মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯ তম

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ৩ মে, ২০২৫, ১০:২৯ পিএম
গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯ তম

বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে গত বছরের তুলনায় ১৬ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম। এবারও বাংলাদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিস্থিতি ‘বেশ গুরুতর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ মে) বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) তাদের ২০২৫ সালের সূচক প্রকাশ করেছে।

১৪৯তম স্থানে থেকে বাংলাদেশের স্কোর ৩৩.৭১। ২০২৪ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৬৫তম, এর আগের বছর ছিল ১৬৩তম। ২০১৮ সালের পর এই প্রথম সূচকে ১৫০-এর ভেতর অবস্থান করছে বাংলাদেশ।

আরএসএফের এ বছরের সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান ১৫১তম, পাকিস্তানের ১৫৮তম ও ভুটানের ১৫২তম। সূচকে এই তিনটি দেশ বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে আছে। তবে নেপাল (৯০তম), শ্রীলঙ্কা (১৩৯তম) ও মালদ্বীপ (১০৪তম) বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে।

টানা নবমবারের মতো সূচকের শীর্ষে আছে নরওয়ে। এবার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান দখল করেছে এস্তোনিয়া ও নেদারল্যান্ডস।

সূচকে ২০২৪ সালে ১১ ধাপ পেছানোর পর এ বছর আরও দুই ধাপ পিছিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ৫৭তম স্থানে অবস্থান করছে। এই সূচকে দেশটির অবস্থান এখন পশ্চিম আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিয়েরা লিওনেরও নিচে।

আরএসএফের জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় ‘আশঙ্কাজনক অবনতি’ ঘটিয়েছেন, যা দেশটিতে ‘স্বৈরাচারী মোড়ের’ ইঙ্গিত দেয়।

এবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, সূচকের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বের অর্ধেক দেশের জন্য সাংবাদিকতার অনুকূল পরিবেশ ‘খারাপ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এক-চতুর্থাংশেরও কম দেশে পরিস্থিতি ‘সন্তোষজনক’।

২৩ বছর ধরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বার্ষিক সূচক প্রকাশ করে আসা প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এবার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সর্বনিম্ন অবস্থানে পৌঁছেছে।

ময়মনসিংহে ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের স্থান নিয়ে বিতর্ক!

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
ময়মনসিংহে ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের স্থান নিয়ে বিতর্ক!

ময়মনসিংহ নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ওয়ার্ডবাসীর অভিযোগ, প্রস্তাবিত স্থানটি অধিকাংশ মানুষের জন্য দূরবর্তী হওয়ায় নাগরিক সেবা গ্রহণে ভোগান্তি বাড়তে পারে।

স্থানীয় নাগরিকদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, Mymensingh City Corporation-এর ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিসের জন্য নির্ধারিত বর্তমান স্থানটি ওয়ার্ডের অনেক বাসিন্দার জন্য সুবিধাজনক নয়। এতে প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার মানুষকে নাগরিক সেবা গ্রহণের জন্য দুই থেকে তিন কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হতে পারে।

নাগরিকদের মতে, বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, নারী ও সাধারণ মানুষের জন্য এত দূরত্ব অতিক্রম করা কষ্টসাধ্য হবে। এতে সরকারের ঘোষিত নাগরিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার মূল লক্ষ্যও ব্যাহত হতে পারে।

আবেদনকারীরা উল্লেখ করেছেন, Constitution of Bangladesh-এর অনুচ্ছেদ ২৭ (আইনের দৃষ্টিতে সমতা) এবং অনুচ্ছেদ ৩১ (আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার) অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক সমানভাবে প্রশাসনিক সেবা পাওয়ার অধিকারী।

এছাড়া Local Government (City Corporation) Act, 2009 অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম দায়িত্ব হলো নাগরিকদের জন্য সহজলভ্য, স্বচ্ছ ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা।

সরকারের Digital Bangladesh ও Smart Bangladesh বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নাগরিক সেবা সহজলভ্য করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে Local Government Division এবং a2i Programme-এর মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

নাগরিকদের মতে, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডেও আধুনিক নাগরিক সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হলে মানুষ দ্রুত ও সহজে সরকারি সেবা পেতে পারবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের জন্য যে জমি নির্বাচন করা হয়েছে সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ে বা বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের মালিকানাধীন হতে পারে বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এসব জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করলে ভবিষ্যতে আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে সচেতন নাগরিকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ওয়ার্ডবাসীর দাবি, নাগরিকদের মতামত বিবেচনা করে অধিকাংশ মানুষের জন্য সহজে যাতায়াতযোগ্য চায়না মোড় এলাকায় ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপন করা হলে হাজারো মানুষ উপকৃত হবে।

ওয়ার্ডবাসীর পক্ষে উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তা বিপ্লব নিভ বলেন, “নাগরিকদের সুবিধা বিবেচনা করেই ওয়ার্ড অফিসের স্থান নির্ধারণ করা উচিত। আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে এমন স্থানে অফিস স্থাপন করুক, যেখানে অধিকাংশ মানুষ সহজে সেবা নিতে পারে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ময়মনসিংহের চর নিলক্ষীয়ায় বিএনপি’র আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম
ময়মনসিংহের চর নিলক্ষীয়ায় বিএনপি’র আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

ময়মনসিংহ সদরে ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে রাজগঞ্জ সাহেব কাচারি বাজারে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুল হাসান রাসেলের সভাপতিত্বে ও মহসিন আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন কোতোয়ালী বিএনপি’র আহ্বায়ক হেলাল আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াহিয়া হোসেন শাহীন, সদস্য সচিব, মোঃ আজহারুল ইসলাম বুলবুল সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম শহীদ সদস্য, আব্দুস ছালাম।

ইফতার পূর্ব মিলাদ ও মোনাজাত পাঠ করা হয়।

ময়মনসিংহ বিসিক শিল্পনগরীতে কয়েল কারখানায় আগুন, ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভিন্ন দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৭ পিএম
ময়মনসিংহ বিসিক শিল্পনগরীতে কয়েল কারখানায় আগুন, ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভিন্ন দাবি

ময়মনসিংহের বিসিক শিল্প নগরীর একটি কয়েল উৎপাদন কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটের তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হয়।

শনিবার (৭ মার্চ) দিনগত রাত ৩টার দিকে বিসিক শিল্প নগরীতে ‘মেসার্স তাকওয়া মার্কেটিং নেটওয়ার্ক’ উৎপাদিত নাইটগার্ড মশার কয়েলের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. হাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, রাত ৩টার দিকে ওই কয়েল উৎপাদন কারখানায় হঠাৎ করেই আগুন দেখতে পায় লোকজন। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে সদর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ও বাকৃবি ফায়ার সার্ভিসের আরও দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। তবে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হয় সকাল ৬টার পর।

ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, অগ্নিকাণ্ডে কারখানার অনেক অংশসহ উৎপাদিত কয়েল, উৎপাদন সামগ্রী, মটরসহ কারখানায় থাকা অন্য জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদিও কারখানার মালিকের দাবি, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছি। বিসিকে প্রচুর পরিমাণ শিল্প কারখানা রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ছাড়াই আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।