বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২

সংস্কার বিহীন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের প্রহসনের নির্বাচন বন্ধের দাবীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন কর্মসূচী ঘোষণা

স্টাফ রিপোর্টার।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫০ পিএম
সংস্কার বিহীন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের প্রহসনের নির্বাচন বন্ধের দাবীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন কর্মসূচী ঘোষণা

সংস্কার বিহীন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের প্রহসনের নির্বাচন বন্ধের দাবীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন কর্মসূচী ঘোষণা করেছেন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটি বুধবার (৭ জানুয়ারী ২০২৬) তারিখে সকাল ১১ঃ৩০ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মুখে এ মানববন্ধন থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতবৃন্দ।

মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় ৪৭ কাঁচারী রোডস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির আহবায়ক আজগর হোসেন রবিন এর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব শিবলী সাদিক খান এর সঞ্চালনায় আলোচনা করেন মুখ্য সংগঠক জহর লাল দে, মোঃ আরিফ রেওগীর, আলমগীর কবির উজ্জল খান, গোলাম কিবরিয়া পলাশ, সুমন ভট্টাচার্য এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, যুগ্ম আহবায়ক ইউসুফ খান লিটন, আজাহারুল আলম, রোকসানা আক্তার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন-তাসলিমা রত্মা, নিহার রঞ্জন কুন্ডু, এস.এম.কে মিজান, মোঃ আজাহারুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ মামুন, শিউলি রেখা, সেলিম সাজ্জাদ, জামাল উদ্দিন, এহতেশামুল আলম, ফয়েজ আল মামুন নেতৃবৃন্দ তাদের আলোচনায় গৃহীত সিদ্ধান্তে জানান যে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির দেড় শতাধিক অধিকার বঞ্চিত সাংবাদিক দীর্ঘ ৪/৫ বৎসর যাবত ‘প্রেসক্লাব ফর প্রেসম্যান’’ করার জন্য পেশার দায়বদ্ধতা, স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার জন্য অধিকার মর্যাদা আদায়ের লক্ষ্যে সংবাদ প্রতিবেদন, আন্দোলন-সংগ্রাম, মানববন্ধন ও ঘেরাও কর্মসূচীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবরে যৌক্তিক দাবী-দাওয়া উল্লেখ করে স্বারকলিপি প্রদান করা হলেও অদ্যাবধি ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের জেলা প্রশাসক সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি না নিয়ে নানা সুবিধা গ্রহনের জন্য এই পদটি আখড়ে ধরে রেখেছেন। মাঝে মধ্যে সমঝোতার আলোচনা উত্থাপন করে পেশাদার সাংবাদিকদের অধিকার মর্যাদা হতে বঞ্চিত করছেন।

উপস্থিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এর সুষ্ঠু সমধানের লক্ষ্যে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের পেশাজীবী সংগঠনের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে সংস্কার কমিটি ইতিমধ্যে প্রেসক্লাবের নির্বাচনের পূর্বে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এডহক কমিটি গঠন, সাংবাদিকদের নামের তালিকা প্রণয়ন, খসড়া গঠনতন্ত্র প্রণয়ন ও সম্মিলিতভাবে সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গঠনতন্ত্রের অনুমোদন, ভোটার তালিকা নিশ্চিত করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ইতিমধ্যে দাবী করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গত ০২ জানুয়ারী ২০২৫ তারিখে প্রেসক্লাব অবরোদ্ধ করা হলে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‌্যাব সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দাবী দাওয়া মেনে নেওয়ায় সমঝোতার আশ্বাস প্রদান করা হলেও আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সেই লক্ষ্যে আগামীকাল মানববন্ধন থেকে পরবর্তী বৃহত্তর কর্মসূচী গ্রহণের জন্য সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কর্মরত সকল সাংবাদিকদের উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত থাকার আহবান জানানো হয়।

৫ আগস্ট-পরবর্তী ৯১.৭% সহিংসতার সঙ্গে বিএনপি সম্পৃক্ত, ২০.৭%-এর সঙ্গে আ.লীগ: টিআইবি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:১২ পিএম
৫ আগস্ট-পরবর্তী ৯১.৭% সহিংসতার সঙ্গে বিএনপি সম্পৃক্ত, ২০.৭%-এর সঙ্গে আ.লীগ: টিআইবি

এই ১৭ মাসে সারাদেশে মোট ৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে, যাতে ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত এবং সাত হাজার ৮২ জন আহত হয়েছেন।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর একটি গবেষণা অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর ঘটা রাজনৈতিক সহিংসতার ৯১.৭ শতাংশ ঘটনার সাথে বিএনপি যুক্ত।

আজ (২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে, ২০.৭ শতাংশ ঘটনায় আওয়ামী লীগ, ৭.৭ শতাংশ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী এবং ১.২ শতাংশ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সম্পৃক্ততা রয়েছে।

‘স্বৈরাচারের পতনের দেড় বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এই গবেষণা প্রতিবেদনটির ফলাফল টিআইবি-র সম্মেলন কক্ষে প্রকাশ করা হয়।

টিআইবি জানায়, বিভিন্ন দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং রাজনৈতিক সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত—এই ১৭ মাসে সারাদেশে মোট ৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে, যাতে ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত এবং সাত হাজার ৮২ জন আহত হয়েছেন।

এই ঘটনাগুলোর মধ্যে ৫৫০টিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, আর ১২৪টি ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সদস্যরা জড়িত ছিল। এই সময়ে জামায়াত ৪৬টি ঘটনায় জড়িত ছিল বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

টিআইবি-র মতে, সরকার পতনের পর আগে আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রমের দখল নেওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবহন টার্মিনাল ও স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি, সিলেটের পাথর কোয়ারি ও নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন এবং ব্রিজ, বাজার, ঘাট, বালু মহাল ও জলাশয়ের ইজারা দখলের লড়াই।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনেকাংশেই অকার্যকর ছিল এবং দলগুলো সহিংসতা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত নিজ কর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

তফসিলের পর সারাদেশে হত্যাকাণ্ডের শিকার ১৫ রাজনৈতিক নেতাকর্মী: টিআইবি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
তফসিলের পর সারাদেশে হত্যাকাণ্ডের শিকার ১৫ রাজনৈতিক নেতাকর্মী: টিআইবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সারাদেশে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৭ মাসে মোট ৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত হয়েছেন। এছাড়া ৭ হাজার ৮২ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৫০টি ঘটনায় (৯১ দশমিক ৭ শতাংশ) বিএনপি, ১২৪টি ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ (২০ দশমিক ৭ শতাংশ) এবং ৪৬টি ঘটনায় (৭ দশমিক ৭ শতাংশ) জামায়াতে ইসলামী সম্পৃক্ত ছিল।

টিআইবি জানায়, তফসিল ঘোষণার পর ৩৬ দিনে সারাদেশে অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে ২০২৫ সালে ৪০১ রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১০২ নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি ১ হাজার ৩৩৩ অস্ত্র নিখোঁজ ছাড়াও ডিপফেক ও ভুল তথ্যের বাড়তি হুমকি, সংখ্যালঘুদের ওপর পঞ্চাশের বেশি হামলার ফলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো মেয়াদেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। খুন, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন, আন্দোলন, লুটপাট, অরাজকতা অব্যাহত রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ৬৭ কোটি ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা ৫৫ কোটি ডলারে নেমে আসে। যা ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

ময়মনসিংহে অলিম্পিক ভিলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

নির্বাচনে সেনাসদস্যদের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বজায়ের নির্দেশ সেনাপ্রধানের

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
নির্বাচনে সেনাসদস্যদের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বজায়ের নির্দেশ সেনাপ্রধানের

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও ধৈর্য বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ময়মনসিংহ সফরকালে তিনি বলেন, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের আস্থা অটুট থাকে।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সেনাপ্রধান নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন। সভায় ময়মনসিংহ বিভাগের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় তিনি নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। এর আগে ও পরে সফরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি হিসেবে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ত্রিশালে প্রস্তাবিত ‘অলিম্পিক ভিলেজ’ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।

সেনাপ্রধান আশা প্রকাশ করেন, অলিম্পিক ভিলেজ আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলেট তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে বিশ্বমঞ্চে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাবে।