জমি থেকে তাঁদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি জমিতে প্রবেশে বাধা, জোরপূর্বক ঘরবাড়ি নির্মাণ এবং তাঁদের বিভিন্ন সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৯ অক্টোবর সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে বিবাদীরা তাঁদের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলে ডলি আক্তার ও তাঁর ছেলে সাকিব (২১) সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করতে বলেন। এ সময় অভিযুক্ত মোখলেসসহ কয়েকজন এবং তাঁদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ডলি আক্তারের দাবি, হামলাকারীরা লোহার রড, এসএস পাইপ ও হকিস্টিক দিয়ে তাঁকে এবং তাঁর ছেলেকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। এ সময় তাঁর ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা নুরজাহানকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে বিবাদীরা তাঁদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে হত্যার উদ্দেশ্যে তেড়ে আসেন। এ সময় তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি ভবিষ্যতে জমি নিয়ে কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ নিলে কিংবা অভিযোগ দায়ের করলে আরও ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন অভিযোগকারী।

ডলি আক্তারের আশঙ্কা, জমি দখলের চেষ্টা ও হামলার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেও তিনি প্রতিকার না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত থানার দ্বারস্থ হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।

লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

তবে অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের বক্তব্য এবং অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার আধপাখিয়া গ্রামের মেম্বারের ভাই মোফাজ্জল হোসেন সুদে টাকা লাগিয়ে কম পক্ষে ২০ পরিবারকে পথে বসিয়ে দিয়েছেন। এদের প্রায় সকলেই হয়েছেন টাকা কিংবা সুদের টাকা দিতে নাপারায় নির্যাতনের শিকার।গত ২৯ অক্টোবর সুদের টাকার জন্য শারিরিক নির্যাতনের শিকার হন বিল্লাল মিয়া।এই হতভাগ্য থানায় অভিযোগ করতে পারেনি।পরে যদি এর চেয়ে বড় কিছু করে ফেলে। মোফাজ্জল এতোটাই এলাকায় আতংকের নাম।

আধপাখিয়ার ভ্যান চালক বিল্লাল একই এলাকার মোফাজ্জলের কাছ থেকে বিপদে পড়ে মাসিক বিশ টাকা হাড় সুদে ৫ হাজার টাকা নিয়েছিল।গত প্রায় ২ বছরে বিল্লাল প্রায় বিশ হাজার টাকা সুদ দিয়েছে। সম্প্রতি সুদ দিতে দেরী হওয়ায় মোফাজ্জল চাপ দেয় সুদে আসলে তার টাকা দিয়ে দিতে হবে।টাকা দিতে দেরী হওয়ায় ২৯ অক্টোবর বিল্লালকে স্থানীয় সুমনের দোকানের সামনে বেদরক মারধর করে।নির্যাতন দেখে সহ্য না হওয়ায় দোকানদার সুমন মোফাজ্জলের টাকা দিয়ে দেন।এ সময় তাকে সুদসহ ৬ হাজার টাকাই দিতে হয়।এমন অভিযোগ স্থানীয় এক নারীও করেছেন।

এলাকার অনেকের সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হয়েছে, তারা জানিয়েছেন মোফাজ্জল চড়া সুদে টাকা লাগান। টাকা আদায় করতে গিয়ে অনেকের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তার টাকার সুদ দিতে দিতে অনেকে নিঃশ্ব হয়েছেন।অনেকের ঢাকা শহরে গিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। এলাকার মানুষের সাথে যেন তার পায়কারি হাড়ে বিরোধ। কোন ব্যাক্তি এ সকল ঘটনার প্রতিবাদ করলেই সেও পড়ে তাদের রোষানলে।

মোফাজ্জল জানান, এলাকায় তার সাথে কারো বিরোধ নেই। পাওনা টাকা চাইলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।তিনি তার ভাই মেম্বার এর নাম উল্লেখ করে বলেন আমি খারাপ হলে কি ভাইকে ভোট দিতো? জমি সংক্রান্ত বিরোধ আছে তাদের সাথে অনেকের। সে গুলোও মানুষ সমালোচনা করে।

ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর অভিযান, ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:২৪ পিএম
ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর অভিযান, ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে অভিযান চালিয়ে ১০৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৪)। এ ঘটনায় মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

এসআরবি-১৪ সূত্রে জানা যায়, গত ১ নভেম্বর দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে গৌরীপুর উপজেলার মইলাকান্দা ইউনিয়নের পোদ্দারপাড়া বণিক বাড়ির একটি টিনশেড ঘরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সিপিএসসি, এসআরবি-১৪, ময়মনসিংহের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দুলাল চন্দ্র বণিক (৫৫) ও মো. হাতিম মিয়া (৪২)। তাঁদের দুজনেরই বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামগঞ্জ বাজার এলাকায় অবস্থানকালে আভিযানিক দল জানতে পারে, পোদ্দারপাড়া বণিক বাড়ির দুলাল চন্দ্র বণিকের ঘরে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য কেনাবেচা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

পরে উপস্থিত লোকজন ও সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে ছয়টি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ১০৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তার দুজন পরস্পর যোগসাজশে বিক্রির উদ্দেশ্যে গাঁজাগুলো নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এসআরবি-১৪ সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এজাহার দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার করা গাঁজা ও জব্দ করা আলামতসহ তাঁদের গৌরীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।