বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের সহযোগী কালা মাগুর

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৮ এম
কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের সহযোগী কালা মাগুর

ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীর পক্ষে দালালি করেছে কালা মাগুর খ্যাত শাহীন গাজী নামে এক সাংবাদিক। সে স্থানীয় কয়েক সাংবাদিককে ভুল বুঝিয়ে প্রভাবিত করে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীর পক্ষ হয়ে অভিযোগ দায়ের করিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কালা মাগুর খ্যাত ওই সাংবাদিক দেশের স্বনামধন্য একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনে কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন।

জানা গেছে , অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীর নাম আমিনুল ইসলাম আনিস। সে দীর্ঘদিন ধরে কেরানীগঞ্জে গোডাউন নিয়ে অবৈধ পলিথিন মজুদ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে থাকে।

এ নিয়ে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আনিসের বিপুল পরিমাণ অবৈধ পলিথিন জব্দ হয় এবং সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা ও আনিস কে জরিমানা করা হয়। অবৈধ পলিথিন জব্দ বিষয় সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করে । এরপর দালাল ধরে আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস। আর যাদের ম্যানেজ করতে না পারে তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয় অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস ও তার সহযোগী কিছু দালাল।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকা থেকে অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের কিছু মালামাল লুট হয়েছে। সে মর্মে তারা একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে ইস্পাহানি ইমরান ও ফয়সাল হাওলাদার নামে দুজন স্বনামধন্য সাংবাদিককে অভিযুক্ত করে পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে। এই অভিযোগ তার পিছনে ইন্ধনদাতা ছিল কালামাগুর শাহিন গাজী। এই শাহিন গাজী এর আগে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন বাড়ির ভবন মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জনের কাছ থেকে সংবাদ সম্মেলন ও সংবাদ প্রকাশের কথা বলে টাকা হাতানোর অভিযোগ আছে। বিভিন্ন নামিদামী পত্রিকা ও টেলিভিশনে নিউজ প্রকাশ করার কথা বলে সংবাদ সম্মেলন নাম করে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের হারানো মাল উদ্ধার করে দেয়ার জন্য শাহিন গাজী নিয়মিত মাসোহারা ও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিককে ভুল বুঝিয়ে আনিসের সঙ্গে থানায় নিয়ে আনিসকে দিয়ে প্রতিবাদী দুই সাংবাদিক ইস্পাহানি ইমরান ও ফয়সাল হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাংবাদিক ইস্পাহানি ইমরান ও ফয়সাল হাওলাদার এর সাথে যোগাযোগ করে হলে তারা জানান, পরিবেশ বিধ্বংসী অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম আনিসের বিপুল পরিমাণ অবৈধ পলিথিন জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তার জব্দকৃত পলিথিনের সংবাদ প্রকাশের জেরে আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয় আনিস। এরপর আমাদের ঘায়েল করতে শাহীন গাজীর পরামর্শে আমাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করায় , অভিযোগে আনিত বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। এতে আমাদের সম্মানহানি হয়েছে। অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস ও তার সাথে যারা যুক্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত সহায়তা গ্রহণ করব। এছাড়া দেশের স্বার্থে , দেশের মানুষের স্বার্থে অবৈধ পলিথিন এর বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদী কলম চলতেই থাকবে। এতে যত প্রকার বাঁধাই আসুক আমরা হার মানবো না।

একটি সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের মালামাল লুট হয়েছে বলে থানা পুলিশে যে অভিযোগ করেছেন, তবে কি মালামাল লুট হয়েছে তার সঠিক কোন বর্ণনা উল্লেখ করা হয়নি , মুলত লুট হওয়া মালামাল অবৈধ পলিথিন ছিল কিনা সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। যদি সেটি অবৈধ পলিথিন হয়ে থাকে তাহলে থানা পুলিশে কিভাবে অভিযোগ গ্রহণ করল। নাকি কোন মালামাল লুট হয়নি সেনিয়ে সন্দেহ রয়েছে। নাকি দুই সাংবাদিক কে ঘায়েল করতে এই নাটক সাজিয়েছে সেটিও প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত। তাছাড়া ঘটনার দিন ওই দুই সাংবাদিক লুট হওয়া স্থানে ছিল কিনা সেটিও খুঁজে বের করা উচিত।

উল্লেখ্য, সাংবাদিক শাহিন গাজী গত এক বছর ধরে কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকতা করছেন, এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অন্যতম বহুল প্রচারিত দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় অনলাইনে দালালি প্রসঙ্গে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যেখানে তার কুকর্মের আমলনামা তুলে ধরা হয়।

শাহিন গাজী পরবর্তীতে এক সরকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে অনুরোধ করায় নিউজটি সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখে দৈনিক আমার দেশ কর্তৃপক্ষ। যদিও নিউজটি বন্ধ করার আগেই অনেকে সেটি কপি করে রেখে দিয়েছে।

এরপরেও তার অবৈধ দৌড়ত্ব কমেনি। শাহিন গাজী স্থানীয় সাংবাদিকদের কথায় কথায় প্রত্যেকটি মিডিয়া হাউজে তার লোক রয়েছে বলে চাকরি দেয়া ও নেয়ার হুমকি ধামকি দেয়।

আমার দেশ পত্রিকার অনলাইন সংবাদের কপি এই প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। এছাড়া স্থানীয়দের শাহিন গাজীর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিষয়টি জানতে শাহীন গাজীকে মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে সে তার বিরুদ্ধে পাওয়া অভিযোগ অস্বীকার করেন।

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয় জানতে দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল আলমের কাছে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমিনুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা যথাযথ যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৪ পিএম
ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

ময়মনসিংহ নগরীর ধোপাখলা এলাকায় কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় এবং কোতোয়ালী থানাধীন ৩নং ফাঁড়ির চৌকস এস আই সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি অভিযান চালিয়ে মোঃ পিয়াল হাসান (২৬) নামে এক চোর, মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত পিয়াল হাসান বাঘমারা এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা: রমজান আলী ও মাতা: পারভিন বেগম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে একটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি এবং মাদক সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, কোতোয়ালী মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও মাদক সংক্রান্ত মোট ৮টি মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২১ এম
ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের পাড়াইল গ্রামে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে এক কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে। গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সংঘটিত এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে খাইরুল ইসলাম, মফিজ, আবেদ আলী, রাবেয়া খাতুন, লাকী আক্তারসহ অজ্ঞাত আরও ৬/৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সবাই স্থানীয় কৃষকদল নেতা আশিকুর রহমান মিলনের অনুসারী বলে দাবি করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা উক্ত জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। হঠাৎ করে কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলন জমিটি ক্রয় করেছেন দাবি করে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবার নিজেদের নিরাপত্তার জন্য থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জিডি করার পর অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও তা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তারা ভুক্তভোগীর জমিতে থাকা দোকানপাট ভাঙচুর করে মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় হামলায় পরিবারের দুই সদস্য আহত হন।

এছাড়া ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দোকানের পাশেই থাকা তাদের পারিবারিক গোরস্থানের জমিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাড়িঘরে থাকতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পুলিশ জানায়, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৬ পিএম
বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

ময়মনসিংহে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উপপরিচালকের পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্তসাপেক্ষে পদোন্নতি বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ১২ এপ্রিল অভিযোগ দুটি জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ময়মনসিংহে কর্মরত উপপরিচালক হারুন অর রশিদ ২০২১ সালে বিধিবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি লাভ করেন। অভিযোগকারীর দাবি, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নিয়োগ বিধিমালা উপেক্ষা করে তিনি এ পদোন্নতি নেন।

নিয়োগ বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী, উপপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী পরিচালক হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা আবশ্যক। কিন্তু অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হারুন অর রশিদ ১৮ এপ্রিল ২০১৪ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৭ জানুয়ারি ২০২১ সালে পদোন্নতি পাওয়ার সময় তার অভিজ্ঞতা ছিল ৭ বছরেরও কম।

এছাড়া ২০১৮ সালের জ্যেষ্ঠতা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৪০ নম্বরে। কিন্তু পদোন্নতির তালিকায় তাকে ৬০ নম্বরে উন্নীত করা হয়, যা জ্যেষ্ঠতা নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে তিনি এই পদোন্নতি নিশ্চিত করেন। এতে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন –

১) অবৈধ পদোন্নতি বাতিল,

২) পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা,

৩) সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।

এ বিষয়ে উপপরিচালক হারুন অর রশিদের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে সচিব স্যার অবগত আছেন, তিনিই সব ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।