ত্রিশালে সাংবাদিককে খুন, গুম, মামলার হুমকি: থানায় জিডি
জাতীয় দৈনিক সোনালী কন্ঠ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার লুৎফা সরকার (নিশু) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের কাছ থেকে খুন, গুম ও জখম করার হুমকির শিকার হয়েছেন। গত রবিবার (৩০ নভেম্বর) ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া এলাকার বালুর মোড় পাকা রাস্তার ওপর এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ঘটনার দিন কোমলমতি শিশুদের দিয়ে গাড়ি থামিয়ে টাকা তোলার দৃশ্য ধারণ করছিলেন সাংবাদিক লুৎফা সরকার। এসময় নাম না জানা ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি তার ওপর চড়াও হয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তারা ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ না করার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে ও মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে একই দিন রাত অনুমান ৯ টার দিকে উনার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ফোন করে আবারও সংবাদ প্রকাশ না করার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ত্রিশাল থানায় গত সোমবার (০১ ডিসেবর) ৪০ নং সাধারণ ডায়েরী করেছেন ভুক্তভোগী নারী সাংবাদিক এবং উনি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক, সমাজকল্যাণ কার্যালয়ের বিভাগীয় পরিচালক, পুলিশ সুপার বরাবরে কোমলমতি শিশুদের দিয়ে রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে টাকা তোলা বন্ধ করতে আবেদন প্রেরণ করেছেন। তবে এবিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের কার্যকরী পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি।

এ বিষয়ে সাংবাদিক লুৎফা সরকার নিশু জানান, নান্দাইল থানার বেতাগী ইউনিয়নের মাইজপাড়া চরশ্রীরামপুর এলাকার মারকাযুস সুন্নাহ মাদ্রাসার শিক্ষক পরিচয় দিয়ে কিছু ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার হুমকি দিয়েছে। এতে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে শঙ্কিত বলে জানান। লুৎফা সরকার অবিলম্বে শিশুদের দিয়ে রাস্তা আটকে টাকা তোলার মতো অনিয়ম বন্ধসহ তার নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ সংক্রান্তে মারকাযুস সুন্নাহ মাদ্রাসার শিক্ষক আমিনুল ইসলাম জানান, এই নারী সাংবাদিক হুজুরদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। আমরা তার বিরুদ্ধে মামলা ও মানববন্ধন করব।
এবিষয়ে ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনসুর আহমেদ জানান,এঘটনায় সাধারণ ডায়েরী রুজু করা হয়েছে। বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবিষয়ে নান্দাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবাশীষ কর্মকার জানান, তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।











