বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

চাঁদাবাজ চক্রের হাত থেকে পরিবহন সেক্টর বাঁচাতে হবে- গোলাম মোহাম্মদ কাদের

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:১৮ পিএম
চাঁদাবাজ চক্রের হাত থেকে পরিবহন সেক্টর বাঁচাতে হবে- গোলাম মোহাম্মদ কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, চাঁদাবাজ চক্রের হাত থেক পরিবহন সেক্টর বাঁচাতে হবে। তিনি বলেন, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের বাঁচাতে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। পরিবহন মালিকদের দাবি… সড়কের চাঁদার জন্য গণপরিবহনের ভাড়া বেড়ে যায়। গণপরিবহণের ড্রাইভার ও হেলপার নিয়োগ দেয় শ্রমিক ইউনিয়ন, মালিকদের কর্তত্ব থাকেনা। কেউ প্রতিবাদ করলে তার জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবহণ মালিক ও শ্রমিকদের চাঁদাবাজ চক্রের হাত থেকে মুক্তি দিতে হবে। পরিবহন সেক্টরের সংস্কারও জরুরি হয়ে পড়েছে। আজ দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় জাতীয় মটর শ্রমিক পার্টির সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় গোলাম মোহাম্মদ কাদের এ কথা বলেন।

 

এসময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, শেখ হাসিনা দেশ ছেড়েছে এটা আল্লাহর রহমত। এদেশের ছাত্র-জনতা গুলির সামনে বুক পেতে দিয়ে স্বৈরাচার হাসিনার পতন নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এত বড় আন্দোলনের নজির নেই। আন্দোলনে এত নির্যাতন আর হত্যাযজ্ঞের ইতিহাসও নেই আমাদের দেশে। আমাদের বীর সন্তানরা জীবন দিয়ে স্বৈরাচারের পতন নিশ্চিত করেছে, যা আমরা পারিনি। শেখ হাসিনার পতন না হলে একদলীয় সরকার ব্যবস্থা কায়েম হতো। দেশে মাত্র একটি দলই থাকতো।

 

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরো বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন জাতীয় পার্টি বর্জন করেছিলো। আমাদের নেতা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে চিকিৎসার নামে সিএমএইচে আটক করা হয়। তাঁর নির্দেশে আমি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেই । আমিসহ জাতীয় পার্টির ২৭০ জন নির্বাচন বর্জন করি। ২০১৪ সালের সংসদে আমি যাইনি। মঞ্জুর হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন চাপে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে সংসদে যেতে বাধ্য করে আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি না গেলেও উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভাসহ বেশ কিছু নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলো বিএনপি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপিসহ প্রায় সকল দলই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলো। আমরাও সেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। ২০২৪ সালের নির্বাচনে আমরা যেতে চাইনি। আমাদের নির্বাচনে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। আমাদের দল মাঝে বিভাজন সৃষ্টি কারেছিলো আওয়ামী লীগ। একটি গোষ্ঠীকে আমাদের দল ও প্রতিকের নামে কাউন্সিল করতে অন্যায় ভাবে অনুমতি দিয়েছিলো তারা। হাস্যকর একটি মামলায় আমাকে রাজনীতি থেকে চার মাসের বেশি সময় দূরে রাখা হয়েছিলো। আমরা নির্বাচন বর্জন করতে সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিলোম, সব কিছুই রেডি ছিলো। কিন্তু বিভিন্ন আইন শৃংখলা রক্ষাবাহিনীর সদস্য ও বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা আমাদের অফিস কর্ডন করে রাখে। আমাদের নির্বাচন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে দেয়নি, এটা সবাই জানে। এখন কথা হচ্ছে, ২০১৪ সালের নির্বাচনেও আমাদের বাধ্য করে নির্বাচনে নেয়া হয়েছে। কিন্তু বিএনপি ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন না করলেও তো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলো। আবার ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তো বিএনপি অংশ নিয়েছিলো। বিএনপির এমপিরা তো চার বছর সংসদে সক্রিয় অংশ নিয়েছিলো। বাধ্য হয়ে জাতীয় পার্টির ২০২৪ সালের নির্বাচনে যাওয়া যদি আওয়ামী লীগের নির্বাচনকে বৈধতা দেয়া হয় তাহলে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন ও ২০১৪ সালের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপি কি আওয়ামী লীগের নির্বাচনকে বৈধতা দেয়নি?

 

জাতীয় মটর শ্রমিক পার্টির সাথে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব মীর আব্দুস সবুর আসুদ, এ্যাড. মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান আতিক, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব মনিরুল ইসলাম মিলন, প্রেসিডিয়াম সদস্য জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মনির আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার মইনুর রাব্বী চৌধুরী রুম্মন, ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ সেলিম, আহাদ ইউ চৌধুরী শাহীন, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ সামছুল হক, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য এমএ রাজ্জাক খান, ইঞ্জিনিয়ার এলাহান উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড. আবু তৈয়ব, মাহমুদ আলম, সমরেশ মন্ডল মানিক, হাফেজ ক্বারী ইসারুহুল্লাহ আসিফ, কেন্দ্রীয় নেতা মোঃ জাকির হোসেন, কাজী মামুন, একেএম নুরুজ্জামান জামান।

 

জাতীয় মটর শ্রমিক পার্টির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শিপন এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আব্দুর রহিম এর সঞ্চালনায় জাতীয় মটর শ্রমিক পার্টির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ গোলাম মোস্তফা গোলাম, মোস্তফা ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, আব্দুল বারেক শেখ, মোঃ ইউসুফ, মোঃ শেখ শরীফ, মোঃ সুমন হাওলাদার, মোঃ লিটন সরকার, মোঃ লুৎফর হোসেন, সুজন মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, মোঃ ওসমান গণি, মোঃ চান মিয়া, মোঃ খলিলুর রহমান, ডা. মোজাহিদ, মিজানুর রহমান ও সাখাওয়াত হোসেন দুলাল, ইঞ্জিনিয়ার বিএম এরশাদ, মোঃ রফিক খান, এনায়েত হোসেন খোকন, মোঃ হাফেজ মাওলানা ওয়াইসকরোনী, মোঃ মাহবুব হোসেন, আলী আহমেদ সুজন।

এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৪০ পিএম
এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা এম.এস.এ আরেফিন।

এম.এস.এ আরেফিনের পিতার নাম মহিউদ্দিন মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৩ নং কুশমাইল ইউনিয়নের কুশমাইল ধামর কাচারি (নায়েব বাড়ী) গ্রামের বাসিন্দা।

শিক্ষাজীবনে তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ২০১৩ সালে ফুলবাড়িয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ২০১৫ সালে ফুলবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি আনন্দমোহন কলেজের গণিত বিভাগ থেকে ২০১৬-১৭ সেশনে বিএসসি (সম্মান) এবং একই বিভাগ থেকে এমএসসি (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা এম.এস.এ আরেফিন পূর্বে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি “লাইট অফ ট্রিমস ইউথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি” ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজপথে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়েছে।

তার এই নির্বাচনে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এম.এস.এ আরেফিন তার মেধা, যোগ্যতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবেন।

আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১২:৩২ এম
আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তরুণ, ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা আছিফুজ্জামান অসীম। সংগঠনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নেতাকর্মীদের মাঝে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

ছাত্র রাজনীতির ধারাবাহিকতায় আছিফুজ্জামান অসীম সবসময়ই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে মহানগর ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, আছিফুজ্জামান অসীম একজন পরিশ্রমী, সাহসী ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ময়মনসিংহে সরকারি হালট দখল, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী- ইউএনও বরাবর অভিযোগ

মো: সোহেল মিয়া, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:২৫ পিএম
ময়মনসিংহে সরকারি হালট দখল, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী- ইউএনও বরাবর অভিযোগ

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় সরকারি ‘হালট’ (চলাচলের রাস্তা) অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং এর সঠিক সীমানা নির্ধারণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আবেদন সূত্রে জানা গেছে, তারাকান্দা উপজেলার কাকনী মৌজার ১০৪৩ নং দাগে একটি সরকারি হালট বিদ্যমান। এই রাস্তাটি কাকনী ফকির মার্কেটের পেছন থেকে জয়নালের বাড়ি হয়ে কাকনী পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পেছন পর্যন্ত বিস্তৃত। অভিযোগ উঠেছে যে, জনগুরুত্বপূর্ণ এই হালটটির অধিকাংশ অংশই বর্তমানে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে।

হালটটি দখল হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ এবং স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মূল রাস্তাটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় মানুষ নিরুপায় হয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে ঘুরে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে করে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “আগে এই রাস্তা দিয়ে সহজেই বাজার ও স্কুলে যাওয়া যেত। এখন দখল হয়ে যাওয়ায় আমাদের অনেক দূর ঘুরে যেতে হচ্ছে, বিশেষ করে শিশুদের খুব কষ্ট হচ্ছে।”

আরেক বাসিন্দা রহিমা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষ। এই রাস্তা আমাদের একমাত্র ভরসা ছিল। এখন দখল হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।”

এলাকাবাসীর পক্ষে আব্দুল হান্নান খান স্বাক্ষরিত এই আবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত সরকারি সার্ভেয়ার নিয়োগের মাধ্যমে জমি পরিমাপ করে হালটের সীমানা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। একই সাথে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রাস্তাটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।