শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

শিবলী সাদিক খান।। প্রকাশিত: শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫, ৮:৫৫ পিএম
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যে জ্ঞান অর্জন করা হয়, তা একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটা সময় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিকল্প ছিলো না। কিন্তু বর্তমানে বেসরকারি স্কুল, কিন্ডারগার্টেনের মতো অনেকগুলো বিকল্প তৈরি হয়েছে। ফলে অভিভাবকগণ সুবিধামাফিক নিজ সন্তানদের যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে পারেন।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক দেয়া হচ্ছে। অথচ, বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে পড়ানোর জন্য অভিভাবকদের বহু অর্থব্যয়ের প্রয়োজন হয়। সুতরাং, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিবর্তে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার কথা নয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের যে অবকাঠামো রয়েছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশিরভাগেরই সে অবকাঠামো নেই। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় মানসম্পন্ন এবং তাদের নিয়মিত ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা রয়েছে।

শনিবার সকালে ময়মনসিংহের টাউন হল এডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা। ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারগণের সাথে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লুৎফুন নাহার, প্রাথমিক শিক্ষা ময়মনসিংহের বিভাগীয় উপপরিচালক মোঃ জালাল উদ্দিন, ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ওবায়দুল্লাহ।

উপদেষ্টা আরো বলেন, কর্মঘণ্টা ঠিক রেখে প্রধান শিক্ষকরা রুটিন মডিফাই করতে পারবেন। শহর ও গ্রামে কোন সময়ে পাঠদানের সময় নির্ধারণ করলে ভালো হয়, সেভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে। স্থানীয়ভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে স্কুল বন্ধ রাখতে হলে, শনিবার খোলা রেখে সেটি কাভার দেয়া যেতে পারে। বছরে টোটাল কর্মদিবস মাত্র ১৮৫ দিনের মতো উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এর মধ্যেও অনেক দিন বিভিন্নভাবে নষ্ট হয়। তাই স্কুল শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, স্কুল চলাকালীন সময়ে তারা যেন নিজেদের অন্য কাজে নিয়োজিত না করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, স্কুলের ছুটি কমানোর ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে যৌথভাবে কাজ করার চেষ্টা করবো। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টার্গেটটা ছোট, কিন্তু তা জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে একজন শিক্ষার্থীকে স্বাক্ষর করে গড়ে তোলা হয়। উদ্দেশ্য থাকে শিক্ষার্থী যেন তার নিজের ভাষায় পড়তে, মনের ভাব ব্যক্ত করতে পারে।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সুপার, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর, সহকারী ইন্সট্রাক্টর এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মী।

ময়মনসিংহ মেডিকেল হোস্টেলে সংঘর্ষ: রড-হাতুড়ির আঘাতে দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত, গ্রেফতার ১

নাজমুল হাসান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩২ এম
ময়মনসিংহ মেডিকেল হোস্টেলে সংঘর্ষ: রড-হাতুড়ির আঘাতে দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত, গ্রেফতার ১

ময়মনসিংহ নগরীর বাঘমারা এলাকায় মমেক এর একটি ছাত্রাবাসে ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) সন্ধ্যায় শুরু হওয়া এ ঘটনায় অন্তত দুইজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো হোস্টেল এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সরেজমিনে ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হামিদুর নামের এক শিক্ষার্থী ২০২ নম্বর কক্ষে মোয়াজ নামে আরেক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। এর জের ধরে সন্ধ্যার দিকে হোস্টেল ক্যান্টিনে চা পান করতে গেলে হামিদুরের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় মোয়াজ লোহার রড দিয়ে তাকে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।

আহত হামিদুরকে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

এদিকে রাতে পুলিশ মোয়াজকে গ্রেফতার করতে গেলে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় হামিদুরের পক্ষের নাফিউল নামের আরেক শিক্ষার্থী পুলিশের সামনেই মোয়াজকে লোহার হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে মোয়াজ গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেই নাফিউলকে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনার পর পুরো হোস্টেল এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, র‍্যাব ও ডিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়েছে।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ত্রিশালে ওসির সখ্যতায় এক বছরেও অধরা লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের আসামিরা!

শামীম খান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৯ এম
ত্রিশালে ওসির সখ্যতায় এক বছরেও অধরা লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের আসামিরা!

থানায় মামলা হয়েছে ঠিক এক বছর আগে। দায়েরকৃত এজাহারে সুনির্দিষ্ট ১১ জন আসামির নামসহ ১০-১৫ জন অজ্ঞাতনামার উল্লেখ আছে। আছে লুটপাট, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং প্রাণনাশের হুমকির মতো গুরুতর অভিযোগ। অথচ রহস্যজনক কারণে দীর্ঘ ১২ মাসেও একজন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানা পুলিশ। উল্টো অভিযোগ উঠেছে, তদন্ত কর্মকর্তার সাথে আসামীদের গভীর সখ্যতা আর অনৈতিক লেনদেনের কারণে থমকে আছে বিচারের চাকা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে ত্রিশালের বিয়ার্তা উত্তরের চরে জহির এগ্রো ফার্ম-এ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। বাদী খাদিজা খাতুনের ছেলে মোঃ খাইরুল বাশার হামীমের এই খামারে ঢুকে চারটি দোচালা ঘর ভাঙচুর, প্রায় ২০০ ফলজ ও ওষুধি গাছ নিধন এবং পুকুর থেকে মাছ লুটে নেয় তারা। এখানেই শেষ নয়, খামারে থাকা প্রায় ৫০টি ছাগল (যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ লক্ষ টাকা) জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। বাধা দিতে গেলে খামারের মালিক হামীম, ম্যানেজার মাকসুদুল এবং লেবার মনির হোসেনকে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। প্রাণভয়ে তারা পালিয়ে গেলে ৪নং আসামির হুকুমে ১নং ও ৫নং আসামি পেট্রোল ঢেলে স্টুডিও রুমে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে মূল্যবান ভিডিও ক্যামেরা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, আইপিএস, ফ্রিজ ও এসি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

এই নৃশংস ঘটনার পর ১৬ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে ত্রিশাল থানায় ১৮(০৪)২৫ নং মামলাটি রুজু করেন ওসি মনসুর আহমেদ ও তদন্ত ওসি গোলাম মোস্তফা রুবেল।

কিন্তু আজ পর্যন্ত তদন্তে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। ভুক্তভোগী পরিবারটির অভিযোগ, ত্রিশাল থানার বর্তমান ওসি মনসুর আহমেদ ও ওসি (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা রুবেলের সাথে আসামিদের চরম ঘনিষ্ঠতা রয়েছে।

বাদী খাদিজা খাতুন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পুলিশ সব জেনেও নীরব। আমরা বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি, ওসি তদন্ত আসামিদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তাদের আড়াল করছেন। পর্যাপ্ত সাক্ষী ও প্রমাণ থাকার পরও এক বছরে একজনকেও গ্রেফতার না করা কি স্বাভাবিক? আমরা কি তবে পুলিশের দায়িত্ব অবহেলার কারণে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হব? আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের খুঁজে পাচ্ছে না বলে দায় এড়াচ্ছে। এর ফলে বাদী ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মামলা তুলে নিতে আসামিরা নিয়মিত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, অতি দ্রুত এই মামলাটি পিবিআই বা উচ্চতর কোনো সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক এবং পুলিশের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এই বিষয়ে জানতে ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, আইনের রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় কিংবা অপরাধীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে, তখন সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?

ময়মনসিংহে ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে ভাসুরের ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৯ পিএম
ময়মনসিংহে ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে ভাসুরের ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত

ময়মনসিংহে গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাসুরের ছুরিকাঘাতে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মোছা: সুমি ওরফে সুমা (৩০)।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, নিহত সুমি ফুলবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা মো. অলিউল্লাহর স্ত্রী। ঘটনার সময় অলিউল্লাহ ঘরের পাশের একটি গাছের ডাল কাটছিলেন। এ সময় তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী নাছিমা (৪০) ডাল কাটতে বাধা দিলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি পারিবারিক বিরোধে রূপ নেয় এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এ সময় নাছিমার স্বামী মো. খলিল (৩৫) ঘর থেকে ছুরি এনে সুমার বুকে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত খলিল ও তার স্ত্রী নাছিমাকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।