শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ ১৪৩২
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ ১৪৩২

তরুণ সমাজসেবক মুফতী শরীফুল ইসলাম: চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
তরুণ সমাজসেবক মুফতী শরীফুল ইসলাম: চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু

তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ২ নং কুষ্টিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন। তাকে ঘিরে এলাকার তরুণদের মধ্যে চলছে উৎসাহ উদ্দীপনা। সারা ইউনিয়নে আলোচিত একটাই নাম মুফতী শরীফুল ইসলাম। নতুন প্রার্থী হিসেবে এখুনি ভোটারদের মধ্যে যথেষ্ট সাড়া ফেলেছেন। আশা করা যায় এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে নির্বাচনে ভালো ফলাফল করবেন।

তিনি একাধারে আলেম, সমাজসেবক, রাজনীতিবিদ, ক্রীড়াপ্রেমী, সাহসী এবং প্রতিবাদী।

ময়মনসিংহের সকল লড়াই আন্দোলনের সম্মুখ সারির সাহসী মুখ। ছাত্র হিসেবেও ছিলেন মেধাবী। দাওরায়ে হাদীস এবং ইফতা বিভাগে ১ম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষকতা করছেন অত্যন্ত সুনামের সাথে।

করোনা ভাইরাসের সময় পুরো পৃথিবী যখন স্থবির ছিল তখন তিনি বিভিন্ন জায়গায় রান্নাকরা খাবার বিতরণ ও রোগীদের বিভিন্ন সহযোগিতা করেছেন।

২০২২ এবং ২৪ সালের বন্যার সময়েও ত্রাণ সংগ্রহ ও বিতরণ কার্যক্রম করেছেন।

৫ আগষ্টের পটভূমি পরিবর্তনের পর এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করেছেন। বিশেষ করে বেগুনবাড়ী টু অষ্টধার পাকা রাস্তার কাজ মঞ্জুর, তার নিজ এলাকার রাস্তা ইটের সলিং, ডোবা ভরাট, রাস্তার জন্য মানববন্ধন, বিদ্যাগঞ্জ টু বেগুনবাড়ী রেললাইন সংলগ্ন রাস্তা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি এলাকার মানুষের নজর কেড়েছে।

এলাকাবাসী মনে করেন কর্মঠ, পরিশ্রমী এবং এলাকার জন্য হিতাকাঙ্খী মুফতী শরীফুল ইসলাম যদি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হতে পারেন তাহলে অবহেলিত ২ নং কুষ্টিয়া ইউনিয়নের চিত্র বদলে যাবে। স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কার্যক্রম নিশ্চিত হবে। জনগণের অধিকার আদায়ে মুফতী শরীফুল ইসলামের বিকল্প নেই।

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে অনন্য রেকর্ড ময়মনসিংহের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ মানিকের!

মো. আনোয়ার হোসেন, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৪৬ পিএম
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে অনন্য রেকর্ড ময়মনসিংহের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ মানিকের!

সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর পর বদলি হওয়াটাই স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু কারো কারো ক্ষেত্রে হয়তো এই নিয়ম যেন কেবলই কাগুজে এক বিধান। এমনই এক বিস্ময়কর নজির সৃষ্টি করেছেন ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (ডিআরএস) ডাঃ মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান মানিক।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট তিনি তার বর্তমান কর্মস্থলে যোগদান করেন। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে ঝরে গেছে দীর্ঘ ১০টি বছর। সরকার পরিবর্তন হয়েছে, নীতিমালায় এসেছে রদবদল, কিন্তু ডাঃ মানিকের চেয়ারটি যেন কোনো অদৃশ্য জাদুমন্ত্রে নিজ স্থানেই অটল হয়ে আছে।

একই কর্মস্থলে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অবস্থান করা কেবল অস্বাভাবিকই নয়, বরং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও বদলি নীতিমালা নিয়ে জনমনে তীক্ষ্ণ প্রশ্নের উদ্রেক করে। যেখানে অন্যান্য চিকিৎসকদের ঢাকার বাইরে বা দুর্গম এলাকায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে এই কর্মকর্তার দীর্ঘস্থায়ী অবস্থানের নেপথ্যে কোন ‘আলাদিনের চেরাগ’ কাজ করছে?

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, জনপ্রশাসন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণত তিন বছর অন্তর বদলির বিধান থাকলেও ডাঃ মানিকের ক্ষেত্রে এই নিয়মের ব্যত্যয় কেন? এটি কি নেহাত প্রশাসনিক শিথিলতা, নাকি বড় কোনো অনিয়মের ঢাকা পড়া অংশ? স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘমেয়াদী বদলি নীতিমালার সুফল কি কেবল সাধারণ চিকিৎসকদের জন্যই, প্রভাবশালীদের জন্য নয়?

একই চেয়ারে ১২ বছর অতিবাহিত করা এই অপ্রতিরোধ্য মেডিকেল অফিসারের খুঁটির জোর কোথায়, তা নিয়ে এখন সংশ্লিষ্ট বিভাগে কানাকানি তুঙ্গে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং প্রশাসনের স্থবিরতা ভাঙতে দ্রুতই এই ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ ব্যবস্থার অবসান ঘটবে।

এসংক্রান্তে ময়মনসিংহের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ প্রদীপ কুমার সাহা জানান, “এবিষয়টি উনি অবগত আছেন। দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৯ এম
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৯

হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। হামের লক্ষণ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর আইসোলেশন ওয়ার্ডে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালটিতে মোট ৯ শিশুর মৃত্যু হলো।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গত ১৭ মার্চ নেত্রকোনা সদর থেকে আনা ৩ মাস বয়সী আদিবা নামের এক শিশুকে হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি করা হয়। বুধবার সকাল ৮টার দিকে হামের লক্ষণ, নিউমোনিয়া, তীব্র অপুষ্টি ও হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতায় তার মৃত্যু হয়।

এছাড়া গত ১৮ মার্চ ত্রিশাল থেকে ৮ মাস বয়সী আরেক শিশুকে হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি করা হয়। বুধবার ওই শিশুটিও সন্দেহভাজন হাম, জন্মগত হৃদরোগ, বৃদ্ধি ব্যর্থতা এবং হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতায় মারা যায়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৬ শিশু ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৭৬ শিশু।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গত ১৭ মার্চ থেকে ৯ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ৩২৪ শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ২৩৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এবং ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে আরও ২৬ শিশু।

হাসপাতালের হাম মেডিকেল দলের ফোকাল পারসন সহযোগী অধ্যাপক মোহা. গোলাম মাওলা বলেন, ৩ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের ভর্তি করা হচ্ছে, তবে ৬ মাস থেকে ১ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যাই বেশি। তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

 

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা:

চিকিৎসকরা বলছেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। সময়মতো টিকা গ্রহণ এবং আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা না হলে জটিলতা বাড়তে পারে। অভিভাবকদের শিশুদের জ্বর, চোখ লাল হওয়া, শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহে ১ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ৫১ হাজার টাকাসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ময়মনসিংহে ১ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ৫১ হাজার টাকাসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ময়মনসিংহ নগরীতে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ৫১ হাজার টাকাসহ পাঁচজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাফায়েতের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে নগরীর আকুয়া একাডেমি মোড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে পরিচিত ফরিদা (৪৫), তানজিল (২৮), মনির (৩২), শিহাব (২৬) ও অপর এক সহযোগী।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হলে তাদের কাছ থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ৫১ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।