বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাংবাদিকেরা হবেন কর্পোরেট প্রভাব থেকে মুক্ত: মাহমুদুর রহমান

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৪, ১১:৫৮ এম
সাংবাদিকেরা হবেন কর্পোরেট প্রভাব থেকে মুক্ত: মাহমুদুর রহমান

দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদী আ.লীগের আমলে সত্য প্রচারে সাংবাদিকদের উপর যে চাপ ছিলো তা থেকে আমরা মুক্ত হয়ে নতুন করে স্বাধীনতা পেয়েছি। আমাদের সত্য প্রচারে নির্ভীক হতে হবে। আমরা এমন সাংবাদিকতা দেখতে চাই যেখানে সাংবাদিকেরা হবেন কর্পোরেট প্রভাব থেকে মুক্ত। অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এজন্য আমাদের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করতে হবে। এক্ষেত্রে সম্পাদকদের রাখতে হবে সজাগ দৃষ্টি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সকল মিডিয়াগুলো গণজাগরণ মঞ্চকে প্রমোট করছে। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলায় স্বৈরাচারি হাসিনা সরকার আমাকে নানাভাবে হত্যাচেষ্টা করেছে, আমার উপর অত্যাচার চালিয়েছে। মামলা দিয়েছে। এখন সময় এসেছে। আমাদের স্বাধীন সাংবাদিকতার দিকে ঝুকতে হবে। শুক্রবার রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাব মিলনায়তন, সিটি বাজার (কৈলাশ রঞ্জন স্কুল মার্কেট)-এ রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে ও রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের যৌথ আয়োজনে বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশে কেমন সংবাদ মাধ্যম চাই শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, স্কাইপ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ডিজিটাল আইনের পিতা আইন তথ্য প্রযুক্তি আইন ৫৭/৫৮ ধারায় এ সরকার আমাকে এক নাম্বার আসামি করে মামলা করে। তথ্য প্রযুক্তি আইনের সন্তান হলো সাইবার নিরাপত্তা আইন। আপনারা সাংবাদিকেরা এখন এ আইন নিয়ে কোনো কথা বলেন না।তিনি বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদকে স্বরণকে বলেন, আবু সাঈদের রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এই নতুন স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সাংবাদিকাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে হবে।তিনি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার সম্পাদক-বার্তা সম্পাকদের উদ্দেশে বলেন, কর্পোরেট প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে হবে। কেউ যেন আমাদেরকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ যেন হাসিল করতে না পারে সেই ব্যাপারে আমাদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।অনুষ্ঠানে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে সভাপতি আলহাজ্ব সালেকুজ্জামান সালেকের সভাপতিত্বে ও রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাব এবং রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে সাধারণ সম্পাদক সরকার মাজহারুল মান্নানের সঞ্চলনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দৈনিক আমার দেশের বার্তা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, পরিচালক শাকিল ওয়াহেদ, ইনস্টিডিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ-আইইবি সভাপতি প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, বক্তব্য রাখেন, দৈনিক সংবাদ ও একুশে টিভির ব্যুরো প্রধান এবং রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের সদস্য সচিব লিয়াকত আলী বাদল, রংপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, আমাদের প্রতিদিনের সম্পাদক এবং দৈনিক যুগান্তরের রংপুর ব্যুরো প্রধান মাহবুব রহমান হাবু, দৈনিক দাবানলের সম্পাদক খন্দকার মোস্তফা সরওয়ার অনু, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর হোসেন,এটিএন নিউজের রংপুর প্রতিনিধি মাহবুবুল ইসলাম, রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে সহ-সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মানিক, সিটি প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির মানিক,বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মমিনুল ইসলাম রিপন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক বায়ান্নর আলোর সম্পাদক তাজিদুল ইসলাম লাল, মোহনা টিভির ব্যুরো প্রধান শফিউল করিম শফিক, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা আনছারি, সাঈদ আজিজ চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ বাদশাহ ওসমানী, ক্রীড়া সম্পাদক আঞ্জুমনোয়ারা রেখা, সদস্য কামরুল ইসলাম চুন্নু, চ্যানেল২৪ রংপুর ব্যুরো প্রধান ফখরুল শাহীন, মাহিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি বাবলু নাগ, রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে দপ্তর সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মেজাবাহুল হিমেল, ডেইলি অবজারভারের জেলা প্রতিনিধি লাবনী ইয়াসমিন লুনি, কালবেলার জেলা প্রতিনিধি রেজওয়ান রনি, যুগান্তরের ফটো সাংবাদিক উদয় চন্দ্র বর্মন, ইত্তেফাকের ফটো সাংবাদিক রাশেদ রাব্বী, আমাদের প্রতিদিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ইফতেশাম সায়নাভ, নাগরিক টিভির রংপুর প্রতিনিধি ফাহাদ হোসেন, বাংলা টিভির রংপুর প্রতিনিধি রাফাত হোসেন বাঁধন, রুপালী বাংলাদেশের রংপুর প্রতিনিধি সাহানুর রহমান, এশিয়ান টিভির জেলা প্রতিনিধি মামুন, দৈনিক খবর পত্রের রংপুর প্রতিনিধি নুর ইসলাম চান, সকালের বাণীর স্টাফ রিপোর্টার সেলিম সরকার, বাংলাদেশ বার্তার জেলা প্রতিনিধি আবু রায়হান প্রমুখ।

এসময় রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাব, সিটি প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট-ইলেটনিক ও অনলাইন মিডিয়া কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এর আগে শুক্রবার সকালে তাঁকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন ও রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। পরে তিনি পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

শ্যামপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২:২৫ পিএম
শ্যামপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

রাজধানীর শ্যামপুর থানা শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শাপলা খানমের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, বই বিতরণ-সংক্রান্ত বরাদ্দে অনিয়ম এবং তদন্ত কার্যক্রমে গাফিলতির অভিযোগ এনে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন ২০২৬ তারিখে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে শ্যামপুরের দোলাইরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দিলেও এখন পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, তদন্ত কার্যক্রমে অস্বাভাবিক বিলম্বের কারণে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া ধীরগতিতে পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন ‘স্টার্ট-আপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ আয়োজনেও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় সংসদ সদস্যকে প্রধান অতিথি হিসেবে রাখার কথা থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তিন ব্যক্তির পৃথক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের সুপারিশ করা হলেও পরবর্তী পর্যায়ে কেবল একজনের অভিযোগ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

এ ছাড়া বছরের পর বছর বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তারা বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শ্যামপুর থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শাপলা খানম। তিনি বলেন, “আমি সরকারি বিধি-বিধান মেনেই দায়িত্ব পালন করছি। প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে দোলাইরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রমে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। সরকারি কোনো নির্দেশনা অমান্য করার প্রশ্নই আসে না।”

এ বিষয়ে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, “শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। আমার নির্বাচনী এলাকায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করা বা সরকারি অর্থের অপব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল শিক্ষা খাতে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহে অবৈধ সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কারখানা উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ পিএম
ময়মনসিংহে অবৈধ সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কারখানা উচ্ছেদ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চক শ্যামরামপুর এলাকায় পরিবেশের ক্ষতি করে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে প্রশাসন। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ সাব্বির হুসাইনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে দেখা যায়, কারখানাটি পরিবেশগত ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। এছাড়া কারখানার কার্যক্রমের কারণে স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছিল।

এ ঘটনায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৬(গ) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে মোবাইল কোর্টে দায়ের করা দুটি মামলায় দুই ব্যক্তিকে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এ সময় নদীতীরবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা অস্থায়ী সিসা কারখানাটি উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সিসা গলানোর কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতিও জব্দ করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এ ধরনের অবৈধ শিল্পকারখানার বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাক্ষর জালিয়াতি চক্রের সদস্য আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাক্ষর জালিয়াতি চক্রের সদস্য আটক

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি জালিয়াতি চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদিরের স্বাক্ষর নকল করে জাল দলিল তৈরি করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দলিল নিবন্ধনের সময় নথিপত্র যাচাই করতে গিয়ে বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান জালিয়াতির বিষয়টি শনাক্ত করেন। সন্দেহ হলে তিনি নথি আরও গভীরভাবে পরীক্ষা করেন এবং একপর্যায়ে অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করেন।

পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক ব্যক্তিকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে জালিয়াতি চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।

সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, “দলিল নিবন্ধন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। কোনো ধরনের জালিয়াতি বরদাশত করা হবে না।”

তিনি দলিল নিবন্ধনের সময় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান।