রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

সাংবাদিকেরা হবেন কর্পোরেট প্রভাব থেকে মুক্ত: মাহমুদুর রহমান

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৪, ১১:৫৮ এম
সাংবাদিকেরা হবেন কর্পোরেট প্রভাব থেকে মুক্ত: মাহমুদুর রহমান

দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদী আ.লীগের আমলে সত্য প্রচারে সাংবাদিকদের উপর যে চাপ ছিলো তা থেকে আমরা মুক্ত হয়ে নতুন করে স্বাধীনতা পেয়েছি। আমাদের সত্য প্রচারে নির্ভীক হতে হবে। আমরা এমন সাংবাদিকতা দেখতে চাই যেখানে সাংবাদিকেরা হবেন কর্পোরেট প্রভাব থেকে মুক্ত। অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এজন্য আমাদের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করতে হবে। এক্ষেত্রে সম্পাদকদের রাখতে হবে সজাগ দৃষ্টি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সকল মিডিয়াগুলো গণজাগরণ মঞ্চকে প্রমোট করছে। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলায় স্বৈরাচারি হাসিনা সরকার আমাকে নানাভাবে হত্যাচেষ্টা করেছে, আমার উপর অত্যাচার চালিয়েছে। মামলা দিয়েছে। এখন সময় এসেছে। আমাদের স্বাধীন সাংবাদিকতার দিকে ঝুকতে হবে। শুক্রবার রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাব মিলনায়তন, সিটি বাজার (কৈলাশ রঞ্জন স্কুল মার্কেট)-এ রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে ও রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের যৌথ আয়োজনে বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশে কেমন সংবাদ মাধ্যম চাই শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, স্কাইপ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ডিজিটাল আইনের পিতা আইন তথ্য প্রযুক্তি আইন ৫৭/৫৮ ধারায় এ সরকার আমাকে এক নাম্বার আসামি করে মামলা করে। তথ্য প্রযুক্তি আইনের সন্তান হলো সাইবার নিরাপত্তা আইন। আপনারা সাংবাদিকেরা এখন এ আইন নিয়ে কোনো কথা বলেন না।তিনি বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদকে স্বরণকে বলেন, আবু সাঈদের রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এই নতুন স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সাংবাদিকাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে হবে।তিনি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার সম্পাদক-বার্তা সম্পাকদের উদ্দেশে বলেন, কর্পোরেট প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে হবে। কেউ যেন আমাদেরকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ যেন হাসিল করতে না পারে সেই ব্যাপারে আমাদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।অনুষ্ঠানে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে সভাপতি আলহাজ্ব সালেকুজ্জামান সালেকের সভাপতিত্বে ও রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাব এবং রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে সাধারণ সম্পাদক সরকার মাজহারুল মান্নানের সঞ্চলনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দৈনিক আমার দেশের বার্তা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, পরিচালক শাকিল ওয়াহেদ, ইনস্টিডিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ-আইইবি সভাপতি প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, বক্তব্য রাখেন, দৈনিক সংবাদ ও একুশে টিভির ব্যুরো প্রধান এবং রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের সদস্য সচিব লিয়াকত আলী বাদল, রংপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, আমাদের প্রতিদিনের সম্পাদক এবং দৈনিক যুগান্তরের রংপুর ব্যুরো প্রধান মাহবুব রহমান হাবু, দৈনিক দাবানলের সম্পাদক খন্দকার মোস্তফা সরওয়ার অনু, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর হোসেন,এটিএন নিউজের রংপুর প্রতিনিধি মাহবুবুল ইসলাম, রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে সহ-সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মানিক, সিটি প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির মানিক,বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মমিনুল ইসলাম রিপন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক বায়ান্নর আলোর সম্পাদক তাজিদুল ইসলাম লাল, মোহনা টিভির ব্যুরো প্রধান শফিউল করিম শফিক, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা আনছারি, সাঈদ আজিজ চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ বাদশাহ ওসমানী, ক্রীড়া সম্পাদক আঞ্জুমনোয়ারা রেখা, সদস্য কামরুল ইসলাম চুন্নু, চ্যানেল২৪ রংপুর ব্যুরো প্রধান ফখরুল শাহীন, মাহিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি বাবলু নাগ, রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে দপ্তর সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মেজাবাহুল হিমেল, ডেইলি অবজারভারের জেলা প্রতিনিধি লাবনী ইয়াসমিন লুনি, কালবেলার জেলা প্রতিনিধি রেজওয়ান রনি, যুগান্তরের ফটো সাংবাদিক উদয় চন্দ্র বর্মন, ইত্তেফাকের ফটো সাংবাদিক রাশেদ রাব্বী, আমাদের প্রতিদিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ইফতেশাম সায়নাভ, নাগরিক টিভির রংপুর প্রতিনিধি ফাহাদ হোসেন, বাংলা টিভির রংপুর প্রতিনিধি রাফাত হোসেন বাঁধন, রুপালী বাংলাদেশের রংপুর প্রতিনিধি সাহানুর রহমান, এশিয়ান টিভির জেলা প্রতিনিধি মামুন, দৈনিক খবর পত্রের রংপুর প্রতিনিধি নুর ইসলাম চান, সকালের বাণীর স্টাফ রিপোর্টার সেলিম সরকার, বাংলাদেশ বার্তার জেলা প্রতিনিধি আবু রায়হান প্রমুখ।

এসময় রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাব, সিটি প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট-ইলেটনিক ও অনলাইন মিডিয়া কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এর আগে শুক্রবার সকালে তাঁকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন ও রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। পরে তিনি পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:১৯ এম
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। এ প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল ও নগদ অর্থ পুরস্কার গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী খুদে ফুটবলার মিতুল হাসান।

মিতুল হাসান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ২ নম্বর পুটিজানা ইউনিয়নের মৌহাতলা এলাকার বাসিন্দা মুরাদ হাসানের ১৩ বছর বয়সী ছেলে। বর্তমানে সে ত্রিশাল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল তার অদম্য আগ্রহ। প্রতিবেশী রিফাত আহমেদ রিজভীর হাত ধরে শিবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবলের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে নিজের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে ফুলবাড়িয়ার কেশরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত কেএনবিএস যুব স্পোর্টিং একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে মিতুল।

পড়ালেখার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কারণে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর দ্রুতই সে স্কুল দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়। তার অসাধারণ নৈপুণ্যের সুবাদে দলটি বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার্সআপ খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল গ্রহণ করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিতুল। সে জানায়, এই স্বীকৃতি তার ভবিষ্যৎ ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মিতুলের এই সাফল্যে ফুলবাড়িয়া, ত্রিশালসহ সমগ্র ময়মনসিংহ অঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, মিতুলের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হবে।

বিএমইউজে ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
বিএমইউজে ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) ফেনী জেলা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকালে ফেনী শহরের একটি রেস্টুরেন্টে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আনোয়ার হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন – সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান ও মো. গাজিউল হক; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী নুরুল আলম নিলু ও মো. আতিকুর রহমান রোজেন; সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর হৃদয়; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নিমাই চন্দ্র মজুমদার; কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান পলাশ; সহ-কোষাধ্যক্ষ মহি উদ্দিন মিয়াজী সেজু; দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম তোতা; সহ-দপ্তর সম্পাদক ফখরুল ইসলাম জুয়েল।

এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রচার সম্পাদক হিসেবে আরাফাত হোসেন এবং ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মিলন নির্বাচিত হন।

নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, মোহাম্মদ শেখ কামাল, মো. ওবায়দুল হক, জহিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, আফতাব হোসেন মমিন ভূঁইয়া ও আলাউদ্দিন সবুজ।

সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন আমির হোসেন তানভীর, জিয়া উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, জাফর ইমাম রতন এবং জহিরুল ইসলাম খান।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

শিবলী সাদিক খান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৬:৪০ পিএম
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০টি পরিবারের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। একই দিনে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করা হয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ময়মনসিংহ জেলা সার্কেলের যৌথ আয়োজনে এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, “আজকের এই আয়োজন মানবিক হলেও এটি আনন্দের নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হলেও তাদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কখনোই পূরণ হওয়ার নয়।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলেও বাংলাদেশে এর হার উদ্বেগজনক। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলেও জনগণের সচেতনতার বিকল্প নেই। রাস্তা পারাপারে সতর্কতা অবলম্বন, ফুটপাত ও মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখা এবং সড়ক আইন মেনে চলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সড়ক আইন সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও সড়ক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। যানবাহন চালকদের ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে হবে এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে করতে গাড়ি চালানো কিংবা রাস্তা পার হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধি, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রধান অতিথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী সরকারের ঘোষিত “পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি”-এর অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ জেলা লেডিস ক্লাব প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।