বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী পুলিশের অভিযানে পরোয়ানা ও অপহরণ মামলার আসামীসহ গ্রেফতার-১৬

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫, ৬:৫৪ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী পুলিশের অভিযানে পরোয়ানা ও অপহরণ মামলার আসামীসহ গ্রেফতার-১৬

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ শুক্রবার (২৭ জুন) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করিয়া বিভিন্ন মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানা ভুক্ত মোট ১৬ জন আসামী গ্রেফতার করেছে।

এসআই রিপন চন্দ্র সরকার সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অপহরণ মামলার আসামী ১। মোঃ সুমন মিয়া (৫৫), পিতাঃ সরাব উদ্দিন সৈন্না, মাতা-রহিমা, সাং-মীরকান্দা পাড়া, ০৪নং পরানগঞ্জ ইউনিয়ন, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ, এ/পি-সি ব্লক, কলোনী মসজিদ সংলগ্ন, জাহাঙ্গীরের বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-খিলগাঁও, ঢাকা কে গ্রেফতার করেন।

এসআই সজীব কোচ, অন্তি রানী সরকার, মাকসুমুল হাসান খালিদ, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালানা করিয়া অন্যান মামলার আসামী ১। মোঃ মোবারক হোসেন (১৯), পিতা-সুমন মিয়া, মাতা-মর্জিনা বেগম, সাং-আকুয়া ফিরোজ লাইব্রেরী মোড়, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ, ২। মোঃ হিরন মিয়া তালুকদার (৫৫), পিতা-নুরুল ইসলাম তালুকদার, সাং-ফতেপুর, থানা-মদন, জেলা-নেত্রকোনা, এ/পি-দাপুনিয়া বাজার সংলগ্ন, ৩। মোঃ সুজন মিয়া (২৫), পিতা-সাইদুল ইসলাম, মাতা-রহিমা, সাং-কেওয়াটখালী ময়নার মোড়, ৪। সাকিব হাসান (২২), পিতা-মিরাজ আলী, মাতা-রেখা আক্তার, সাং-মাসকান্দা খানকা মসজিদ, ৫। মোঃ মুরাদ(২৯), পিতা-জামাল উদ্দিন, মাতা-মাজেদা , ঠিকানা: স্থায়ী: (আকুয়া ফিরোজ লাইব্রেরী) , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ: ৬। জিসান(২১), পিতা-মোঃ ফজলু, মাতা-মোছাঃ রেশমি , ঠিকানা: স্থায়ী: (আকুয়া ওয়ারলেছ) , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ: ৭। মোঃ অপু ইসলাম(২২), পিতা-মোঃ আমির ইসলাম, মাতা-রিভা , ঠিকানা: স্থায়ী: গ্রাম- কাশর, উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ: ৮। মোঃ পারভেজ (২৩), পিতা-মোঃ ফিরোজ মিয়া, মাতা-শাহিদা খাতুন , ঠিকানা: স্থায়ী: গ্রাম- কাশর, ৯। শ্রী চঞ্চল চন্দ্র দে (২৪), পিতা-মঙ্গল চন্দ্র দে, সাং-মেডিকেল গেইট কোয়ার্টার, ১০। আরিয়ান হোসেন আজাদ (২০), পিতা-কামাল হোসেন, সাং-পাটগুদাম র‌্যালীর মোড়, ১১। শ্রী রঞ্জন সাহা (২৪), পিতা-নন্দন সাহা, সাং-পাটগুদাম ব্রীজ ইসলামবাগ, ১২। তারা বানু (৪০), পিতা-মৃত আঃ খালেক, মাতা-সাহেরা খাতুন, সাং-নীলগঞ্জ, থানা-কিশোরগঞ্জ, জেলা-কিশোরগঞ্জ, ১৩। শিকদার মেহমুদ তন্ময় (৩৭), পিতা-আঃ খালেক শিকদার, মাতা-বিনা শিকদার, সাং-৮৬ সেহড়া ধোপাখোলা, ওয়ার্ড নং-১৩, থানা-কোতোয়ালী মডেল, জেলা-ময়মনসিংহ দেরকে অত্র থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

পরোয়ানা মূলে গ্রেফতার-

এএসআই হুমায়ুন কবির, মাহমুদুল হাসান ১। মোঃ মুরাদ (২৭), পিতা-মোঃ জামাল উদ্দিন, স্থায়ী : গ্রাম- আকুয়া (একাডেমী স্কুলের সামনে ফিরোজ লাইব্রেরি মোড় আমজাদের বাড়ী রোড) , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ, ২। মোঃ আঃ মোতালেব (৩৫), পিতা-মৃত হোসেন আলী, স্থায়ী : গ্রাম- কৃষ্টপুর (নিউকলেনী), উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ কে গ্রেফতার করেন।

প্রত্যক আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৪ পিএম
ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

ময়মনসিংহ নগরীর ধোপাখলা এলাকায় কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় এবং কোতোয়ালী থানাধীন ৩নং ফাঁড়ির চৌকস এস আই সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি অভিযান চালিয়ে মোঃ পিয়াল হাসান (২৬) নামে এক চোর, মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত পিয়াল হাসান বাঘমারা এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা: রমজান আলী ও মাতা: পারভিন বেগম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে একটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি এবং মাদক সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, কোতোয়ালী মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও মাদক সংক্রান্ত মোট ৮টি মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২১ এম
ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের পাড়াইল গ্রামে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে এক কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে। গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সংঘটিত এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে খাইরুল ইসলাম, মফিজ, আবেদ আলী, রাবেয়া খাতুন, লাকী আক্তারসহ অজ্ঞাত আরও ৬/৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সবাই স্থানীয় কৃষকদল নেতা আশিকুর রহমান মিলনের অনুসারী বলে দাবি করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা উক্ত জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। হঠাৎ করে কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলন জমিটি ক্রয় করেছেন দাবি করে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবার নিজেদের নিরাপত্তার জন্য থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জিডি করার পর অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও তা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তারা ভুক্তভোগীর জমিতে থাকা দোকানপাট ভাঙচুর করে মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় হামলায় পরিবারের দুই সদস্য আহত হন।

এছাড়া ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দোকানের পাশেই থাকা তাদের পারিবারিক গোরস্থানের জমিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাড়িঘরে থাকতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পুলিশ জানায়, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৬ পিএম
বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

ময়মনসিংহে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উপপরিচালকের পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্তসাপেক্ষে পদোন্নতি বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ১২ এপ্রিল অভিযোগ দুটি জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ময়মনসিংহে কর্মরত উপপরিচালক হারুন অর রশিদ ২০২১ সালে বিধিবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি লাভ করেন। অভিযোগকারীর দাবি, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নিয়োগ বিধিমালা উপেক্ষা করে তিনি এ পদোন্নতি নেন।

নিয়োগ বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী, উপপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী পরিচালক হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা আবশ্যক। কিন্তু অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হারুন অর রশিদ ১৮ এপ্রিল ২০১৪ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৭ জানুয়ারি ২০২১ সালে পদোন্নতি পাওয়ার সময় তার অভিজ্ঞতা ছিল ৭ বছরেরও কম।

এছাড়া ২০১৮ সালের জ্যেষ্ঠতা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৪০ নম্বরে। কিন্তু পদোন্নতির তালিকায় তাকে ৬০ নম্বরে উন্নীত করা হয়, যা জ্যেষ্ঠতা নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে তিনি এই পদোন্নতি নিশ্চিত করেন। এতে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন –

১) অবৈধ পদোন্নতি বাতিল,

২) পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা,

৩) সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।

এ বিষয়ে উপপরিচালক হারুন অর রশিদের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে সচিব স্যার অবগত আছেন, তিনিই সব ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।