রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২

ময়মনসিংহ সদরে “মেধা অন্বেষণ-২০২৫”: ইউএনও’র উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন আলোড়ন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:২১ পিএম
ময়মনসিংহ সদরে “মেধা অন্বেষণ-২০২৫”: ইউএনও’র উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন আলোড়ন

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করতে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো “মেধা অন্বেষণ-২০২৫” প্রতিযোগিতা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম প্রিন্স এর উদ্যোগে এবং উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিযোগিতা ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক মহলে।

উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এবারের আয়োজনটি মোট ৯টি ক্লাস্টারে বিভক্ত হয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রতিযোগিতায় প্রাণ সঞ্চার করে।

প্রতিটি ক্লাস্টার থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর উপজেলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ধাপ। সেদিন বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে সনদপত্র ও পুরস্কার। অনুষ্ঠানে NAPE-এর মহাপরিচালক এবং ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মহোদয়কে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন জানান, “এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার আগ্রহ বাড়াবে এবং তাদের ছোটবেলা থেকেই প্রতিযোগিতার মানসিকতায় গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।”

একই সঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, “আজকের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের দক্ষতা যাচাইয়ের সুযোগ পেয়েছে।

উল্লেখ্য, এ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

ইউএনও’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ : শিক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ:-

মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ছাড়াও ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স সদরের শিক্ষার মানোন্নয়নে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন,

যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

1. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও তদারকি: ইউএনও নিয়মিত স্কুল পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে থাকেন।

2. মেধা অন্বেষণমূলক কার্যক্রম: শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা চিহ্নিত করতে নিয়মিত মেধা অন্বেষণ কার্যক্রম চালু রেখেছেন।

3. শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রশাসনের সমন্বয়: তিন পক্ষের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী শিক্ষা পরিবেশ।

4. শিক্ষাগত অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণের উন্নয়ন: সরকারি ও বেসরকারিভাবে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

5. বিশেষ সহায়তা প্রদান: হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সরকারি সুবিধার আওতায় এনে বিভিন্নভাবে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

ভবিষ্যতের আশাবাদ, ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় এ ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন শুধু মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করতেই নয়, বরং তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, প্রতিযোগিতার মনোভাব এবং ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার সাহস জাগিয়ে তুলবে বলে মনে করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

এ আয়োজন অব্যাহত রাখার জন্য শিক্ষানুরাগী ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্সকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিভিন্ন পেশার সচেতন নাগরিকরা।

মুক্তাগাছায় অ্যাম্বুলেন্স-সিএনজি-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
মুক্তাগাছায় অ্যাম্বুলেন্স-সিএনজি-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের সামনে অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার রাতে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের পর সড়কে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর সড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করল সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন

শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৪:১০ পিএম
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করল সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন

“মানুষ মানুষের জন্য”- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মানবিক সংগঠন সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়, এতিম, হতদরিদ্র ও প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ ২০২৬) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকার সেন্ট্রাল মোহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম-এর দিকনির্দেশনায় ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফারহানা আফরোজ এবং সাংগঠনিক সচিব স. ম. জিয়াউর রহমান অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি শিউলী চক্রবর্তী, সেন্ট্রাল মোহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং স্থানীয় এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকে সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রম সুনামের সঙ্গে পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, ভবিষ্যতেও তারা গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন।

প্রতিটি খাদ্য প্যাকেটে সেমাই, নুডলস, ভোজ্য তেল, পেঁয়াজ, চিনি, মুড়ি ও আলু দেওয়া হয়।

নায়েব থেকে কোটিপতি! ময়মনসিংহে জীবন কুমার বিশ্বাসের সম্পদের উৎস নিয়ে জনমনে প্রশ্ন!

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫৫ পিএম
নায়েব থেকে কোটিপতি! ময়মনসিংহে জীবন কুমার বিশ্বাসের সম্পদের উৎস নিয়ে জনমনে প্রশ্ন!

ময়মনসিংহ পৌর ভূমি অফিসে কর্মরত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) জীবন কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনিয়ম-দুর্নীতি করে বিপুল অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ভালুকা উপজেলায় চাকরি করার সময় ঘুষ, অনিয়ম ও প্রভাব খাটিয়ে তিনি কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও তিনি এখনো বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও তার সম্পদের উৎস নিয়ে এখনো কোনো তদন্ত হয়নি বলে জানা গেছে। ফলে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে একজন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বেতনে কীভাবে এত বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া সম্ভব।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জীবন কুমার বিশ্বাসের পারিবারিক অবস্থা একসময় খুব একটা স্বচ্ছল ছিল না। কিন্তু ভূমি অফিসে চাকরিতে যোগদানের পরই ধীরে ধীরে বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন তিনি। বর্তমানে ময়মনসিংহ নগরীর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সংলগ্ন কিসমত মৌজায় প্রায় ৬ একর জমি, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তার নামে-বেনামে ব্যাংকে মোটা অঙ্কের অর্থ জমা রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা জানান, ময়মনসিংহ নগরীর জিলা স্কুলের পাশে নজরুল সেনা স্কুল সংলগ্ন একটি বাড়ি, নতুন বাজার সাহেব আলী রোড-বাউন্ডারি রোড এলাকায় ভবন, ধোপাখোলা মোড় সংলগ্ন এলাকায় ‘ড্রিম টাওয়ার’ নামে একটি ভবন নির্মাণাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া কিসমত মৌজায় প্রায় ৬ একর জমির ওপর স্থাপনা নির্মাণ করে সেগুলো ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, জীবন কুমার বিশ্বাস ১৯৯৬ সালে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। পরে ময়মনসিংহের শিল্পাঞ্চলখ্যাত ভালুকা উপজেলার সদরসহ হবিরবাড়ী ও মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নে প্রায় ১২ বছর দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় ভূমি অফিসকে ঘুষ ও অনিয়মের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নামজারি, খাজনা পরিশোধ, ডিসিআর বা বিভিন্ন ভূমি সংক্রান্ত কাজে সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ত। নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করলেও প্রতিবেদন পেতে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হতো। টাকা না দিলে মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও জানা গেছে, নামজারি মঞ্জুর হওয়ার পর ডিসিআর পেতে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হতো। হোল্ডিং নম্বর বা অন্যান্য ভূমি সংক্রান্ত কাজে গেলেও একই ধরনের অভিযোগের মুখে পড়তে হতো সেবাগ্রহীতাদের। স্থানীয়দের অভিযোগ, টাকা পেলেই অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করতেন তিনি।

ভালুকা উপজেলার কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, হবিরবাড়ী ইউনিয়নে বিভিন্ন শিল্পকারখানার জমি সংক্রান্ত কাগজপত্রে গড়মিল দেখিয়ে কম দামে জমি পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ নিতেন তিনি। এভাবে অনেক জমির মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও সরকারি পুকুর ও খাসজমি লিজ দেওয়া, জমির খাজনা খারিজসহ বিভিন্ন কাজে বাধ্যতামূলক ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি সরকারি জমি দখল ও পজিশন বিক্রির ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, “একসময় যাদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরাতো, তারা এখন কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক। একজন নায়েবের বেতনে এত সম্পদ অর্জন সম্ভব কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে।”

এ বিষয়ে জীবন কুমার বিশ্বাসের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অনেকেই মনে করছেন, দুদকের তদন্ত হলে সম্পদের প্রকৃত উৎস বেরিয়ে আসতে পারে।