বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিলে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৫ এম
ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিলে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার আহ্বান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ময়মনসিংহ জেলা শাখার আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) নগরীর গ্রীন পার্ক রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সুধীজনরা অংশগ্রহণ করেন। রমজানের পবিত্রতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা, সমাজের কল্যাণ ও দেশ-জাতির উন্নতির জন্য একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান জুয়েল আকন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজচিন্তক ড. ইদ্রিস খান। প্রধান অতিথি হিসেবে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ৩ ইন্সপেক্টরসহ তাজুল ইসলাম।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাপ্তি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান এবং ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পলাশসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোর্শেদ কামাল মিজান।

প্রধান আলোচক ড. ইদ্রিস খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই মাস আমাদেরকে ধৈর্য, সহনশীলতা ও পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শনের আহ্বান জানায়। তিনি বলেন, সাংবাদিক সমাজ জাতির বিবেক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইইউজে)’র সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান বলেন, দেশের তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকদের পেশার মানউন্নয়ন এবং অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, মফস্বল সাংবাদিকরা অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে পারষ্পরিক সম্পর্ক জোরধার করার আহবান জানিয়ে সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাদের নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং মানুষ সঠিক তথ্য জানতে পারে। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে এবং পেশাগত উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা প্রয়োজন। এ ধরনের ইফতার মাহফিল সাংবাদিকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্য বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পলাশ বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য গড়ে তোলা বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি বলেন, সাংবাদিক সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে সংগঠনটি সবসময় কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় সংগঠনটি আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা পবিত্র রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন। তারা সমাজে ন্যায়, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্বও তুলে ধরেন।

ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, জনকণ্ঠ প্রতিনিধি, আলমগীর কবির উজ্জ্বল, আমার সংবাদ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল আমিন, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি তাসলিমা রত্না সহ ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ ময়মনসিংহের কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়। পরে উপস্থিত সকলের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়। আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

ময়মনসিংহে অবৈধ সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কারখানা উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ পিএম
ময়মনসিংহে অবৈধ সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কারখানা উচ্ছেদ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চক শ্যামরামপুর এলাকায় পরিবেশের ক্ষতি করে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে প্রশাসন। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ সাব্বির হুসাইনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে দেখা যায়, কারখানাটি পরিবেশগত ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। এছাড়া কারখানার কার্যক্রমের কারণে স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছিল।

এ ঘটনায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৬(গ) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে মোবাইল কোর্টে দায়ের করা দুটি মামলায় দুই ব্যক্তিকে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এ সময় নদীতীরবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা অস্থায়ী সিসা কারখানাটি উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সিসা গলানোর কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতিও জব্দ করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এ ধরনের অবৈধ শিল্পকারখানার বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাক্ষর জালিয়াতি চক্রের সদস্য আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাক্ষর জালিয়াতি চক্রের সদস্য আটক

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি জালিয়াতি চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদিরের স্বাক্ষর নকল করে জাল দলিল তৈরি করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দলিল নিবন্ধনের সময় নথিপত্র যাচাই করতে গিয়ে বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান জালিয়াতির বিষয়টি শনাক্ত করেন। সন্দেহ হলে তিনি নথি আরও গভীরভাবে পরীক্ষা করেন এবং একপর্যায়ে অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করেন।

পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক ব্যক্তিকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে জালিয়াতি চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।

সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, “দলিল নিবন্ধন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। কোনো ধরনের জালিয়াতি বরদাশত করা হবে না।”

তিনি দলিল নিবন্ধনের সময় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা তামান্না হুরায়রা।

বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী কৃষ্ণ চন্দ্র রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও আরিফুল ইসলাম বলেন, “গ্রাম আদালত সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির একটি কার্যকর ব্যবস্থা। সদর উপজেলায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনমুখী করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “গ্রাম আদালতের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এতে সাধারণ মানুষ স্থানীয় পর্যায়ে সহজেই ন্যায়বিচার পাবে এবং আদালতের ওপর মামলার চাপও কমবে।”

কর্মশালায় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক বিরোধ, চুক্তি বা রশিদভিত্তিক অর্থ আদায়, অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার বা তার মূল্য আদায়, স্থাবর সম্পত্তি বেদখলের এক বছরের মধ্যে দখল পুনরুদ্ধার, অস্থাবর সম্পত্তি জবরদখল এবং স্ত্রীর ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিরোধসহ বিভিন্ন বিষয় গ্রাম আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়।

তারা আরও বলেন, গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ দ্রুত ও শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি সম্ভব হবে এবং উচ্চ আদালতের ওপর মামলার চাপও কমবে। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ও সেবাসমূহ সাধারণ মানুষের কাছে আরও ব্যাপকভাবে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবু আহসান মো. রেজাউল হক, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শরীফ আহাম্মদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের সমন্বয়কারী আবু সামিউল প্রধান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সদর উপজেলা প্রোগ্রাম অফিসার নাসিমা খাতুন, ব্র্যাক ময়মনসিংহের শাখা ব্যবস্থাপক কানিজ ফাতেমা, স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির প্রকল্প ব্যবস্থাপক ইমন সরকার, মাটি সমিতির প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর সানজিদা আক্তার বর্ষা, পিসিসি কালিঝুলির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর রাজন বিন, ব্যুরো বাংলাদেশ সমিতির তালতলা-খাগডহর শাখার আঞ্চলিক ঊর্ধ্বতন কর্মসূচি সংগঠক কৃষি রবিউল ইসলাম এবং উপজেলা উইমেন ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর সানজানা আফরোজ পপিসহ অন্যান্যরা।