রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

নিউজ ফাইভ

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৫ ডেমো নিউজ ফাইভ

অনলাইন ডেস্ক ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৩:০৬ পিএম
প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৫ ডেমো নিউজ  ফাইভ

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

কিন্তু রেসিং কোন ফল এলোনা। কারণ অভি এক্সিডেন্ট করলো। সন্ধ্যায় অয়ন্তিকা এলো সাথে এলো চাকর ভাবলারাম। জানতে পারলাম ভ্যাবলারাম আসলে অয়ন্তিকার বন্ধু রাজীব সিনহা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। অভির মোবাইল থেকে, আমার ছাড়াও আরো ছয় সাতটি মেয়ের আপত্তিকর ভিডিও , ছবি ডিলিট করা হয়েছে। যাদেরকে ও নিয়মিত ব্লাকমেইল করতো। অভি হয়তো বাঁচবে না। বেঁচে গেলেও আইনের হাত থেকে ওর রক্ষা নেই, কারণ ওর ব্লেকমেইলের ভয়ে আত্মাহত্যা করছে অয়ন্তিকার বান্ধবি সোনালী। ওর চলে যেতেই বুবাই একটা গোলাপ ফুল নিয়ে আমাকে উপহার দিলো। আর বললো গোলাপটা তুলতে গিয়ে সে নাকি অনেক গুলো কাটার আঘাত পেয়েছেন। সেটা দেখালো। আমি জিজ্ঞেস করলাম “আপনি আমাকে ঠিক কতটা ভালোবাসেন”

ও বললো ” তোমার জন্য আমি জীবন দিতে পারি ,আবার নিতেও পারি।”

আমার চোখে জল এসে গেলো।

পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০১ পিএম
পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

পরিবেশ সংরক্ষণ, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের উদ্যোগে এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় পরিবেশ সচেতনতামূলক পথনাটক ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সমনা আল মজীদ (উপসচিব), মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান, জেলা কালচারাল অফিসার আব্দুল্লাহ্-আল-মামুন, সিরাক বাংলাদেশের প্রতিনিধি কামরান মিয়া, ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্য এবং সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

পথনাটকে অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলার ক্ষতিকর প্রভাব এবং পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিক দায়িত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ সময় প্রতিপাদ্য ছিল, “শহর যদি হয় পরিষ্কার, সুস্থ থাকবে পরিবার।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন বলেন, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশ সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুবসমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

পথনাটকটি রচনা করেন যুব কাউন্সিলর মো. সজিব হাসান (সানি)। নির্দেশনায় ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর আলম রবিন। এতে অভিনয় করেন মো. রবিন মিয়া, মিনহাজুল ইসলামসহ ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্যরা।

গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

মাহমুদ হাসান আলিফ, গৌরিপুর।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

গৌরীপুরের লঙ্কার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সোহাগ মিয়ার দোকানটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে নিত্যপণ্য সংগ্রহের অন্যতম আস্থার স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দোকানটিতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে, যা স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

দোকান মালিক সোহাগ মিয়া জানান, স্থানীয় গ্রাহকদের আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি পণ্যের গুণগত মানের বিষয়ে সর্বোচ্চ সচেতনতা অবলম্বন করছেন। দোকানের সব পণ্যের প্যাকেজিং ও মেয়াদ নিয়মিত যাচাই করা হচ্ছে, যাতে ক্রেতারা নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করতে পারেন।

ডিজিটাল সেবার এই যুগে সোহাগ মিয়া তার দোকানে বিকাশ এজেন্টসহ আধুনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করেছেন। এতে স্থানীয় মানুষ খুব সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন, যা এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময় ও কষ্ট দুটোই সাশ্রয় করছে।

এলাকাবাসী জানান, সোহাগ মিয়ার দোকানে সব সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকে এবং দোকানের পরিবেশ বেশ গোছানো।

স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক সুজিত দাস বলেন, বাজারের মাঝামাঝি সময়ে এমন একটি দোকান থাকা আমাদের জন্য খুবই সুবিধাজনক। সোহাগ মিয়ার এই ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা ও গ্রাহকসেবার মানসিকতা স্থানীয় ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দিনেও তিনি তার এই সেবার মান ধরে রেখে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম
ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির উদ্যোগে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের মাঝে মোট ৪০০টি বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য বি এম ইউসুফ আলী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী, ঊর্ধ্বতন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (আল-আমিন বীমা প্রকল্প) মো. আবু তাহের, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (জনপ্রিয় বীমা প্রকল্প) মো. কামাল হোসেন মহসিন এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইসলামী ডিপিএস প্রকল্প) মোহাম্মদ খলিলুর রহমান সিকদার।

এ সময় বক্তব্য দেন আল-বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক কে এম বিল্লাল হোসেন, পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. সোলায়মান হোসেন সোহাগ এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির বিভিন্ন প্রকল্পের ইনচার্জরা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মহাব্যবস্থাপক (সমন্বয়কারী, ময়মনসিংহ) সাকিল মাহমুদ।

বক্তারা বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ও সেবার মান অক্ষুণ্ন রেখে দ্রুততম সময়ে বীমা দাবি পরিশোধে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা সম্প্রসারণ, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং বীমা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা গ্রাহকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪০০টি বীমা দাবির চেক তুলে দেন।