শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১১ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১১ ১৪৩২

মুক্তাগাছায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ককটেল বিস্ফোরণ পুলিশের দাবী অন্যকিছু

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫, ৭:২৭ পিএম
মুক্তাগাছায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ককটেল বিস্ফোরণ পুলিশের দাবী অন্যকিছু

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মানকোন ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৩ আগষ্ট) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে একটি পিকআপ ভ্যানে করে ১০-১৫ জনের একটি ডাকাত দল সশস্ত্র অবস্থায় মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে ঢুকে ডাকাতি করে।

এসময় ওই বাড়িতে থাকা ভাড়াটিয়া দুই পরিবারের কাছ থেকে স্বর্ণাংকার, নগদ অর্থ ও জিনিসপত্র ডাকাতি করে। ডাকাত দল যাওয়ার সময় একাধিক ককটেল ফাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। তবে থানা পুলিশ এই ঘটনাকে ডাকাতি বলতে রাজি নয়। পুলিশ বলছে ভিন্ন কিছু। তবে তদন্তের স্বার্থে সেই ভিন্ন কিছুটা কি তা এই মুহুর্তে জানাতে চাচ্ছে না পুলিশ।

ডাকাতির শিকার পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকেন বগুড়ার সাব্বির হোসেন ও কুষ্টিয়ার অনিক আহমেদ। তারা দুজনেই স্থানীয় জায়েদ ফ্লাওয়ার মিলে কাজ করেন। ডাকাতরা অনিক আহমেদের স্ত্রী তাজমিন আক্তার কারিমার গলার চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেয় এবং অনিক আহমেদকে মারধর করে। অপরদিকে সাব্বির হোসেনের কাছ থাকা নগদ টাকা ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ডাকাতদের দ্বারা বাড়ীর নারীরাও হেনস্তার শিকার হন।

ডাকাতির শিকার অনিক আহমেদ বলেন, আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই আমাকে মারধর শুরু করে এবং যা কিছু আছে বের করে দিতে বলে। আমার স্ত্রীর গলার চেইন ও কানের দোল নিয়ে যায়।

অপরদিকে ভুক্তভোগী সাব্বির হোসেন বলেন, প্রথমে কেচিগেইটের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে এবং কাঠের দড়জা ভেঙ্গে রুমে প্রবেশ করে। আমরা প্রচন্ড ভয় ও আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। আমাদের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শী নাঈম হোসেন জানান, ভোররাতে ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার শুনে বাইরে এসে একটি হলুদ রঙের পিকআপ ভ্যান দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি। এলাকাবাসী বাঁধা দিলে ডাকাতরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ভয় ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রেদওয়ান ইসলাম শাওন বলেন, আমরা একটি চলন্ত ট্রাক রাস্তার মাঝে দাঁড় করিয়ে ডাকাত দলের পিকাপভ্যান আটকানোর চেষ্টা করি, পরে তাদের গাড়ী ঘুরিয়ে চেচুয়া বাজারের দিকে নিয়ে যেতে থাকে, সেখানেও এলাকাবাসীর ব্যারিকেড দেয়। তখন তারা দেশীয় অস্ত্র রামদা ঘুড়াতে থাকে এবং একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ করতে করতে আবার পিকাপভ্যানটি ঘুুরিয়ে ভাবকীর মোড়ের দিকে নিয়ে যায়।

প্রতিবেশী মো: আল-আমীন বলেন, ককটেলের শব্দে মনে হচ্ছিলো এলাকায় গুলাগুলি চলতেছে। প্রায় ৩০ মিনিট ডাকাত দলের সাথে এলাকাবাসীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দের কারণে ট্রাক ড্রাইভার ভয়ে তার গাড়ীটি শরিয়ে নেয় এবং ডাকাতদল পালিয়ে যায়।

ডাকাত দল পালানোর সময় এলাকাবাসী বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থল থেকে কিছু বিস্ফোরকও উদ্ধার করা হয়েছে।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, শুধু ডাকাতি না আমরা ভিন্ন কিছু ধারণা করছি। ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্তের কারণে সব বলা যাচ্ছে না। তবে আমাদের আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।

ময়মনসিংহে বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত: থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
ময়মনসিংহে বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত: থানায় মামলা

ময়মনসিংহ নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন বেগুনবাড়ী এলাকায় বেপরোয়া গতির বাসের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক আব্দুল কদ্দুছ (৬৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন অটোরিকশায় থাকা আরও দুই যাত্রী।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে ময়মনসিংহ–টাঙ্গাইল মহাসড়কের ৯নং খাগডহর ইউনিয়নের ৩নং মাইজবাড়ী ওয়ার্ডের বেগুনবাড়ী এলাকায় হারটি রাস্তার মোড়ে।

নিহত আব্দুল কদ্দুছ দেওখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি দুইজন যাত্রী নিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজীব পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৩-২০৬৫) বেপরোয়া গতিতে এসে অটোরিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি ছিটকে রাস্তার পাশে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনায় অটোরিকশা চালক আব্দুল কদ্দুছ মাথা ও পায়ে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের মৃত্যুসনদে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে সড়ক দুর্ঘটনা (RTA) উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আহত অপর দুই যাত্রী হলেন, তৌহিদ (৩৮) ও নজরুল মিয়া (৬০)। তাদের মধ্যে তৌহিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এদের তৌহিদ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৯ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন এবং নজরুল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মমেক হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়েছে।

ঘটনার পর কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মর্জিনা (৫৮) কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, বাসটির অজ্ঞাতনামা চালক বেপরোয়া ও দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে তার স্বামীর অটোরিকশায় ধাক্কা দিয়ে মৃত্যু ঘটিয়েছে।

পুলিশ জানায়, বাসটি শনাক্ত করা হয়েছে এবং চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮ কেজি গাঁজা, সিএনজি ও ২০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:২৬ পিএম
ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮ কেজি গাঁজা, সিএনজি ও ২০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের পৃথক দুটি অভিযানে ৮ কেজি গাঁজা, একটি সিএনজি অটোরিকশা এবং ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডিবি পুলিশের এসআই (নিঃ) মোঃ আরিফ হাসান সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানাধীন মাইজহাটি এলাকা থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ বাদল মিয়া (৩৯) কে গ্রেফতার করেন। অভিযানের সময় সিএনজিটির পিছনের ইঞ্জিনের ডালার উপর বিশেষভাবে তৈরিকৃত একটি বাক্সের ভেতর থেকে ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত বাদল মিয়া ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর থানার চিনাইর (পূর্বপাড়া চৌধুরীবাড়ী) এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে পূর্বে তিনটি মাদক মামলা রয়েছে।

অপরদিকে, একই দিন বিকাল আনুমানিক ৪টা ৪০ মিনিটে ডিবি পুলিশের এসআই (নিঃ) মোঃ মুকিত হাসান সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী দেওয়ান মোহাম্মদ আলী (৫৪) কে গ্রেফতার করেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার কেরাব দেওয়ান বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধেও তিনটি মাদক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

উদ্ধারকৃত ৮ কেজি গাঁজা, একটি সিএনজি অটোরিকশা এবং ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে গ্রেফতারকৃত দুই আসামির বিরুদ্ধে গফরগাঁও ও কোতোয়ালী মডেল থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল। এদের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডিবি পুলিশের এই সফল অভিযানে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে পুলিশের এমন তৎপরতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

বিএনপি’র দলীয় ও সতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ ও গুলি বর্ষণের অভিযোগ: আহত-১০

নিজস্ব প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫৭ এম
বিএনপি’র দলীয় ও সতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ ও গুলি বর্ষণের অভিযোগ: আহত-১০

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা-১০ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলীয় বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনাকর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) ২০২৬ তারিখে সন্ধ্যায় গফরগাঁও পৌর শহরের ইসলামিয়া স্কুলের সামনে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

আহতদের মধ্যে আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সোহাগ, রবিন, জসিম, মোঃ ফরহাদ, দেলোয়ার হোসেন, মহসিন, জান্নাতুল ফেরদৌসসহ আরও অনেক নেতাকর্মী গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতীক বরাদ্দের পর বিকেলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চুর সমর্থকেরা ধানেরশীষ প্রতিকের শোভাযাত্রার প্রস্তুতি নিয়ে ঘটনাস্থল এলাকায় অবস্থান করছিলেন। একই সময় দলীয় বিদ্রোহী সতন্ত্র প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমান হাঁস প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর সমর্থকদের নিয়ে মিছিলসহ ওই এলাকায় প্রবেশ করলে দুই পক্ষ মুখোমুখি হয়ে উত্তেজনার সূত্রপাত হয় অতপর সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।

সংঘর্ষ চলাকালে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ ও ছাত্রদলের অফিসে অগ্নিসংযোগ করাসহ আরো কয়েকটি স্থানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে বলে জানা যায়। ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিচার্জের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

ঘটনার বিষয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল আল মামুন বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চু অভিযোগ করে বলেন, “পরিকল্পিতভাবে আমার দলের নেতাকর্মীদের ওপর প্রকাশ্যে গুলি চালানো হয়েছে। এই বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ও ভিডিও ফুটেজ যাচাই করে অবিলম্বে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়ে বলেনএই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “প্রতীক পাওয়ার পর আমার সমর্থকেরা শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছে। আমি নিজে গাড়িতে ছিলাম। আমরা কোনো হামলায় জড়িত নই।

এ ঘটনায় বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবি সিদ্দিকুর রহমানের রাজনৈতিক ভূমিকা ও অবস্থান নিয়ে দলীয় অঙ্গনে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, তিনি শিল্প ও বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা একটি মামলার আসামি হওয়ায় দলীয় মনোনয়ন পাননি। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

তবে দুদকের মামলার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে এবি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “মামলা রাজনৈতিক বাস্তবতায় হতেই পারে। বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার।

এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।