সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের অভিযানে গর্ভফুল ক্রয়-বিক্রয় চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ৮:৫৪ পিএম
ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের অভিযানে গর্ভফুল ক্রয়-বিক্রয় চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

জেলা গোয়েন্দা শাখা ময়মনসিংহ গত ০৭ মার্চ ২০২৫ অভিযানে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সংগ্রহীত মানব দেহের অঙ্গ পতঙ্গ (গর্ভফুল) ক্রয়-বিক্রয় চক্রের ০৫ সদস্য গ্রেফতার এবং বিভিন্ন আলামতসহ পিক আপ গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা সংস্থা।

গত ০৭/০৩/২০২৫ তারিখ জেলা গোয়েন্দা শাখা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, কতিপয় ব্যক্তি/ব্যক্তিরা পিক-আপ গাড়ীযোগে মানবদেহের অঙ্গ-পতঙ্গের অংশ বিশেষ (মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য অংশ বিশেষ) হিমায়িত প্যাকেটজাত করে প্লাষ্টিকের ড্রামে ভর্তি করে ধামরাই, ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করেছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম সময় কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বলাশপুর হাক্কানীর মোড় ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ এর সামনে পাকা রাস্তার উপর পিক-আপ গাড়ীটি আটক করেন। পরবর্তীতে গাড়ীটি তল্লাশী করে ১। পলিথিনে মোড়ানো ৩৫০ টি মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য অংশ বিশেষ, ২। ০৩ টি ক্যাটগার্ডসহ সুই, ৩। ০১(এক) টি খোলা ইনজেকশনের এ্যাম্পল ও ৪। ০১ টি ব্যবহৃত গ্লাভস উদ্ধার ও ড্রাইভার মোঃ রুহুল আমিন (৩৫)-কে গ্রেফতার করেন।

বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শক্রমে বিধি মোতাবেক প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ মাহাবুবুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা এবং ডাঃ তানভিন সুলতানা, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা, ময়মনসিংহদ্বয়ের মতামতের ভিত্তিতে উদ্ধারকৃত মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য আলামতগুলো ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয় এবং ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতঃ ধামরাই, ঢাকা সহ বিভিন্ন এলকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী নজরুল ইসলাম (৫৪), মোঃ মুমিনুর রহমান (৩২), দেওয়ান মোঃ অমিত (৩১) ও মোঃ খুরশিদ আলম (২৫)-দের গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী নজরুল ইসলাম (৫৪) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের কর্মচারীদের মাধ্যমে অবৈধভাবে মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য অংশ সংগ্রহ করে হিমায়িত করার পর ড্রাইভার মোঃ রুহুল আমিন (৩৫)-এর মাধ্যমে ঢাকার ধামরাই এলাকার মোঃ মুমিনুর রহমান (৩২)-এর নিকট সরবরাহ করে থাকে।

সরবরাহকৃত মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য অংশ আসামী মোঃ মুমিনুর রহমান (৩২) ও আসামী দেওয়ান মোঃ অমিত (৩১) চক্রের অন্যান্য সদস্যদের মাধ্যমে কোনপ্রকার বৈধভিত্তি বা অনুমতি ব্যতীত প্রক্রিয়াজাত ও ক্রয়-বিক্রয় কওে আসছেন যা আইন অনুযায়ী অপরাধ।

ধৃত আসামীর পূর্ণ নাম ও ঠিকানাঃ

১। নজরুল ইসলাম (৫৪), পিতা-মনির উদ্দিন মুন্সি, সাং-ধলিরকান্দা, থানা-তারাকান্দা, জেলা-ময়মনসিংহ।

২। মোঃ রুহুল আমিন (৩৫), পিতা-আব্দুল হামেদ তালুকদার, সাং-বাদুড় তলা, থানা-গৌরনদী, জেলা-বরিশাল, এ/পি বাড়ী নং-৫৪ হাজী সাহেবের বাড়ী বেড়ীবাঁধ, হাজারীবাগ, ডিএমপি, ঢাকা ।

৩। মোঃ মুমিনুর রহমান (৩২), পিতা-মৃত মাহবুবুর, সাং-৬২/৩/১ বাগনগর মডেল টাউন, থানা-ধামরাই, জেলা-ঢাকা।

৪। দেওয়ান মোঃ অমিত (৩১), পিতা-দেওয়ান মোঃ আসফাক, সাং-কালিয়াগার, থানা-ধামরাই, জেলা-ঢাকা ।

৫। মোঃ খুরশিদ আলম (২৫), পিতা-মৃত মোখলেছুর রহমান, সাং-পাহাড় পাইবজান, থানা-মুক্তাগাছা, জেলা-ময়মনসিংহ।

উদ্ধারঃ

১। পলিথিনে মোড়ানো ৩৫০ টি মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য অংশ বিশেষ।

২। ০৩ টি ক্যাটগার্ডসহ সুই ।

৩। ০১ টি খোলা ইনজেকশনের এ্যাম্পল ।

৪। ০১ টি ব্যবহৃত গ্লাভস।

৫। ০১ টি নীল রংয়ের পিক-আপ।

শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম
শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমে ধীরগতি, ডেঙ্গু ও হামের প্রাদুর্ভাব এবং ফাইলবন্দি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। এ প্রেক্ষাপটে রোববার (২১ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির জুন ২০২৬ মাসের সভা।

ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম ও চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বাস্তবমুখী উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি এবং হামের সংক্রমণের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে অন্তত একদিন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মশার লার্ভা ধ্বংসে সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুততর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে ও কার্যকরভাবে ব্যয় নিশ্চিত করে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজারে অসাধু সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা রোধে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণে কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে কার্যকর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক।

সভায় জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, “উন্নয়ন বা জনসেবার নামে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। মাঠপর্যায়ের কাজের অগ্রগতি শুধু নথিপত্রে নয়, বাস্তবেও দৃশ্যমান হতে হবে।”

সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তারাকান্দা উপজেলার কৃতি সন্তান এস. এম. মেহেদী হাসান তালুকদার।

তিনি তারাকান্দা উপজেলার ৭ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। মেহেদী হাসান তালুকদার রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর বাবা মোঃ উছমান গনি তালুকদার রামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তাঁর দাদা ছিলেন ওই ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি।

পারিবারিকভাবে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক আদর্শ ও চেতনার পরিবেশে বেড়ে ওঠা মেহেদী হাসান তালুকদার ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, দলের প্রতি নিষ্ঠা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

তাঁর এ পদপ্রাপ্তিতে তারাকান্দা উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মেহেদী হাসান তালুকদার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:১৯ এম
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। এ প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল ও নগদ অর্থ পুরস্কার গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী খুদে ফুটবলার মিতুল হাসান।

মিতুল হাসান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ২ নম্বর পুটিজানা ইউনিয়নের মৌহাতলা এলাকার বাসিন্দা মুরাদ হাসানের ১৩ বছর বয়সী ছেলে। বর্তমানে সে ত্রিশাল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল তার অদম্য আগ্রহ। প্রতিবেশী রিফাত আহমেদ রিজভীর হাত ধরে শিবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবলের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে নিজের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে ফুলবাড়িয়ার কেশরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত কেএনবিএস যুব স্পোর্টিং একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে মিতুল।

পড়ালেখার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কারণে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর দ্রুতই সে স্কুল দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়। তার অসাধারণ নৈপুণ্যের সুবাদে দলটি বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার্সআপ খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল গ্রহণ করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিতুল। সে জানায়, এই স্বীকৃতি তার ভবিষ্যৎ ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মিতুলের এই সাফল্যে ফুলবাড়িয়া, ত্রিশালসহ সমগ্র ময়মনসিংহ অঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, মিতুলের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হবে।