মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নতুন মন্ত্রিসভা গঠন: ২৫ পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৮ পিএম
নতুন মন্ত্রিসভা গঠন: ২৫ পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা মঙ্গলবার সকালে শপথ গ্রহণ করেছেন। একই দিন বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। এতে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

পূর্ণমন্ত্রী (২৫ জন)

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু), মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট), আফরোজা খানম (রিতা), শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন (বকুল), ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন) এবং শেখ রবিউল আলম।

প্রতিমন্ত্রী (২৪ জন)

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলাম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক, ইয়াসের খান চৌধুরী, এক ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আহত ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ১১:৪৫ পিএম
ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আহত ৫

ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে রানা মিয়া (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাহিন পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৫ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকাল ৫টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের গাঙ্গের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রানা মিয়া একই এলাকার মৃত শরাফ উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। স্বজনদের দাবি, তিনি বিএনপির কর্মী ছিলেন।

আহতরা হলেন:- আশাদ (৩৬), মোফাজ্জল (৩৫), শাহান (৪৫), মুনসুর আলী (৫০), শাকিল (৩০) ও দিনি মিয়া (৩৫)।

অভিযুক্ত মাহিন ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও শম্ভুগঞ্জ সাংগঠনিক থানার আমীর মো. মফিদুল ইসলাম (মাস্টার)-এর ছেলে। অপর ছেলে ফাহিমের নামও এ ঘটনায় আলোচনায় এসেছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

নিহত রানার স্বজন মাহাবুল বলেন, “জাতীয় নির্বাচনে আমরা বিএনপির পক্ষে কাজ করেছি ও ধানের শীষে ভোট দিয়েছি। এরপর থেকে জামায়াত নেতা মফিদুল মাস্টারের সঙ্গে আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। গত সোমবার মফিদুল মাস্টারের বাড়ির ছেলেরা ফুটবল খেলা শেষে আমাদের বাড়ির সামনে দোকানে তরল পানীয় কিনতে আসে। এসময় এক কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে তরল পানীয় খাচ্ছে বলে আমাদের পক্ষের লোকজন হেয় করে কথা বলে। এতে তারা ভোটের জেদ মেটাতে মারধরের হুমকি দিয়ে চলে যায়।”

তিনি আরও বলেন, “ঘটনার পর রাতে আবারও মফিদুল মাস্টারের বাড়ির ছেলেরা আমাদের বাড়িতে হামলা করে। পরে মফিদুল মাস্টার নিজে এসে বিষয়টি মিমাংসা করে চলে যান। কিন্তু মঙ্গলবার বিকালে তিনি অন্তত ৫০ থেকে ৬০ জন লোক নিয়ে এসে হামলা চালান। হামলার সময় তার ছেলে মাহিন ছুরি দিয়ে রানার বুকের পাশে আঘাত করে। এতে রানা গুরুতর আহত হন এবং আরও ৫ জন আহত হন।”

পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রানা মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ভাই তোফাজ্জল হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ভাইকে বিনা কারণে মফিদুল মাস্টারের ছেলে ছুরি দিয়ে বুকে আঘাত করেছে। আমি আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।”

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ময়মনসিংহে পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ১:০৪ পিএম
ময়মনসিংহে পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৪নং পরানগঞ্জ ইউনিয়নের চর হাসাদিয়া খাঁপাড়া এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে আব্দুল বাসেত (৩৫) নামে এক যুবককে লাঠিপেটা করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় অভিযুক্ত আপন ছোট ভাই রাসেদুল ইসলাম (৩০)।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নানা বিষয় নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো। গত সোমবার সন্ধ্যায়ও কোনো একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিহত বাসেতকে অভিযুক্ত রাসেদুল ইসলাম মারধর করেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যায় আবারও কোনো বিষয় নিয়ে বাসেত ও রাসেদুলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা একটি লাঠি দিয়ে বড় ভাই বাসেতের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন রাসেদুল। বাসেতের চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”

ফুচকা খাওয়াকে কেন্দ্র করে ঈশ্বরগঞ্জে দুই গ্রামের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, চিকিৎসাধীন শিপনের মৃত্যু

ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৪:৩৫ পিএম
ফুচকা খাওয়াকে কেন্দ্র করে ঈশ্বরগঞ্জে দুই গ্রামের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, চিকিৎসাধীন শিপনের মৃত্যু

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর ও চরআলগী গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। ফুচকা খাওয়াকে কেন্দ্র করে ঈদের দিন শুরু হওয়া তর্কবিতর্কের জেরে ঈদের তৃতীয় দিনে দুই গ্রামের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একটি বিয়ে বাড়ির আয়োজন পণ্ড হয়ে যায়। পাশাপাশি বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। আগুনে পুড়ে গেছে শতাধিক খড়ের গাদা।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা মো. শিপন মিয়া (১৮) মারা গেছেন। তিনি মরিচারচর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের বল্লমের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন ফুচকা খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। বিষয়টি পরে দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে বিরোধে রূপ নেয়। ঈদের তৃতীয় দিনে সেই বিরোধ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নিলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি বিয়ে বাড়ির আয়োজন ভেস্তে যায়।

ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। একই সঙ্গে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় শতাধিক খড়ের গাদায়, ফলে বহু পরিবারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

শিপন মিয়ার মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তৎপরতা চালায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।