শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারে যা যা করতে পারবে সেনাবাহিনী

ইউটিভি বাংলাদেশ ডেস্ক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১:০৭ এম
ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারে যা যা করতে পারবে সেনাবাহিনী

সারা দেশে আগামী ২ মাস নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করবেন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

আইনের এসব ধারা অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যেসব ক্ষমতা রয়েছে-

ধারা ৬৪ : ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার বা গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়ার এবং হেফাজতে রাখার ক্ষমতা।

ধারা ৬৫ : গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা বা তার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা যার জন্য তিনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।

ধারা ৮৩/৮৪/৮৬ : ওয়ারেন্ট অনুমোদন করার ক্ষমতা বা ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অপসারণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা।

ধারা ৯৫(২) : নথিপত্র ইত্যাদির জন্য ডাক ও টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুসন্ধান এবং আটক করার ক্ষমতা।

ধারা ১০০ : ভুলভাবে বন্দি ব্যক্তিদের হাজির করার জন্য অনুসন্ধান-ওয়ারেন্ট জারি করার ক্ষমতা।

ধারা ১০৫ : সরাসরি তল্লাশি করার ক্ষমতা, তার (ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি) উপস্থিতিতে যে কোনো স্থানে অনুসন্ধানের জন্য তিনি সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন।

ধারা ১০৭ : শান্তি বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।

ধারা ১০৯ : ভবঘুরে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীর ক্ষমতা।

ধারা ১১০ : ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তা প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।

ধারা ১২৬ : জামিনের নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা।

ধারা ১২৭ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার আদেশ দানের ক্ষমতা।

ধারা ১২৮ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য বেসামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা।

ধারা ১৩০ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা।

ধারা ১৩৩ : স্থানীয় উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ক্ষেত্র বিশেষে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা।

ধারা ১৪২ : জনসাধারণের উপদ্রবের ক্ষেত্রে অবিলম্বে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা।

এ ছাড়াও, যে কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর অধীনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার জন্য সরকার এবং সেই সঙ্গে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারের মধ্যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

এই আইনের অধীনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে সংঘটিত অপরাধ বা ঘটনাস্থলে তার বা তার সামনে উন্মোচিত হওয়া অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারেন। অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী অপরাধীকে সাজা দিতে পারেন। তবে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে তা দুই বছরের বেশি হবে না।

ময়মনসিংহে দম্পতির সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ: গালিগালাজ থেকে হত্যার হুমকি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১৩ পিএম
ময়মনসিংহে দম্পতির সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ: গালিগালাজ থেকে হত্যার হুমকি

ময়মনসিংহ শহরের ৮নং ওয়ার্ডের রমেশ সেন রোড, ঠাকুরবাড়ী এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত শফিকুল ও তার স্ত্রী শিল্পীর দীর্ঘদিনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে স্থানীয়রা। তাদের লাগাতার ভয়ভীতি, গালিগালাজ, হামলা ও হুমকির ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে ঘটেছে বড় ধরনের হামলার ঘটনা। লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী মোছাঃ শিল্পী আক্তার (৩০) উল্লেখ করেন, বিবাদী শফিকুল (৩০) ও তার স্ত্রী শিল্পী (২৫) পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রমেশ সেন রোডের ঠাকুরবাড়ী এলাকায় এসে তাকে অকারণে গালিগালাজ করতে থাকে। গালিগালাজ বন্ধ করতে বললে ১নং বিবাদী শফিকুল তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে ধাওয়া করে।

তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে তিনি প্রাণে রক্ষা পান। তবে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো—ঘটনার পর বিবাদীরা পুনরায় তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হুমকি দেয় যে, বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে বা থানায় অভিযোগ করলে তারা সুযোগ পেলে তাকে হত্যা করে গুম করবে এবং উল্টো তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেবে।

অভিযোগকারী শিল্পী আক্তার জানান, বিবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে তার সাথে ঝগড়া, মারধর, হুমকি এবং বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টা করে আসছে। বর্তমানে তিনি গুরুতর সামাজিক ও শারীরিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এলাকার সাধারণ মানুষও এই সন্ত্রাসী আচরণের কারণে আতঙ্কে রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাটির প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী রয়েছেন এবং তদন্ত করলে বিষয়টির সত্যতা প্রমাণ হবে।

এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

ঢাকা-৮ এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ: ঢামেকে আশঙ্কাজনক

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:০৬ পিএম
ঢাকা-৮ এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ: ঢামেকে আশঙ্কাজনক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ জানান, হাদির মাথার ভেতরে গুলি রয়ে গেছে। তিনি বলেন, “হাদিকে যখন আনা হয়, তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। সিপিআর দেওয়ার পর এখন সামান্য রক্তচাপ ফিরে এসেছে। কানের আশপাশে গুলি লেগেছে এবং মাথার ভেতর গুলি রয়েছে।”

এর আগে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বিজয়নগরের পানির ট্যাংক এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুজন দুর্বৃত্ত তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

হাদিকে উদ্ধারকারী মিসবাহ জানান, জুমার নামাজ পড়ে রিকশায় মতিঝিল-বিজয়নগর দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহীরা হঠাৎ গুলি চালায়। গুলি হাদির বাঁ কানের নিচে লাগে। পরে রিকশায় করেই তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “ঘটনার বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি—তিনি রিকশায় ছিলেন, তখনই মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয়।”

উল্লেখ্য, এর আগেও শরিফ ওসমান হাদি হত্যার হুমকি পেয়েছিলেন বলে জানান। গত নভেম্বর মাসে দেশি-বিদেশি অন্তত ৩০টি নম্বর থেকে তাকে হত্যা, বাড়িতে আগুন ও তার পরিবারের নারী সদস্যদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। ১৪ নভেম্বর এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব তথ্য প্রকাশ করেন।

ময়মনসিংহে সন্ত্রাসী হামলায় আহত সাংবাদিকের পায়ের অস্ত্রোপচার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:০০ এম
ময়মনসিংহে সন্ত্রাসী হামলায় আহত সাংবাদিকের পায়ের অস্ত্রোপচার

সংবাদ প্রকাশের জেরে আ’লীগের সন্ত্রাসী সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের বর্বরোচিত হামলার ৪ বছর পর দৈনিক নতুন সময় পত্রিকার ময়মনসিংহ ব্যুরো চীফ মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বলের ডান পায়ের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর ) ইউনিভার্সেল হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক সার্জন অর্থোপেডিক্স ও ট্রমাটোলজী বিভাগের ডাঃ মোহাম্মদ উল্লাহ শিমুল।

ডাঃ শিমুল জানিয়েছেন সাংবাদিক মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বলের ডান পায়ের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পূর্ন হয়েছে। তাকে অন্তত ১মাস ব্যান্ডেস ব্যবহার করে বিশ্রামে থাকতে হবে।

লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ের বেদখলে থাকা এক একর ভুমি সহ অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে “নিজের চরকায় তেল দাও” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে বিদ্যালয়টির তৎকালীন স্ব-ঘোষিত রেক্টর ও চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক মাস্টার এবং তার ছেলে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মতিউর রহমান ফয়সালের লালিত ও পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মোহিত উর রহমান শান্ত’র রাজনৈতিক অনুসারী চরাঞ্চলের কুখ্যাত সন্ত্রাসী মোঃ সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের নেতৃত্বে হামলা করে সাংবাদিক মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল এর হাত-পা গুড়িয়ে দেয়। সন্ত্রাসীদের নির্মম আঘাতে মুমূর্ষু রক্তাক্ত আহত সাংবাদিক মাইন উদ্দিন উজ্জ্বলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর অস্ত্রোপচার করে তার ডান পায়ে রড সংযোজন করা হয়। দীর্ঘ চার বছর পর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকে পরামর্শে পুনরায় অস্ত্রোপচার করে পা থেকে রড অপসারণ হয়।

সাংবাদিক মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল জানান, লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ের অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় আমাকে রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক মাস্টার ও তার ছেলের নির্দেশে শাহীনের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলাসহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তবে শত ব্যথা দুঃখ কষ্টের মাঝেও আমি শান্তি খোঁজে পাচ্ছি যে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে দেশের পটপরিবর্তনের পর এডহক কমিটির সভাপতি এডিসি গোলাম মাসুম প্রধানের তদারকি ও স্থানীয়দের সহায়তায় বিদ্যালয়ের এক একর জমি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এটাই আমার শান্তি ও প্রাপ্তি এবং প্রকাশিত সংবাদের সফলতা। আমি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ন্যায়-নীতির সাথে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে ভুমিকা রাখতে পারি তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।

এসময় সাংবাদিক মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল আক্ষেপ প্রকাশ করে আরও বলেন, সন্ত্রাসী সিদ্দিকুর রহমান শাহীন ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পরেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে (১১ সেপ্টেম্বর) রাজগঞ্জ সাহেব কাচারি বাজারে ‘বন্ধু মহল’ নামে একটি ক্লাব উদ্বোধন করেন। সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মতিউর রহমান ফয়সাল।

দুঃখ প্রকাশ করে আরও বলেন, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় কতিপয় কিছু স্বার্থান্বেষী অর্থলোভী বিএনপি নেতা এই আওয়ামী দোষর ও সন্ত্রাসী শাহিনকে বিএনপিতে পুনর্বাসনের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অপরদিকে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুনের আত্মীয়তায় এজাহার নামীয় আসামি হয়েও বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

তাছাড়া কোতোয়ালী মডেল থানার সদ্য বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের মধ্যস্থতায় নালিশি বৈঠকে সিদ্দিকুর রহমান শাহীন আওয়ামী সন্ত্রাসী প্রমান হওয়ার পর ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বস্ত করলেও বিদায় (ওসি) পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেননি।

কতিপয় বিএনপি নেতা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুনের ভূমিকায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজসহ ফ্যাসিস্ট বিরোধী সমাজের সুশীল সমাজ।

উল্লেখ, বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের নামে দায়েরকৃত আদালতে বিচারাধীন মামলা প্রত্যাহারের জন্য সাংবাদিকের এক একর জমির উপর ফিসারীর যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে ৪ বছরে অন্তত ৬০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে এবং কতিপয় এক বিএনপি নেতার মদদে অদ্যবধি পর্যন্ত ফিসারীর মাছ চাষ বন্ধ রয়েছে। কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং- ৯৮(৩)২০২১ইং।