বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

ভালুকায় সার্ভেয়ার ও উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
ভালুকায় সার্ভেয়ার ও উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, অনিয়ম ও সেবা গ্রহীতাদের হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর উঠেছে অফিসের সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম, উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন, সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম এবং মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, খতিয়ান সৃজন, তদন্ত প্রতিবেদন, নামজারি ও অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের উৎকোচ না দিলে কাজ করা হয় না। টাকা না দিলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে মনগড়া তথ্য দিয়ে সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম ভালুকা ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই নানা অনিয়মের মাধ্যমে সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছেন। কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও অর্থের বিনিময়ে তিনি প্রতিবেদনে সত্যকে মিথ্যা ও মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করে নানা কৌশলে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন।

উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, হবিরবাড়ী মৌজায় তার পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি ভুলবশত রেকর্ড হওয়ায় সংশোধনের জন্য সার্ভেয়ারের কাছে গেলে তিনি মোটা অঙ্কের উৎকোচ দাবি করেন।

আরেক ভুক্তভোগী জানান, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধের ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব সার্ভেয়ারের ওপর পড়লে তিনি তার কাছে ঘুষ দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে জমির কাগজপত্র সঠিকভাবে পর্যালোচনা না করেই প্রতিপক্ষের পক্ষে একতরফা প্রতিবেদন দাখিল করেন।

একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের একটি জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়েও। অভিযোগ রয়েছে, ভুক্তভোগীর কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই না করেই সার্ভেয়ার অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে প্রকৃত জমির মালিক ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হন।

কাচিনা ইউনিয়নের এক সেবাগ্রহীতা জানান, জমির নামজারি খতিয়ান করতে গিয়ে সার্ভেয়ারের কাছে গেলে তাকে বলা হয় রেকর্ডীয় মালিকের জমি নেই। তিনি বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করলে সার্ভেয়ার বালাম খুলে দেখান যে বিক্রেতার নামে গোল চিহ্ন রয়েছে। পরে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন তাকে জানান, এক লাখ ৪০ হাজার টাকা দিলে ওই গোল চিহ্ন তুলে দেওয়া যাবে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে একজনের দখলীয় জমি অন্যজনকে পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন। তার চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হলে তদন্ত প্রতিবেদন বিপক্ষে চলে যায়। এতে এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধ ও উত্তেজনা বাড়ছে।

কাদিনগর, পালাগাও ও তামাট এলাকার কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, সার্ভেয়ার যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় সরকারি ভিপি সম্পত্তি নিয়েও বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, তার সহযোগীদের মাধ্যমে প্রতিপক্ষ তৈরি করে উভয় পক্ষের কাছ থেকেই অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে এলাকায় জমি নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কোনো সেবা পাওয়া যায় না—এমন অভিযোগ তুলেছেন অনেক সেবাপ্রত্যাশী। জমির নামজারি, খতিয়ান দেখা, তদন্ত প্রতিবেদন বা খাজনা আদায়—প্রতিটি ধাপেই অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ।

সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহের সময় পরিচয় গোপন রেখে কথা বললে একাধিক সেবাগ্রহীতা জানান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত করার চেষ্টা করলেও সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম, উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন, সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম ও মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের মতো কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তার কারণে অফিসের বদনাম কাটছে না। তাদের ঘুষ বাণিজ্যের কারণে অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া কোনো ফাইলই এসিল্যান্ডের টেবিলে যায় না বলে অভিযোগ।

অভিযোগ রয়েছে, একটি মিউটেশনের সরকারি ফি ১ হাজার ১৭০ টাকা হলেও বাস্তবে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের মাধ্যমে এসব অর্থ আদায় করা হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

সেবাগ্রহীতাদের দাবি, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা কয়েকজন দালালের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অফিস খরচের অজুহাত দেখিয়ে নিজেরাই অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন।

এ বিষয়ে একজন সামাজিক বিশ্লেষক বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশন চালু হলেও তৃণমূল পর্যায়ে এখনও সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি পুরোপুরি দূর হয়নি। কেন্দ্রীয়ভাবে সংস্কারের উদ্যোগ থাকলেও মাঠ পর্যায়ে সেই বার্তা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

ভুক্তভোগীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৪ পিএম
ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

ময়মনসিংহ নগরীর ধোপাখলা এলাকায় কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় এবং কোতোয়ালী থানাধীন ৩নং ফাঁড়ির চৌকস এস আই সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি অভিযান চালিয়ে মোঃ পিয়াল হাসান (২৬) নামে এক চোর, মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত পিয়াল হাসান বাঘমারা এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা: রমজান আলী ও মাতা: পারভিন বেগম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে একটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি এবং মাদক সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, কোতোয়ালী মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও মাদক সংক্রান্ত মোট ৮টি মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২১ এম
ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের পাড়াইল গ্রামে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে এক কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে। গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সংঘটিত এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে খাইরুল ইসলাম, মফিজ, আবেদ আলী, রাবেয়া খাতুন, লাকী আক্তারসহ অজ্ঞাত আরও ৬/৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সবাই স্থানীয় কৃষকদল নেতা আশিকুর রহমান মিলনের অনুসারী বলে দাবি করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা উক্ত জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। হঠাৎ করে কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলন জমিটি ক্রয় করেছেন দাবি করে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবার নিজেদের নিরাপত্তার জন্য থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জিডি করার পর অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও তা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তারা ভুক্তভোগীর জমিতে থাকা দোকানপাট ভাঙচুর করে মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় হামলায় পরিবারের দুই সদস্য আহত হন।

এছাড়া ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দোকানের পাশেই থাকা তাদের পারিবারিক গোরস্থানের জমিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাড়িঘরে থাকতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পুলিশ জানায়, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৬ পিএম
বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

ময়মনসিংহে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উপপরিচালকের পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্তসাপেক্ষে পদোন্নতি বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ১২ এপ্রিল অভিযোগ দুটি জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ময়মনসিংহে কর্মরত উপপরিচালক হারুন অর রশিদ ২০২১ সালে বিধিবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি লাভ করেন। অভিযোগকারীর দাবি, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নিয়োগ বিধিমালা উপেক্ষা করে তিনি এ পদোন্নতি নেন।

নিয়োগ বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী, উপপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী পরিচালক হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা আবশ্যক। কিন্তু অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হারুন অর রশিদ ১৮ এপ্রিল ২০১৪ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৭ জানুয়ারি ২০২১ সালে পদোন্নতি পাওয়ার সময় তার অভিজ্ঞতা ছিল ৭ বছরেরও কম।

এছাড়া ২০১৮ সালের জ্যেষ্ঠতা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৪০ নম্বরে। কিন্তু পদোন্নতির তালিকায় তাকে ৬০ নম্বরে উন্নীত করা হয়, যা জ্যেষ্ঠতা নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে তিনি এই পদোন্নতি নিশ্চিত করেন। এতে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন –

১) অবৈধ পদোন্নতি বাতিল,

২) পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা,

৩) সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।

এ বিষয়ে উপপরিচালক হারুন অর রশিদের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে সচিব স্যার অবগত আছেন, তিনিই সব ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।