মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

ময়মনসিংহে মহিলাদল নেত্রী শিরিনা ও তার সহযোগী ঝরনা হানিট্র্যাপ মামলায় গ্রেফতার 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ২:৩১ এম
ময়মনসিংহে মহিলাদল নেত্রী শিরিনা ও তার সহযোগী ঝরনা হানিট্র্যাপ মামলায় গ্রেফতার 

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা মহিলাদলের প্রচার সম্পাদক শিরিনা আক্তার ও তার সহযোগী ঝরনাকে হানিট্র্যাপ মামলায় গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নগরীর আলমগীর মুনসুর মেমোরিয়াল (মিন্টু) কলেজ এলাকা থেকে দুপুরে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ত্রিশালের ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শামীমকে হানিট্র্যাপের অভিযোগে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা রুজু হয়। যার নং-৮২ তাং ২৯/২৬।

উল্লিখিত মামলায় এর আগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হলেও অভিযোগের মূল পরিকল্পনাকারী শিরিনা আক্তার পলাতক ছিল। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই সাফায়েত হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে (৭ জুলাই) শিরিনাসহ ২জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারের পর ত্রিশালের কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র নারীদের ব্যবহার করে পুরুষদের ফাঁদে ফেলে অর্থ ও মূল্যবান জিনিসপত্র হাতিয়ে নিত। তাদের অভিযোগ, শিরিনা আক্তার ওই চক্রের মুলহোতা।

স্থানীয়দের আরও দাবি, এর আগে ত্রিশালের বালিপাড়া এলাকা থেকে শফিকুল ইসলামের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে অন্তরকে অপহরণ করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল শিরিনা চক্র।

আরো জানা যায়, বালিপাড়া ইউনিয়নের সামাল মেম্বারের ছেলে শামীম বলেন, শিরিনা ও ঝরনা আমাকে ধর্ষণের মতো স্পর্শ কাতর মিথ্যা মামলায় ফাঁসায় বলে গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন।

ত্রিশালের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কয়েকজন কর্মী বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তিতে এমন অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির রাজনৈতিক ব্যানার-ফেস্টুনে বিব্রত হয়েছিলেন ত্রিশালবাসী। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোড় দাবী জানান। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকেও এ ধরনের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে ত্রিশাল বিএনপির কয়েকজন নেতা বলেন, ত্রিশালে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দল বদ্ধপরিকর। যদি কোনো নেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়, তাহলে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি বাঘমারা একটি বাসায় হানিট্র্যাপের ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় হানিট্র্যাপ মামলার এজাহার নামীয় আসামী শিরিনাসহ দুইজনকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ নগরী থেকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে একই মামলায় তিনজনসহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। বাকিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ওসি আরো জানান, এই হানিট্র্যাপ চক্রটি বিশাল বড়। এর সাথে আরও অনেকেই জড়িত রয়েছে। এদেরকে ওয়াইট কালার অপরাধী বলা যায় কারণ দেখতে সবাই ভদ্রবেশী কিন্তু তাদের কৃতকর্ম ব্ল্যাক কালার।

শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রমে হাওরের ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক রক্ষার চেষ্টা

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৩ এম
শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রমে হাওরের ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক রক্ষার চেষ্টা

টানা বৃষ্টিতে পানির স্রোতে রাস্তার নিচের বালু ও মাটি সরে গিয়ে ধসের ঝুঁকিতে পড়েছে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া-কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে এবার নিজেদের উদ্যোগেই সড়কটি রক্ষায় নেমেছেন স্থানীয় তিলিখাই রওজাতুল কুরআন আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাওরের বুক চিরে নির্মিত এই সড়কের দুই পাশের সিসি ব্লকের নিচ দিয়ে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করায় বালু ও মাটি সরে যাচ্ছে। এতে বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কয়েকটি সিসি ব্লক দেবে গেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার না করা হলে সড়কটির বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাশ্রমে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে বালু ও মাটি ভরাট করছেন। পাশাপাশি পানির স্রোতের তীব্রতা কমাতে রাস্তার পাশে কচুরিপানা ফেলে অস্থায়ীভাবে ভাঙন রোধেরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন ক্লাসের ফাঁকে শিক্ষার্থীরা এ কাজে অংশ নিচ্ছে।

তিলিখাই রওজাতুল কুরআন আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি আব্দুল মুমিন বলেন, “বৃষ্টির পানি সিসি ব্লকের নিচ দিয়ে প্রবেশ করে বালু ও মাটি সরিয়ে নিচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার না করা হলে হাওরের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা যতটুকু সম্ভব সড়কটি রক্ষার চেষ্টা করছি।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, ঘাগড়া-কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা এই সড়ক। এটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষকসহ হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হবে।

এ অবস্থায় সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

ময়মনসিংহে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত, নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান বিভাগীয় কমিশনারের

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৯ পিএম
ময়মনসিংহে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত, নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান বিভাগীয় কমিশনারের

ময়মনসিংহে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগের আয়োজনে এবং ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সকালে জেলা পরিষদের ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, আমরা নিজেদের সভ্য ও শিক্ষিত মনে করলেও নাগরিক আচরণের ক্ষেত্রে এখনও অনেক পিছিয়ে আছি। আচরণগত পরিবর্তন না এলে শুধু সভা-সেমিনার করে পরিবেশ রক্ষা সম্ভব নয়। জলাবদ্ধতার জন্য শুধু প্রশাসনকে দায়ী করলে হবে না; নাগরিকদের অসচেতন কর্মকাণ্ডও এর জন্য সমানভাবে দায়ী। ফুটপাত দখল, যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলা এবং নাগরিক দায়িত্ব পালনে অনীহা এসব সমস্যার সমাধান না হলে জলাবদ্ধতা নিরসন কঠিন হবে।

তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় হর্নের ব্যবহার অবশ্যই কমাতে হবে। তবে মানুষ যদি ফুটপাত ব্যবহার করে এবং সড়ক দখল ও ময়লামুক্ত রাখা যায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই হর্নের ব্যবহারও কমে আসবে। পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে এগোতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধ পণ্যের প্রতি মানুষের নির্ভরশীলতা কমাতে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে তাপপ্রবাহ, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই বেশি বেশি গাছ লাগানোর পাশাপাশি বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণ করতে হবে। সরকার ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ কর্মসূচি সফল করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মুরাদ আহমেদ ফারুখ।

স্বাগত বক্তব্যে পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক শেখ মো. নাজমুল হুদা বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সব পর্যায়ে পরিবেশ সংরক্ষণমূলক কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানান।

আলোচনা সভা শেষে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বিতর্ক ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, পরিবেশবিদ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহে শীর্ষ মাদক কারবারিদের সঙ্গে মাদক কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:০০ পিএম
ময়মনসিংহে শীর্ষ মাদক কারবারিদের সঙ্গে মাদক কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরীতে শীর্ষ মাদক কারবারিদের সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তার যোগসাজশ ও নিয়মিত অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, নগরীর প্রভাবশালী ইয়াবা ও হেরোইন কারবারিদের কাছ থেকে প্রশাসনের নামে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করা হয়। তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রামাণ্য নথি বা সরকারি তদন্তের তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।

অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক এসআই মাসুদ ও এক সদস্য সালমানের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সদর পরিদর্শক আমিনুন কবির বদলির পর তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। অভিযোগকারীদের দাবি, নগরীর শীর্ষ মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান অভিযান বা গ্রেপ্তার দেখা যায় না।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, ময়মনসিংহ নগরীতে অন্তত ২০ জন প্রভাবশালী মাদক কারবারি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও হেরোইনের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তারা প্রকাশ্যে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কারবারি নগরীর বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও গ্রামাঞ্চলে মাদক সরবরাহ করে থাকে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কেওয়াটখালী, পাটগুদাম, পুরোহিতপাড়া, সানকিপাড়া, রহমতপুর, আকুয়া, চুখাইতলা ও ওয়ারলেস গেটসহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েকজন কথিত মাদক কারবারি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও হেরোইনের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তারা আইনের আওতার বাইরে থেকে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া নগরীতে প্রায় ৩০০ ছোট-বড় মাদক কারবারি সক্রিয় রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, মাঝেমধ্যে খুচরা কারবারিদের আটক করা হলেও শীর্ষ পর্যায়ের কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে নগরীতে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি আসছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু মাদক ব্যবসায়ী দম্ভের সঙ্গে দাবি করে যে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে তাদের যোগাযোগ থাকায় তারা নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এসআই মাসুদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।