বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

সাংবাদিক সোহাগ আরেফিন এর আজ জন্মদিন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:০৩ পিএম
সাংবাদিক সোহাগ আরেফিন এর আজ জন্মদিন

সাংবাদিক নির্যাতন, অপরাধ, দুর্নীতি, দুঃশাসন সেখানেই নির্ভীক, সাহসী, এক সাংবাদিকের পদচারণা। তার নাম সোহাগ আরেফিন।

যে কোন মূল্যেই তিনি তুলে নিয়ে আসবেন ঘটনার অন্তরালের মূল ঘটনা। অপরাধ ও অপরাধী যত গভীরেই থাকুক না কেন সেখান থেকেই তিনি তার চতুরতা, একনিষ্ঠ কর্মদক্ষতা দিয়ে টেনে বের করেন লুকানো সে সব অপরাধীদের। তাদের মন্দ কাজের সকল আমলনামা তুলে ধরেন দেশ ও জাতীর সম্মুখে। সত্যর সন্ধানরত ও নির্ভীক সাংবাদিক সোহাগ আরেফিন জীবনে সুখ বিলাস লোভের মোহ ত্যাগের প্রতীক। সহজ-সরল জীবন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিহাদী তিনি। অপরাধ মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অপ্রতিদ্বন্দী কণ্ঠস্বর এর নাম সোহাগ আরেফিন। এমন মন্তব্য করেছেন বিএমইউজে’র কেন্দ্রীয় সভাপতি সোহেল আহমেদ সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান।

১৯৮৪ সালের এই দিনে সাবেক নৌ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান ও নূর জাহান বেগম এর কোল আলোকিত করে জন্মগ্রহন করেন সোহাগ আরেফিন। তিন বোনের এক ভাই আজকের স্বনামধন্য সিনিয়র সাংবাদিক এই সোহাগ আরেফিন।

এ সময়ের সাংবাদিকতায় দেশের কয়েকজন ঈর্ষান্বিত সাংবাদিক সংগঠকদের মধ্যে সোহাগ আরেফিন নামটি বেশ পরিচিত ও অন্যতম।

পৈতৃক নিবাস কুমিল্লাতে হলেও শৈশব ও পড়াশোনার জীবন কেটেছে চট্টগ্রাম শহরে। পরে ঢাকায় সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিয়ে অত্যন্ত সফলতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ঢাকায় পত্রিকায় লেখালেখির হাতেখড়ি পায় দৈনিক অন্য দিগন্তর সম্পাদক মোঃ মাসুদ এর কাছ থেকে এবং ঐ পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি দীর্ঘদিন। এরপর সুবাস সিংহ রায়ের এবিসি নিউজ, জাতীয় দৈনিক নতুন কাগজ, সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রা এবং দীর্ঘদিন দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় দায়িত্ব পালন করেন অত্যন্ত সুনামের সাথে এবং সোহাগ আরেফিনের সাংবাদিকতার নীতি নির্ধারক ছিলেন সারা বাংলাদেশের অনুসন্ধানী প্রতিবেদকের জাদুকর সাইদুর রহমান রিমন বর্তমানে তারই সম্পাদিত পত্রিকা দৈনিক দেশ বাংলা’র চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। এর পাশাপাশি সোহাগ আরেফিন দৈনিক কালের প্রতিচ্ছবি পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সাংগঠনিকভাবে ও সোহাগ আরেফিন এর দক্ষতা ও দূরদর্শিতা চোখে পড়ার মতো। তিনি টানা ২ বার ঢাকা মেট্রোপলিটন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন এর সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। সাংবাদিকদের আস্থার স্থল বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম এর সাথে ২০১৪ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত সুনামের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ সময় তিনি সংগঠন এর শীর্ষস্থানীয় পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সময় তিনি সারা বাংলাদেশে ৩৭টি জেলা উপজেলা কমিটি গঠন করে সংগঠনের সুনাম বয়ে আনেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও সোহাগ আরেফিন চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন এর টানা ৬ বছর সফল সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। লাভ করেছেন ট্রাব অ্যাওয়ার্ড সহ বহু পুরস্কার।

সাংবাদিকতার মত মহান পেশা ছেড়ে অন্য কিছুই চিন্তাভাবনায় ভাবতে চান না সোহাগ আরেফিন।

সোহাগ আরেফিন নম্র প্রকাশভঙ্গী প্রাণবন্ত ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন একজন মানুষ। তার এই কোমল আচরণের কারণেই সবাই তাকে ভালোবাসে স্নেহ করেন। আর তাই তিনি সকলের কাছে সমান সমাদৃত।

পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভোজন রসিক সোহাগ আরেফিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে বেশ পছন্দ করেন। পাহাড় খুব পছন্দ তাই নির্বাক সময় তাকে বিচরণ করতে দেখা যায় পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ি জনপদে ও রয়েছে আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা।

আজ সাংবাদিক সোহাগ আরেফিন এর জন্মদিন। নিজের মতো নিজের কাজে কষ্ট অনেক, দুঃখ মাঝে; লাগুক ছটা আলোয়–মন্দ কাটুক ভালোয়।

ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৪ পিএম
ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

ময়মনসিংহ নগরীর ধোপাখলা এলাকায় কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় এবং কোতোয়ালী থানাধীন ৩নং ফাঁড়ির চৌকস এস আই সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি অভিযান চালিয়ে মোঃ পিয়াল হাসান (২৬) নামে এক চোর, মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত পিয়াল হাসান বাঘমারা এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা: রমজান আলী ও মাতা: পারভিন বেগম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে একটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি এবং মাদক সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, কোতোয়ালী মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও মাদক সংক্রান্ত মোট ৮টি মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২১ এম
ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের পাড়াইল গ্রামে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে এক কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে। গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সংঘটিত এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে খাইরুল ইসলাম, মফিজ, আবেদ আলী, রাবেয়া খাতুন, লাকী আক্তারসহ অজ্ঞাত আরও ৬/৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সবাই স্থানীয় কৃষকদল নেতা আশিকুর রহমান মিলনের অনুসারী বলে দাবি করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা উক্ত জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। হঠাৎ করে কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলন জমিটি ক্রয় করেছেন দাবি করে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবার নিজেদের নিরাপত্তার জন্য থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জিডি করার পর অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও তা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তারা ভুক্তভোগীর জমিতে থাকা দোকানপাট ভাঙচুর করে মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় হামলায় পরিবারের দুই সদস্য আহত হন।

এছাড়া ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দোকানের পাশেই থাকা তাদের পারিবারিক গোরস্থানের জমিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাড়িঘরে থাকতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পুলিশ জানায়, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৬ পিএম
বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

ময়মনসিংহে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উপপরিচালকের পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্তসাপেক্ষে পদোন্নতি বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ১২ এপ্রিল অভিযোগ দুটি জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ময়মনসিংহে কর্মরত উপপরিচালক হারুন অর রশিদ ২০২১ সালে বিধিবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি লাভ করেন। অভিযোগকারীর দাবি, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নিয়োগ বিধিমালা উপেক্ষা করে তিনি এ পদোন্নতি নেন।

নিয়োগ বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী, উপপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী পরিচালক হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা আবশ্যক। কিন্তু অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হারুন অর রশিদ ১৮ এপ্রিল ২০১৪ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৭ জানুয়ারি ২০২১ সালে পদোন্নতি পাওয়ার সময় তার অভিজ্ঞতা ছিল ৭ বছরেরও কম।

এছাড়া ২০১৮ সালের জ্যেষ্ঠতা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৪০ নম্বরে। কিন্তু পদোন্নতির তালিকায় তাকে ৬০ নম্বরে উন্নীত করা হয়, যা জ্যেষ্ঠতা নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে তিনি এই পদোন্নতি নিশ্চিত করেন। এতে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন –

১) অবৈধ পদোন্নতি বাতিল,

২) পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা,

৩) সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।

এ বিষয়ে উপপরিচালক হারুন অর রশিদের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে সচিব স্যার অবগত আছেন, তিনিই সব ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।