শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

বালু খেকো আ’লীগের দোষরদের চক্রান্তে পরাস্ত হলেন, ময়মনসিংহে ছাত্রদল নেতা জনি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫, ১২:১১ পিএম
বালু খেকো আ’লীগের দোষরদের চক্রান্তে পরাস্ত হলেন, ময়মনসিংহে ছাত্রদল নেতা জনি

সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা টাকা বিনিময়ে সৃষ্ট কূটকৌশলের কাছে পরাস্ত যুগ যুগ ধরে। তেমনি আওয়ামী লীগের দোষরদের টাকা বিনিময়ে অপতৎপরতার কাছে পরাস্ত হলেন ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদল নেতা সামী পাটুয়ারী জনি।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার ছাত্রদল নেতা জনি পাটোয়ারী নিজের ভাড়াকৃত জমি রক্ষা করতে গিয়ে কতিপয় অবৈধ বালু খেকোদের ভুল তথ্যে কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সন্দেহের দৃষ্টিতে পরেন। হন দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে অপরাধী, হারিয়েছেন নিজ দলের আস্থা। কোন প্রকার যাচাই বা আত্মপক্ষ সমর্থন ছাড়াই পেয়েছে দল থেকে বহিষ্কার পত্র।

ময়মনসিংহে রাজনৈতিক আড্ডা মাতিয়ে বেড়াচ্ছে আ’লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় ধাব্রিয়ে বেড়ানো বালু খেকোদের কূটকৌশলের গল্প। বেড়িয়ে আসতে থাকে কিভাবে সত্যকে আড়ালে রেখে সফল হয়েছে চক্রটি।

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানাযায়, গত বছর ব্যবসায়ী প্রয়োজনে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এলাকার চরঈশ্বরদিয়া মৌজার আরওআর ১২৫৩ নং দাগ এবং বিআরএস ৩২৭৬ ও ৩২৮০ নং দাগের ভুমির মালিক মোঃ জহিরুল ইসলাম (রতন), পিতাঃ- নুরুল ইসলাম, ঠিকানা- ৮ নং কালীবাড়ী বাইলেন, থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা- ময়মনসিংহ এবং ১ম পক্ষ:- শিপুল সরকার, পিতা:- দেবেশ সরকার, মাতা- চঞ্চলা সরকার, বর্তমান ঠিকানা- ১৭৯ কালী বাড়ী রোড, থানা-সদর-২২০০, জেলা-ময়মনসিংহ, স্থায়ী ঠিকানা- রামগোপালপুর, থানা-গৌরিপুর-২২৭১, জেলা-ময়মনসিংহ এর নিকট থেকে বিগত ২২/১০/২০২৪ ইং তারিখে ৩(তিন) বছর মেয়াদি চুক্তি পত্রের মাধ্যমে (খালি জমি) ভাড়া নেয় মো. সামি পাটোয়ারী জনি, পিতাঃ- আজিজ পাটুয়ারি, সাং- ৪৬ নং থানার ঘাট, থানা- কোতোয়ালী মডেল জেলা- ময়মনসিংহ। চুক্তি পত্রে উল্লেখিত ভুমিতে কতিপয় রাজনৈতিক লেবাসধারী বালু খেকোদের অপতৎপরতা বাধা দিতে গিয়ে বিপত্তির কারণ হন এবং চক্রান্তকারীদের রোষানলে পরেন ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সামি পাটোয়ারী জনি’কে। বালু খেকোদের অপকৌশলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সন্দেহের দৃষ্টিতে পরেন এবং তাকেই হতে হয় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে অপরাধী। কোন প্রকার যাচাই বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছাড়াই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সিন্ধান্তে পেয়ে যান বহিষ্কার পত্র। বহুদলীয় লেবাস ধারনকারী বালু খেকোরা পেয়ে যায় অবাধ বিচরনের সফলতা।

অপরদিকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামে দলীয় সিন্ধান্তের প্রতি সচেষ্ট নিজের অবিচল ত্যাগ এবং কারাবরণের অবদান হয়েছে চক্রান্তকারীদের কৌশলের কাছে পদদলিত। দলবাজ বালু খেকোদের চক্রান্তে সামি পাটুয়ারী জনি হারিয়েছেন রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং আদর্শিক স্বপ্ন।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ সহ তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার বিষয়ে সামী পাটোয়ারী জনি কাছে জানতে তিনি বলেন, নিজের সম্পদ রক্ষা করা বা নিজ স্বার্থ রক্ষা করা প্রতিটি মানুষের দ্বায়িত্ব । আমি আমার সম্পদ তছরুপ কারীদের হাত রক্ষা করা আমার দ্বায়িত্ব বা অধিকার। সে জন্য কতিপয় প্রশাসনকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে আমার উপর শৃঙ্খলা ভঙ্গের ব্যবস্থা নিয়েছে, উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ তা পুর্নমুল্যায়ন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি আরো বলেন, সমাজে কিছু সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তি বা চক্র অন্যের ক্ষতি করার জন্য প্রস্তুত থাকে। তেমনি ভাবে কতিপয় ব্যক্তি বা চক্র আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সামাজিক এবং রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন করেছে। মিথ্যে দিয়ে সত্যকে ধাবিত করা যায় না। তবে চক্রটি আমার যে ক্ষতি করেছে তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবো। আমার রাজনৈতিক ত্যাগ দলীয় নেতৃবৃন্দ বিবেচনায় নেবেন এটা আমি বিশ্বাস করি।

ময়মনসিংহে দম্পতির সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ: গালিগালাজ থেকে হত্যার হুমকি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১৩ পিএম
ময়মনসিংহে দম্পতির সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ: গালিগালাজ থেকে হত্যার হুমকি

ময়মনসিংহ শহরের ৮নং ওয়ার্ডের রমেশ সেন রোড, ঠাকুরবাড়ী এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত শফিকুল ও তার স্ত্রী শিল্পীর দীর্ঘদিনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে স্থানীয়রা। তাদের লাগাতার ভয়ভীতি, গালিগালাজ, হামলা ও হুমকির ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে ঘটেছে বড় ধরনের হামলার ঘটনা। লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী মোছাঃ শিল্পী আক্তার (৩০) উল্লেখ করেন, বিবাদী শফিকুল (৩০) ও তার স্ত্রী শিল্পী (২৫) পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রমেশ সেন রোডের ঠাকুরবাড়ী এলাকায় এসে তাকে অকারণে গালিগালাজ করতে থাকে। গালিগালাজ বন্ধ করতে বললে ১নং বিবাদী শফিকুল তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে ধাওয়া করে।

তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে তিনি প্রাণে রক্ষা পান। তবে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো—ঘটনার পর বিবাদীরা পুনরায় তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হুমকি দেয় যে, বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে বা থানায় অভিযোগ করলে তারা সুযোগ পেলে তাকে হত্যা করে গুম করবে এবং উল্টো তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেবে।

অভিযোগকারী শিল্পী আক্তার জানান, বিবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে তার সাথে ঝগড়া, মারধর, হুমকি এবং বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টা করে আসছে। বর্তমানে তিনি গুরুতর সামাজিক ও শারীরিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এলাকার সাধারণ মানুষও এই সন্ত্রাসী আচরণের কারণে আতঙ্কে রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাটির প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী রয়েছেন এবং তদন্ত করলে বিষয়টির সত্যতা প্রমাণ হবে।

এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

ঢাকা-৮ এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ: ঢামেকে আশঙ্কাজনক

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:০৬ পিএম
ঢাকা-৮ এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ: ঢামেকে আশঙ্কাজনক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ জানান, হাদির মাথার ভেতরে গুলি রয়ে গেছে। তিনি বলেন, “হাদিকে যখন আনা হয়, তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। সিপিআর দেওয়ার পর এখন সামান্য রক্তচাপ ফিরে এসেছে। কানের আশপাশে গুলি লেগেছে এবং মাথার ভেতর গুলি রয়েছে।”

এর আগে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বিজয়নগরের পানির ট্যাংক এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুজন দুর্বৃত্ত তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

হাদিকে উদ্ধারকারী মিসবাহ জানান, জুমার নামাজ পড়ে রিকশায় মতিঝিল-বিজয়নগর দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহীরা হঠাৎ গুলি চালায়। গুলি হাদির বাঁ কানের নিচে লাগে। পরে রিকশায় করেই তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “ঘটনার বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি—তিনি রিকশায় ছিলেন, তখনই মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয়।”

উল্লেখ্য, এর আগেও শরিফ ওসমান হাদি হত্যার হুমকি পেয়েছিলেন বলে জানান। গত নভেম্বর মাসে দেশি-বিদেশি অন্তত ৩০টি নম্বর থেকে তাকে হত্যা, বাড়িতে আগুন ও তার পরিবারের নারী সদস্যদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। ১৪ নভেম্বর এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব তথ্য প্রকাশ করেন।

ময়মনসিংহে সন্ত্রাসী হামলায় আহত সাংবাদিকের পায়ের অস্ত্রোপচার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:০০ এম
ময়মনসিংহে সন্ত্রাসী হামলায় আহত সাংবাদিকের পায়ের অস্ত্রোপচার

সংবাদ প্রকাশের জেরে আ’লীগের সন্ত্রাসী সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের বর্বরোচিত হামলার ৪ বছর পর দৈনিক নতুন সময় পত্রিকার ময়মনসিংহ ব্যুরো চীফ মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বলের ডান পায়ের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর ) ইউনিভার্সেল হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক সার্জন অর্থোপেডিক্স ও ট্রমাটোলজী বিভাগের ডাঃ মোহাম্মদ উল্লাহ শিমুল।

ডাঃ শিমুল জানিয়েছেন সাংবাদিক মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বলের ডান পায়ের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পূর্ন হয়েছে। তাকে অন্তত ১মাস ব্যান্ডেস ব্যবহার করে বিশ্রামে থাকতে হবে।

লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ের বেদখলে থাকা এক একর ভুমি সহ অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে “নিজের চরকায় তেল দাও” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে বিদ্যালয়টির তৎকালীন স্ব-ঘোষিত রেক্টর ও চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক মাস্টার এবং তার ছেলে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মতিউর রহমান ফয়সালের লালিত ও পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মোহিত উর রহমান শান্ত’র রাজনৈতিক অনুসারী চরাঞ্চলের কুখ্যাত সন্ত্রাসী মোঃ সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের নেতৃত্বে হামলা করে সাংবাদিক মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল এর হাত-পা গুড়িয়ে দেয়। সন্ত্রাসীদের নির্মম আঘাতে মুমূর্ষু রক্তাক্ত আহত সাংবাদিক মাইন উদ্দিন উজ্জ্বলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর অস্ত্রোপচার করে তার ডান পায়ে রড সংযোজন করা হয়। দীর্ঘ চার বছর পর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকে পরামর্শে পুনরায় অস্ত্রোপচার করে পা থেকে রড অপসারণ হয়।

সাংবাদিক মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল জানান, লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ের অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় আমাকে রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক মাস্টার ও তার ছেলের নির্দেশে শাহীনের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলাসহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তবে শত ব্যথা দুঃখ কষ্টের মাঝেও আমি শান্তি খোঁজে পাচ্ছি যে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে দেশের পটপরিবর্তনের পর এডহক কমিটির সভাপতি এডিসি গোলাম মাসুম প্রধানের তদারকি ও স্থানীয়দের সহায়তায় বিদ্যালয়ের এক একর জমি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এটাই আমার শান্তি ও প্রাপ্তি এবং প্রকাশিত সংবাদের সফলতা। আমি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ন্যায়-নীতির সাথে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে ভুমিকা রাখতে পারি তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।

এসময় সাংবাদিক মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল আক্ষেপ প্রকাশ করে আরও বলেন, সন্ত্রাসী সিদ্দিকুর রহমান শাহীন ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পরেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে (১১ সেপ্টেম্বর) রাজগঞ্জ সাহেব কাচারি বাজারে ‘বন্ধু মহল’ নামে একটি ক্লাব উদ্বোধন করেন। সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মতিউর রহমান ফয়সাল।

দুঃখ প্রকাশ করে আরও বলেন, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় কতিপয় কিছু স্বার্থান্বেষী অর্থলোভী বিএনপি নেতা এই আওয়ামী দোষর ও সন্ত্রাসী শাহিনকে বিএনপিতে পুনর্বাসনের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অপরদিকে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুনের আত্মীয়তায় এজাহার নামীয় আসামি হয়েও বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

তাছাড়া কোতোয়ালী মডেল থানার সদ্য বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের মধ্যস্থতায় নালিশি বৈঠকে সিদ্দিকুর রহমান শাহীন আওয়ামী সন্ত্রাসী প্রমান হওয়ার পর ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বস্ত করলেও বিদায় (ওসি) পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেননি।

কতিপয় বিএনপি নেতা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুনের ভূমিকায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজসহ ফ্যাসিস্ট বিরোধী সমাজের সুশীল সমাজ।

উল্লেখ, বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের নামে দায়েরকৃত আদালতে বিচারাধীন মামলা প্রত্যাহারের জন্য সাংবাদিকের এক একর জমির উপর ফিসারীর যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে ৪ বছরে অন্তত ৬০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে এবং কতিপয় এক বিএনপি নেতার মদদে অদ্যবধি পর্যন্ত ফিসারীর মাছ চাষ বন্ধ রয়েছে। কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং- ৯৮(৩)২০২১ইং।