বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে অনন্য রেকর্ড ময়মনসিংহের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ মানিকের!

মো. আনোয়ার হোসেন, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৪৬ পিএম
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে অনন্য রেকর্ড ময়মনসিংহের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ মানিকের!

সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর পর বদলি হওয়াটাই স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু কারো কারো ক্ষেত্রে হয়তো এই নিয়ম যেন কেবলই কাগুজে এক বিধান। এমনই এক বিস্ময়কর নজির সৃষ্টি করেছেন ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (ডিআরএস) ডাঃ মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান মানিক।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট তিনি তার বর্তমান কর্মস্থলে যোগদান করেন। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে ঝরে গেছে দীর্ঘ ১০টি বছর। সরকার পরিবর্তন হয়েছে, নীতিমালায় এসেছে রদবদল, কিন্তু ডাঃ মানিকের চেয়ারটি যেন কোনো অদৃশ্য জাদুমন্ত্রে নিজ স্থানেই অটল হয়ে আছে।

একই কর্মস্থলে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অবস্থান করা কেবল অস্বাভাবিকই নয়, বরং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও বদলি নীতিমালা নিয়ে জনমনে তীক্ষ্ণ প্রশ্নের উদ্রেক করে। যেখানে অন্যান্য চিকিৎসকদের ঢাকার বাইরে বা দুর্গম এলাকায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে এই কর্মকর্তার দীর্ঘস্থায়ী অবস্থানের নেপথ্যে কোন ‘আলাদিনের চেরাগ’ কাজ করছে?

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, জনপ্রশাসন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণত তিন বছর অন্তর বদলির বিধান থাকলেও ডাঃ মানিকের ক্ষেত্রে এই নিয়মের ব্যত্যয় কেন? এটি কি নেহাত প্রশাসনিক শিথিলতা, নাকি বড় কোনো অনিয়মের ঢাকা পড়া অংশ? স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘমেয়াদী বদলি নীতিমালার সুফল কি কেবল সাধারণ চিকিৎসকদের জন্যই, প্রভাবশালীদের জন্য নয়?

একই চেয়ারে ১২ বছর অতিবাহিত করা এই অপ্রতিরোধ্য মেডিকেল অফিসারের খুঁটির জোর কোথায়, তা নিয়ে এখন সংশ্লিষ্ট বিভাগে কানাকানি তুঙ্গে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং প্রশাসনের স্থবিরতা ভাঙতে দ্রুতই এই ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ ব্যবস্থার অবসান ঘটবে।

এসংক্রান্তে ময়মনসিংহের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ প্রদীপ কুমার সাহা জানান, “এবিষয়টি উনি অবগত আছেন। দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মিঠামইনে নদীতে দুই ভাইয়ের ওপর হামলা, বল্লমের আঘাতে নিহত ১

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন।। প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৩:১৯ পিএম
মিঠামইনে নদীতে দুই ভাইয়ের ওপর হামলা, বল্লমের আঘাতে নিহত ১

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘোড়াউত্রা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের হামলায় সাইদুর রহমান (৩০) নামে এক জেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার ভাই আনিসুর রহমান (২৭)।

নিহত সাইদুর রহমান উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের ধলাই গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, বুধবার (২৭ মে) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে গোপদিঘী ইউনিয়নের ধলাই গ্রামের দুই ভাই সাইদুর ও আনিসুর বাড়ির পাশের ঘোড়াউত্রা নদীতে রিং জাল দিয়ে মাছ ধরতে যান। এ সময় মুখোশধারী অজ্ঞাতনামা চার ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা দুই ভাইকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে নদীতে ফেলে দেয়। একপর্যায়ে সাইদুরকে বাঁধা অবস্থায় পানিতে ফেলে বল্লম দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তিনি পানিতে তলিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আহত আনিসুর রহমান বর্তমানে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লিয়াকত আলী সাইদুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চিকিৎসকের প্রাথমিক ভাষ্যমতে নিহতের ফুসফুসের উপরের অংশে আঘাতের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

পিকআপ-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঝরে গেল বাবা-মা ও সন্তানের প্রাণ

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম
পিকআপ-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঝরে গেল বাবা-মা ও সন্তানের প্রাণ

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অলওয়েদার সড়কের ভাতশালা সেতু এলাকায় পিকআপ ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন: মিঠামইন উপজেলা সদরের মহিষারকান্দি গ্রামের মনির হোসেন (৩৭), তার স্ত্রী মুন্নি আক্তার (৩০) এবং তাদের ছেলে মুহাম্মদ আয়ান (১০)।

সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনির হোসেন তার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে অষ্টগ্রাম থেকে মিঠামইনের দিকে ফিরছিলেন। পথে ভাতশালা সেতু এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা চালবোঝাই একটি পিকআপের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে পিকআপ চালককে আটক করেন এবং পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কবি নজরুল আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আরিফ রব্বানী, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১২:২০ এম
কবি নজরুল আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘কবি নজরুলের জীবন ও কর্ম বিশ্বসাহিত্যের দরবারে আরও বেশি ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর জীবনবোধ ও দর্শন প্রজন্মের পর প্রজন্মে পৌঁছে দিতে হবে। এ লক্ষ্যেই জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালকে “নজরুল সিটি” হিসেবে ঘোষণা করা যায় কি না, সে বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও পর্যটন বিভাগের প্রতি আহ্বান জানাব।’

শনিবার (২৩ মে) ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এক অবিভাজ্য সত্তা। তিনি আমাদের জাতীয় সত্তার সার্থক প্রতিনিধি, জাতীয় চেতনার প্রতীক এবং জাতীয়তাবাদের প্রতীক।’

তিনি বলেন, শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে কঠোর বিচার নিশ্চিত করা হবে।

ঢাকার মিরপুরের আলোচিত শিশু হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি নিষ্পাপ শিশুর নির্মম মৃত্যু আমাদের মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের প্রমাণ। এ ধরনের শিশু বা নারী নির্যাতন বর্তমান সরকার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। শিশুটির হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি আগামী এক মাসের মধ্যে নিশ্চিত করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধ করার সাহস না পায়।’

একটি নিরাপদ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে আইনের শাসনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের পাশাপাশি আমাদের জাতীয় জীবনে ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণ ঘটাতে হবে। এ ক্ষেত্রেও কবি নজরুলের জীবন ও কর্ম আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।’

অনুষ্ঠানে বক্তব্যের আগে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রকাশিত ‘নজরুল স্মরণিকা’র মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া কবি নজরুল বিষয়ে গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কয়েকজনকে ‘নজরুল পুরস্কার’ প্রদান করা হয়।

পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান এবং স্মারক বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তারিক মনজুর।

অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কবিপৌত্রী ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান খিলখিল কাজী এবং ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. লতিফুল ইসলাম।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং নজরুল মেলা পরিদর্শন করেন।

এর আগে দুপুরে ত্রিশাল উপজেলায় ‘ধরার খাল’ পুনঃখননের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে খালটি খনন করেছিলেন। প্রায় ৪৭ বছর পর পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি খালপাড়ে একটি তালগাছের চারা রোপণ করেন।

খাল পুনঃখনন উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো অন্যায়কারীর বিচার করতে হলে সরকারকে নিয়ম ও আইন মেনে চলতে হয়। কিন্তু কিছু মানুষ রাস্তাঘাট বন্ধ, যান চলাচলে বাধা ও উত্তেজনা সৃষ্টির মাধ্যমে আইনের শাসন ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ও দেশে কিছু দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছিল। তখন আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু যারা আজ উচ্চকণ্ঠ, তাদের অনেককেই তখন মাঠে দেখা যায়নি।’

অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে খেটে খাওয়া মানুষ।’

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ইউনিফর্ম ও স্কুলব্যাগ বিতরণের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার গঠন করতে পারলে গ্রামীণ এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নতুন পোশাক ও ব্যাগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেই কাজ চলছে। ইনশা আল্লাহ, জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক শিক্ষার্থীর কাছে নতুন পোশাক ও স্কুলব্যাগ পৌঁছে দেওয়া হবে।’

ধরার খাল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খালটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশেষ করে কৃষকরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। পুনঃখনন সম্পন্ন হলে প্রায় ৪ হাজার ৩০০ কৃষক এবং প্রায় ২০ হাজার মানুষ উপকৃত হবেন। সমগ্র ময়মনসিংহ জেলায় প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের প্রয়োজন রয়েছে।’

পরে বিকেল ৫টায় ত্রিশাল নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ দক্ষিণ ও উত্তর জেলা বিএনপি এবং মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে দলীয় সাংগঠনিক বিষয়ক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।