বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ময়মনসিংহে বোরো সংগ্রহ (ধান/চাল) কার্যক্রম সফল করতে পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আরিফ রব্বানী, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১২:৫২ এম
ময়মনসিংহে বোরো সংগ্রহ (ধান/চাল) কার্যক্রম সফল করতে পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় চলমান বোরো সংগ্রহ (ধান/চাল)-২০২৬ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) সকালে উপজেলা খাদ্য বিভাগের উদ্যোগে উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি বলেন, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বোরো সংগ্রহ কার্যক্রম স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার মাধ্যমে কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, খাদ্য বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ, কৃষক ও মিলমালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা খাদ্যবান্ধব কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ময়মনসিংহে সরকারি খাদ্য গুদামে মোট ২,০১৬ মেট্রিক টন ধান, ৯,৫৯২ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ১,১২০ মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রতি কেজি ধান ৩৪ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং আতপ চাল ৪৮ টাকা দরে ক্রয় করা হবে।

সভা শেষে অতিথিবৃন্দ সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, সকলের সহযোগিতায় চলমান বোরো সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

এর আগে জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার (সিএসডি)-এ পৌঁছালে তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এ সময় মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে সিএসডির ব্যবস্থাপক সংসদ সদস্যকে সংরক্ষণাগারের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই ও শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হলেন কোতোয়ালী থানার এসআই আসাদ

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৫:১৩ পিএম
জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই ও শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হলেন কোতোয়ালী থানার এসআই আসাদ

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় জেলার শ্রেষ্ঠ উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার এসআই আসাদ।

পেশাগত দায়িত্ব পালনে দক্ষতা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা এবং ওয়ারেন্ট তামিলে বিশেষ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিক সংখ্যক ওয়ারেন্ট তামিল এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই ও শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হিসেবে মনোনীত করা হয়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী কর্মকর্তাদের হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

সম্মাননা পাওয়ার পর এসআই আসাদ বলেন, এই অর্জন তার একার নয়, কোতোয়ালী মডেল থানার পুরো টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। ভবিষ্যতেও জনগণের জানমাল রক্ষা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানান।

জেলা পুলিশের এ স্বীকৃতিতে সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।

ময়মনসিংহ সদরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১:৪২ এম
ময়মনসিংহ সদরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও আরিফুল ইসলাম বলেন, জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আরও সমন্বয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সভা শুরুর আগে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির পক্ষ থেকে ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম তাকে স্বাগত জানান।

মিঠামইনে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, সিআইডি তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন।। প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১:২০ এম
মিঠামইনে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, সিআইডি তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার উলামা লীগের সভাপতি ও চমকপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলী খন্দকারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় সিআইডির তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওলামা লীগের মিঠামইন উপজেলা শাখার সভাপতি ইয়াকুব আলী খন্দকার চমকপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। এরপর থেকে তিনি অধ্যক্ষের দায়িত্বে থেকে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে মাদ্রাসার লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিগত ২০২৫ সালে মুরশিদুল আলম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের বিভিন্ন তথ্য সামনে আসে। পরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুরশিদুল আলম বাদী হয়ে অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলী খন্দকার ও সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কোরবান আলীকে বিবাদী করে কিশোরগঞ্জের ৪ নম্বর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমল গ্রহণকারী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর:- সিআর ৫৩৯/২০২৫।

আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সিআইডির এসআই মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে গত ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তিনি আদালতে ২৭৭ পাতার একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইয়াকুব আলী খন্দকার অধ্যক্ষ এবং তার সহযোগী হিসেবে তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কোরবান আলী দায়িত্ব পালনকালে মাদ্রাসার তহবিল থেকে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন। এছাড়া মাদ্রাসা উন্নয়নের নামে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ‘সম্মানী’ বা ঘুষ প্রদানের কথা বলে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম তার প্রতিবেদনে ইয়াকুব আলী খন্দকার ও কোরবান আলীর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৩, ৪০৬, ৪২০ ও ৩৪ ধারার অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে আদালতে উল্লেখ করেন।

এদিকে অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, চমকপুর গ্রামের হুমায়ুন কবির ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তৎকালীন কর্মকর্তা শাজাহান সিরাজকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হলেও অভিযোগ রয়েছে, তিনি ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছেন।

এছাড়া অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে স্থানীয় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি পোড়ানোর অভিযোগেও মামলা রয়েছে। মিঠামইন থানার মামলা নম্বর–২, তারিখ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪। ওই মামলায় পুলিশ তাকে ঘাগড়া বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন।

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুরশিদুল আলম এ প্রতিবেদককে জানান, ইয়াকুব আলী অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মাদ্রাসায় দুর্নীতির রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করার পর মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য তাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার দাবি, ইয়াকুব আলী ও সাবেক সভাপতি কোরবান আলী দুর্নীতির মাধ্যমে মাদ্রাসার প্রায় ৩০ লাখ টাকা লুটপাট করেছেন। একই সঙ্গে একটি মহল পুরো ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, জিয়া সাইবার ফোর্স কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক তফসির খান এবং ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য আব্দুর রউফ মেম্বার বলেন, হেলিম মাওলানার উদ্যোগ ও চমকপুর গ্রামবাসীর সহযোগিতায় মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে নেতৃত্ব ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে শিক্ষকদের মধ্যে দলাদলি তৈরি হয়েছে, যা শিক্ষার মানকে নিম্নমুখী করছে। তারা দলাদলি নিরসন করে শিক্ষার মান উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলী খন্দকার বলেন, “ঘটনাটি নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিএনপি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগও মিথ্যা। আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।”