রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

ফের মাইনাস টু ফর্মুলা ষড়যন্ত্র

এবারের টার্গেট খালেদা জিয়া-তারেক রহমান

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৩:৩২ পিএম
এবারের টার্গেট খালেদা জিয়া-তারেক রহমান

ওয়ান-ইলেভেনে ‘মাইনাস টু’ বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়ে দেশবিরোধী স্বার্থান্বেষী মহল আবারও একই ফর্মুলা নিয়ে ষড়যন্ত্রে নেমেছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী পালিয়ে যাওয়ার কারণে ষড়যন্ত্রকারীদের এবারের টার্গেট খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান। দেশ রাজনীতিশূন্য এবং দেশে বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীদের ‘ধ্বংস’ করতে ভারতীয় অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নই এবারের লক্ষ্য। আর এ বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সচেতন নাগরিকরা বিক্ষোভ করেছেন।

 

কারওয়ান বাজারে অবস্থিত একটি জাতীয় বাংলা দৈনিক অফিসের সামনে গরু জবাই করেছে। তাদের ‘র’-এর এজেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে বিচার দাবি করেছে। ২০০৭ সালের ১১ জুন বাংলা পত্রিকাটির সম্পাদক মাইনাস টু ফর্মুলা হিসেবে লিখেছিলেন ‘দুই নেত্রীকে সরে দাঁড়াতে হবে’। সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক বক্তব্যের পর নতুন করে আলোচনায় আসে মাইনাস টু ফর্মুলা। তিনি বলেছেন, ‘মাইনাস টু ফর্মুলা নিয়ে কেউ যেন আবার চিন্তা না করেন। অথবা ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিএনপিকে বাদ দিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রে যেন লিপ্ত না হন।’ মাইনাস-২ ফর্মুলার বিষয়ে সরকারকে সতর্ক করার পর বিষয়টি নিয়ে দলটির ভেতরে ও বাইরে নানা ধরনের আলোচনাও শুরু হয়েছে। খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে রাখা বা তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা তৈরি করার মতো বিষয় আছে কি না-বিবিসির এমন প্রশ্নে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এমন দুরভিসন্ধি কেউ পোষণ করতে পারেন। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হবে না। বরং আমরা পরিষ্কার করে বলে দিতে পারি, বাংলাদেশে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বাইপাস করে কিছু হবে না।’

এবারের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ও এর নেত্রী শেখ হাসিনা উৎখাত হয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এর পর থেকে বিএনপি দ্রুততম সময়ে নির্বাচন দাবি করে আসছে। তবে সরকারের দিক থেকে বারবারই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর। অন্যদিকে আন্দোলনকারী অনেকেই আকার-ইঙ্গিতে বলার চেষ্টা করছেন, ‘আগে সংস্কার, তারপর নির্বাচন।’ পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনগুলোও কাজ করে যাচ্ছে; যার মধ্যে সংবিধান, পুলিশ ও প্রশাসন সংস্কারের মতো কমিশন রয়েছে। বিতর্কিত ওই জাতীয় দৈনিকটির অ্যাজেন্ডা হলো নির্বাচন বিলম্বিত করে তাদের কলামিস্টরাই যেন দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকেন। উল্লেখ্য, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারে যাঁরা উপদেষ্টা, তাঁদের অনেকেই প্রথম আলোর কলামিস্ট। সে কারণে দেশবাসী মনে করছে, ওই পত্রিকাটি বর্তমান সরকারকে পরিচালিত করছে।

 

প্রসঙ্গত, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে লন্ডনে অবস্থানরত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কবে নাগাদ দেশে ফিরতে পারবেন তা-ও এখনো দলটি নিশ্চিত হতে পারেনি। কিছু মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেলেও সব আইনি বাধা অপসারণে প্রশাসনিক ধীরগতিতে দলের অনেকের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের কারো কারো বক্তৃতাও বিএনপিকে ইঙ্গিত করে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন দলের নেতারা। রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, ওয়ান-ইলেভেনের সময় প্রথম আলো সম্পাদক দেশকে রাজনীতি ও রাজনীতিকশূন্য করতে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। কিন্তু তাঁর সেই গর্হিত অপকর্মের কোনো বিচার হয়নি। রাজনীতি থেকে দেশের প্রধান দুই নারীনেত্রীকে সরিয়ে দিতে খোদ প্রথম আলো সম্পাদক নিজেই কলম ধরেছিলেন। সে সময় দিনের পর দিন ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ নিয়ে প্রথম আলোয় সম্পাদকীয় লেখা হয়। রাজনীতি থেকে রাজনীতিকদের উচ্ছেদ করে সুশীল সমাজের অংশ বলে পরিচিত এলিট নাগরিকদের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠার প্রয়াস চালিয়েছে প্রথম আলো। দেশের ললাটে অকার্যকর রাষ্ট্রের তকমা এঁটে দিতে ও বিভিন্ন উসকানি এবং নেতিবাচক প্রচারণার মধ্য দিয়ে অসাংবিধানিক শক্তিকে ক্ষমতায় বসাতে উৎসাহ জুগিয়েছে মতিউর রহমান সম্পাদিত বিতর্কিত দৈনিকটি। দেশের শিল্পপতি-ব্যবসায়ীদের হয়রানিও এর অন্যতম কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রথম আলো দেশে একাধিকবার অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করলেও বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় প্রথম আলো সূক্ষ্মভাবে তাদের ফান ম্যাগাজিন ‘আলপিন’-এর মাধ্যমে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গ কৌতুক প্রকাশ করে। এতে সারা দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ধর্মপ্রাণ মানুষ প্রথম আলো সম্পাদককে গ্রেপ্তারের দাবি জানায়। তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক থাকায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এক সালিস বৈঠকে তিনি বায়তুল মোকাররম মসজিদের তৎকালীন খতিব মাওলানা উবায়দুল হকের কাছে তাওবা পড়ে ও করজোড়ে ক্ষমা চেয়ে পার পেয়ে যান। বিভিন্ন পত্রিকায় মতিউর রহমানের সেই করজোড়ে তাওবার ছবিও পরদিন প্রকাশিত হয়। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিল। তখন দুই প্রধান নেত্রী খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাকে জেলে নেওয়ার পর ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’র আলোচনা জোরদার হয়েছিল। তখন তাঁদের দলসহ অনেকেই অভিযোগ করেছিল, ‘দুই নেত্রীকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে’; যা পরে ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ হিসেবে পরিচিতি পায়।

পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০১ পিএম
পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

পরিবেশ সংরক্ষণ, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের উদ্যোগে এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় পরিবেশ সচেতনতামূলক পথনাটক ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সমনা আল মজীদ (উপসচিব), মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান, জেলা কালচারাল অফিসার আব্দুল্লাহ্-আল-মামুন, সিরাক বাংলাদেশের প্রতিনিধি কামরান মিয়া, ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্য এবং সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

পথনাটকে অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলার ক্ষতিকর প্রভাব এবং পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিক দায়িত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ সময় প্রতিপাদ্য ছিল, “শহর যদি হয় পরিষ্কার, সুস্থ থাকবে পরিবার।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন বলেন, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশ সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুবসমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

পথনাটকটি রচনা করেন যুব কাউন্সিলর মো. সজিব হাসান (সানি)। নির্দেশনায় ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর আলম রবিন। এতে অভিনয় করেন মো. রবিন মিয়া, মিনহাজুল ইসলামসহ ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্যরা।

গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

মাহমুদ হাসান আলিফ, গৌরিপুর।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

গৌরীপুরের লঙ্কার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সোহাগ মিয়ার দোকানটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে নিত্যপণ্য সংগ্রহের অন্যতম আস্থার স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দোকানটিতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে, যা স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

দোকান মালিক সোহাগ মিয়া জানান, স্থানীয় গ্রাহকদের আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি পণ্যের গুণগত মানের বিষয়ে সর্বোচ্চ সচেতনতা অবলম্বন করছেন। দোকানের সব পণ্যের প্যাকেজিং ও মেয়াদ নিয়মিত যাচাই করা হচ্ছে, যাতে ক্রেতারা নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করতে পারেন।

ডিজিটাল সেবার এই যুগে সোহাগ মিয়া তার দোকানে বিকাশ এজেন্টসহ আধুনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করেছেন। এতে স্থানীয় মানুষ খুব সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন, যা এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময় ও কষ্ট দুটোই সাশ্রয় করছে।

এলাকাবাসী জানান, সোহাগ মিয়ার দোকানে সব সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকে এবং দোকানের পরিবেশ বেশ গোছানো।

স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক সুজিত দাস বলেন, বাজারের মাঝামাঝি সময়ে এমন একটি দোকান থাকা আমাদের জন্য খুবই সুবিধাজনক। সোহাগ মিয়ার এই ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা ও গ্রাহকসেবার মানসিকতা স্থানীয় ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দিনেও তিনি তার এই সেবার মান ধরে রেখে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম
ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির উদ্যোগে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের মাঝে মোট ৪০০টি বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য বি এম ইউসুফ আলী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী, ঊর্ধ্বতন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (আল-আমিন বীমা প্রকল্প) মো. আবু তাহের, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (জনপ্রিয় বীমা প্রকল্প) মো. কামাল হোসেন মহসিন এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইসলামী ডিপিএস প্রকল্প) মোহাম্মদ খলিলুর রহমান সিকদার।

এ সময় বক্তব্য দেন আল-বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক কে এম বিল্লাল হোসেন, পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. সোলায়মান হোসেন সোহাগ এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির বিভিন্ন প্রকল্পের ইনচার্জরা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মহাব্যবস্থাপক (সমন্বয়কারী, ময়মনসিংহ) সাকিল মাহমুদ।

বক্তারা বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ও সেবার মান অক্ষুণ্ন রেখে দ্রুততম সময়ে বীমা দাবি পরিশোধে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা সম্প্রসারণ, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং বীমা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা গ্রাহকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪০০টি বীমা দাবির চেক তুলে দেন।