সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ ১৪৩২
সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ ১৪৩২

ত্রিশালে কাগজে প্রকল্প; মাঠে নেই অস্তিত্ব! পিআইও শহিদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

শিবলী সাদিক খান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২৬ পিএম
ত্রিশালে কাগজে প্রকল্প; মাঠে নেই অস্তিত্ব! পিআইও শহিদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১০নং মঠবাড়ী ইউনিয়নে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়নে ভয়াবহ অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। কাগজে প্রকল্প মাঠে নেই অস্তিত্ব! এমন জোরালো আলোচনা সমালোচনার কারণেই

জেলা প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করছে মটবাড়ী ইউনিয়নের ২৮ টি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজন।

জানা যায়, ‎২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ অর্থবছরের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে বরাদ্দ পাওয়া মোট ২৮টি উন্নয়ন প্রকল্প নামের সংশ্লিষ্ট এলাকায় (মাঠপর্যায়ে) কোনো কাজ না করেই কাগজে-কলমে সম্পন্ন দেখিয়ে প্রায় ৭৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারা করে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

‎এ ঘটনায় স্থানীয়দের পক্ষে মো. বাবুল মিয়া দুদক চেয়ারম্যান বরাবর বিস্তারিত উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে প্রকল্পভিত্তিক বরাদ্দ, বাস্তব অবস্থা ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার তথ্য সংযুক্ত রয়েছে।

‎কাগজে প্রকল্প, মাঠে নেই অস্তিত্ব! অভিযোগ অনুযায়ী, মঠবাড়ী ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে রাস্তা সংস্কার, ড্রেন, কালভার্ট, মাটি ভরাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের নামে বরাদ্দ দেওয়া হলেও সরেজমিনে কোনো কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

‎স্থানীয়দের দাবি যেসব প্রকল্প কাগজে শতভাগ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে, বাস্তবে সেসব স্থানে বছরের পর বছর কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। ডিজিটাল তথ্য বোর্ডে প্রকল্পের নাম থাকলেও মাঠে কাজের চিহ্ন না থাকায় প্রকল্প অনুমোদন ও বিল ছাড় প্রক্রিয়া নিয়েই বড় প্রশ্ন উঠেছে।

ত্রিশাল উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম দুর্নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ত্রিশাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। স্থানীয়দের অভিযোগ মটবাড়ী ইউনিয়নে কোন কাজ না করেই সরকারি অর্থ তছরুপ করা হয়েছে, প্রকল্প যাচাই, কাজের সমাপ্তি সনদ প্রদান এবং বিল ছাড়ের প্রতিটি ধাপেই তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। অন্যান্য ইউনিয়নে হয়তো কিছু কাজ করছে, নয়তো প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বরাদ্দের অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা করে এলাকার জনগণকে উন্নয়ন বঞ্চিত করেছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ঠ এক কর্মকর্তা জানান‎,“মাঠপর্যায়ে কাজ না হলে কোনোভাবেই বিল পাস হওয়ার সুযোগ নেই। বরাদ্দকৃত অর্থ সরকারের কোষাগারে ফেরত যাওয়ার বিধিবিধান রয়েছে। পিআইও প্রকল্পের যাচাই বাছাই কাজের মান নির্ণয় পুরো ব্যবস্থার মূল নিয়ন্ত্রক।”

‎জানা যায়, নানা অভিযোগের ভিত্তিতে পিআইও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহকে সম্প্রতি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন এই বদলি কি শাস্তি, নাকি দায় এড়ানোর কৌশল?

ত্রিশাল উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নে গত কয়েক বছরের টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন হয়েছে কিনা তা পূর্ণাঙ্গভাবে অডিট করা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

অভিযুক্ত পিআইও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহকে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সব প্রকল্প সরকারি বিধি-বিধান মেনেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে আমি জড়িত নই। কেউ ব্যক্তিস্বার্থে আমাকে হয়রানি করতে এসব অভিযোগ তুলেছে। তদন্ত হলে সত্য বেরিয়ে আসবে।”

ধোবাউড়ায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলা, ছুরিকাঘাতে নিহত-১

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১০ পিএম
ধোবাউড়ায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলা, ছুরিকাঘাতে নিহত-১

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে প্রকাশ্য জনসমাগমের মধ্যেই দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন নজরুল ইসলাম (৪৬)।

নিহত নজরুল ইসলামের রামসিংহপুর এলাকার হাজী মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ-১ হালুয়াঘাট ধোবাউড়া আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের কর্মী বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় এরশাদ বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় সংঘবদ্ধ কয়েকজন দুর্বৃত্ত হঠাৎ নজরুল ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এরশাদ বাজার ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নির্বাচনকে ঘিরে প্রকাশ্য স্থানে এমন সহিংসতায় জনমনে ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনী পরিবেশকে ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রভাবিত করতেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

গৌরীপুরে শিক্ষাখেকো ইটভাটার মালিক রতনের খুটির জোড় কোথায়?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৬ পিএম
গৌরীপুরে শিক্ষাখেকো ইটভাটার মালিক রতনের খুটির জোড় কোথায়?

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় ডৌহাখলা ইউনিয়নের গাজীপুরে সাব্দুল সরকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুক চিড়ে গড়ে উঠেছে অনুমোদনহীন অবৈধ ইকো ব্রিকস নামক ইটভাটা। ভোগান্তিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা, নিরব প্রশাসন।

সরেজমিন দেখা যায়, অনুমোদনহীন অবৈধ ইটভাটার ধোঁয়া, কয়লার গুড়া ও ধুলোবালিসহ ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দের মিশ্রনে বিদ্যালয়ের কোমোলমতি শিক্ষার্থীরা শ্রেনীকক্ষে বসে লেখাপড়া করাটাই দায় হয়ে পড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ইটভাটা মালিক চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নের সাবেক প্রভাবশালী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফারুকুল ইসলাম রতন পেশি শক্তিবলে বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশ অবৈধ দখলে নিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা করার সুযোগটুকুও কেড়ে নিয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন এরা কি আসলেই চেয়ারম্যানরুপী সেবক ছিলেন? নাকি সেবক নামের জানোয়ার! সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কি খোঁজ রাখেন না? নাকি ঘুষের ঘোরে অন্ধ?

স্কুল পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জানায়, ইটভাটার কালো ধোঁয়া, ধুলোবালি আর ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দে ক্লাসে বসে থাকতে পারিনা, স্কুল ড্রেস একদিনের বেশি পড়তে পারিনা। আমাদের অনেক কষ্ট হয়, শ্বাস কষ্ট হয়, সর্দি-কাশি হয়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফুর তাঁর বক্তব্য বলেন, আমরা শ্রেনী কক্ষে শিক্ষার্থীদের কি ক্লাস করাব, যেখানে আমরাই ঠিকে থাকতে পারিনা সেক্ষেত্রে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এগুলো কিভাবে সহ্য করবে। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের কিছু বলতে হবে না, আপনারা দয়া করে একটু বসুন তাহলেই অনুভব করতে পারবেন ইটভাটার ধোঁয়া, ধুলোবালি আর ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দে বিদ্যালয়টি যেন নরকে পরিনত হয়েছে।

এসময় তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠের জায়গা কেটে দখলে নিয়েছে, জায়গাটা ভরাট করে দিবে বলছে কিন্তু এখন পর্যন্ত দেয়নি। আজ আপনাদের ক্যামেরার সামনে কথা বলায় কাল থেকে এই বিদ্যালয়ে চাকুরী করতে পারব কি না আল্লাহ জানেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মুঠোফোন রিসিভ না করলেও গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, আমাদের পরিবেশ আসার কথা, ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট করলে পরিবেশের একটা প্রসিকিউশন লাগে ওনারা আসলেই বিষয়টি আমরা দেখব।

সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের ঐক্য: কমিটি গঠন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫৯ পিএম
সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের ঐক্য: কমিটি গঠন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে জেগে উঠেছে সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকার যুবসমাজ। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিস্তার, কিশোর-তরুণদের নেশায় জড়িয়ে পড়া এবং সামাজিক অবক্ষয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে একটি মাদক নির্মূল কমিটি। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় গণস্বাক্ষর কর্মসূচি, যেখানে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এলাকাবাসীর মধ্যে মাদক সংশ্লিষ্ট নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় যুবসমাজ একত্রিত হয়ে একটি সংগঠিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। কমিটির মাধ্যমে মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া এবং তরুণদের সচেতন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, এটি মাদকবিরোধী গণস্বাক্ষরের অংশ, যেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনেকে স্বাক্ষর করেছেন। স্বাক্ষরকারীদের মতে, মাদকের কারণে পরিবার ভাঙছে, শিক্ষার্থীরা বিপথে যাচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে- যা আর মেনে নেওয়া যায় না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা শোনা যাচ্ছে। তারা দাবি করেন, এসব অভিযোগ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে এবং যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানানো হবে। তবে এখনো পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।

মাদক নির্মূল কমিটির এক উদ্যোক্তা বলেন, “আমরা কারও বিরুদ্ধে অন্যায় অপবাদ দিতে চাই না। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্ত হোক, দোষীরা আইনের আওতায় আসুক, আর আমাদের এলাকা মাদকমুক্ত হোক।”

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, যেকোনো লিখিত অভিযোগ পেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর আশা, যুবসমাজের এই ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধকে আরও শক্তিশালী করবে এবং সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকা ধীরে ধীরে একটি নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশে পরিণত হবে।