মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

শ্যামপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২:২৫ পিএম
শ্যামপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

রাজধানীর শ্যামপুর থানা শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শাপলা খানমের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, বই বিতরণ-সংক্রান্ত বরাদ্দে অনিয়ম এবং তদন্ত কার্যক্রমে গাফিলতির অভিযোগ এনে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন ২০২৬ তারিখে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে শ্যামপুরের দোলাইরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দিলেও এখন পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, তদন্ত কার্যক্রমে অস্বাভাবিক বিলম্বের কারণে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া ধীরগতিতে পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন ‘স্টার্ট-আপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ আয়োজনেও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় সংসদ সদস্যকে প্রধান অতিথি হিসেবে রাখার কথা থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তিন ব্যক্তির পৃথক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের সুপারিশ করা হলেও পরবর্তী পর্যায়ে কেবল একজনের অভিযোগ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

এ ছাড়া বছরের পর বছর বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তারা বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শ্যামপুর থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শাপলা খানম। তিনি বলেন, “আমি সরকারি বিধি-বিধান মেনেই দায়িত্ব পালন করছি। প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে দোলাইরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রমে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। সরকারি কোনো নির্দেশনা অমান্য করার প্রশ্নই আসে না।”

এ বিষয়ে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, “শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। আমার নির্বাচনী এলাকায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করা বা সরকারি অর্থের অপব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল শিক্ষা খাতে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রমে হাওরের ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক রক্ষার চেষ্টা

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৩ এম
শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রমে হাওরের ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক রক্ষার চেষ্টা

টানা বৃষ্টিতে পানির স্রোতে রাস্তার নিচের বালু ও মাটি সরে গিয়ে ধসের ঝুঁকিতে পড়েছে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া-কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে এবার নিজেদের উদ্যোগেই সড়কটি রক্ষায় নেমেছেন স্থানীয় তিলিখাই রওজাতুল কুরআন আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাওরের বুক চিরে নির্মিত এই সড়কের দুই পাশের সিসি ব্লকের নিচ দিয়ে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করায় বালু ও মাটি সরে যাচ্ছে। এতে বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কয়েকটি সিসি ব্লক দেবে গেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার না করা হলে সড়কটির বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাশ্রমে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে বালু ও মাটি ভরাট করছেন। পাশাপাশি পানির স্রোতের তীব্রতা কমাতে রাস্তার পাশে কচুরিপানা ফেলে অস্থায়ীভাবে ভাঙন রোধেরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন ক্লাসের ফাঁকে শিক্ষার্থীরা এ কাজে অংশ নিচ্ছে।

তিলিখাই রওজাতুল কুরআন আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি আব্দুল মুমিন বলেন, “বৃষ্টির পানি সিসি ব্লকের নিচ দিয়ে প্রবেশ করে বালু ও মাটি সরিয়ে নিচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার না করা হলে হাওরের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা যতটুকু সম্ভব সড়কটি রক্ষার চেষ্টা করছি।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, ঘাগড়া-কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা এই সড়ক। এটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষকসহ হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হবে।

এ অবস্থায় সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

ময়মনসিংহে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত, নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান বিভাগীয় কমিশনারের

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৯ পিএম
ময়মনসিংহে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত, নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান বিভাগীয় কমিশনারের

ময়মনসিংহে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগের আয়োজনে এবং ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সকালে জেলা পরিষদের ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, আমরা নিজেদের সভ্য ও শিক্ষিত মনে করলেও নাগরিক আচরণের ক্ষেত্রে এখনও অনেক পিছিয়ে আছি। আচরণগত পরিবর্তন না এলে শুধু সভা-সেমিনার করে পরিবেশ রক্ষা সম্ভব নয়। জলাবদ্ধতার জন্য শুধু প্রশাসনকে দায়ী করলে হবে না; নাগরিকদের অসচেতন কর্মকাণ্ডও এর জন্য সমানভাবে দায়ী। ফুটপাত দখল, যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলা এবং নাগরিক দায়িত্ব পালনে অনীহা এসব সমস্যার সমাধান না হলে জলাবদ্ধতা নিরসন কঠিন হবে।

তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় হর্নের ব্যবহার অবশ্যই কমাতে হবে। তবে মানুষ যদি ফুটপাত ব্যবহার করে এবং সড়ক দখল ও ময়লামুক্ত রাখা যায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই হর্নের ব্যবহারও কমে আসবে। পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে এগোতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধ পণ্যের প্রতি মানুষের নির্ভরশীলতা কমাতে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে তাপপ্রবাহ, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই বেশি বেশি গাছ লাগানোর পাশাপাশি বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণ করতে হবে। সরকার ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ কর্মসূচি সফল করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মুরাদ আহমেদ ফারুখ।

স্বাগত বক্তব্যে পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক শেখ মো. নাজমুল হুদা বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সব পর্যায়ে পরিবেশ সংরক্ষণমূলক কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানান।

আলোচনা সভা শেষে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বিতর্ক ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, পরিবেশবিদ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহে শীর্ষ মাদক কারবারিদের সঙ্গে মাদক কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:০০ পিএম
ময়মনসিংহে শীর্ষ মাদক কারবারিদের সঙ্গে মাদক কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরীতে শীর্ষ মাদক কারবারিদের সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তার যোগসাজশ ও নিয়মিত অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, নগরীর প্রভাবশালী ইয়াবা ও হেরোইন কারবারিদের কাছ থেকে প্রশাসনের নামে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করা হয়। তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রামাণ্য নথি বা সরকারি তদন্তের তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।

অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক এসআই মাসুদ ও এক সদস্য সালমানের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সদর পরিদর্শক আমিনুন কবির বদলির পর তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। অভিযোগকারীদের দাবি, নগরীর শীর্ষ মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান অভিযান বা গ্রেপ্তার দেখা যায় না।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, ময়মনসিংহ নগরীতে অন্তত ২০ জন প্রভাবশালী মাদক কারবারি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও হেরোইনের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তারা প্রকাশ্যে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কারবারি নগরীর বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও গ্রামাঞ্চলে মাদক সরবরাহ করে থাকে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কেওয়াটখালী, পাটগুদাম, পুরোহিতপাড়া, সানকিপাড়া, রহমতপুর, আকুয়া, চুখাইতলা ও ওয়ারলেস গেটসহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েকজন কথিত মাদক কারবারি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও হেরোইনের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তারা আইনের আওতার বাইরে থেকে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া নগরীতে প্রায় ৩০০ ছোট-বড় মাদক কারবারি সক্রিয় রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, মাঝেমধ্যে খুচরা কারবারিদের আটক করা হলেও শীর্ষ পর্যায়ের কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে নগরীতে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি আসছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু মাদক ব্যবসায়ী দম্ভের সঙ্গে দাবি করে যে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে তাদের যোগাযোগ থাকায় তারা নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এসআই মাসুদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।