শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার ছাড়া প্রহসনের নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না: সাংবাদিকবৃন্দ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার ছাড়া প্রহসনের নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না: সাংবাদিকবৃন্দ

ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের বর্তমান কাঠামো, স্বচ্ছতার অভাব এবং সাংবাদিক সংগঠনগুলোর মধ্যকার বিভেদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে বিদ্যমান নীতিমালা সংস্কার ও পূর্ণাঙ্গ গঠনতন্ত্র প্রণয়ন ছাড়া কোনো ধরনের প্রহসনের নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ময়মনসিংহে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) তারিখ বিকাল ৫টায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় নগরীর কাচারি ৪৭ রোডস্ত অস্থায়ী কার্যালয়ে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে দেড় শতাধিক সাংবাদিকের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরেই অধিকাংশ পেশাদার সাংবাদিক প্রেসক্লাব সংস্কার করে এর হারানো অধিকার ও মর্যাদা ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন করে আসছেন। অপরদিকে, একটি অংশ নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে আইনি প্রতিকার চেয়েছে। এর ফলে প্রেসক্লাবের অভ্যন্তরে দখলদারিত্ব, স্বেচ্ছাচারিতা ও অপেশাদার কর্মকাণ্ডের কারণে ত্রিমুখী সংকট ও স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে।

অধিকারবঞ্চিত সাংবাদিকরা দীর্ঘ বছর ধরে সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন, সংগ্রাম, ঘেরাও, মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ প্রকাশসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় অপেশাদার ও অসাংবাদিকদের সদস্যপদ বাতিল করে শুধুমাত্র পেশাদার সাংবাদিকদের নিয়ে “প্রেসক্লাব ফর প্রেসম্যান” গঠনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরার মধ্যস্থতায় আলোচনা ও সমঝোতা প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং একটি গঠনতন্ত্রের খসড়া প্রণয়ন করা হয়।

তবে দুঃখজনকভাবে আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং অসাংবাদিকদের সদস্যপদ প্রদান এবং পেশাদার সাংবাদিকদের তুচ্ছ অজুহাতে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

১৫১ সদস্যবিশিষ্ট প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির সভায় পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত বছর ময়মনসিংহ প্রেসকাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবরে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে বিদ্যমান সংকট নিরসনের লক্ষ্যে লিখিতভাবে দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল সাংবাদিকদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন, নীতিমালা অনুযায়ী খসড়া ভোটার তালিকা নির্ধারণ, পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে একটি এডহক কমিটি গঠন এবং সম্মিলিতভাবে সাধারণ সভা আয়োজন।

বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন, সাংবাদিক মোঃ আজগর হোসেন রবিন, শিবলী সাদিক খান, জহর লাল যে, মোঃ আরিফ রেওগীর, আবুল হোসাইন বিনয়, বদরুল আমীন, ইউসুফ খান লিটন, আলমগীর কবির উজ্জল, গোলাম কিবরিয়া পলাশ, সজিব রাজভর বিপিন, সুমন ভট্টাচার্য্য, আশিকুর রহমান মিঠু, আবু জাফর গিফারী, আবুল হোসেন পাশা, মোঃ আজাহারুল ইসলাম, তসলিম সরকার, মীর শওকত আহসান বাবুল, মীর খালেদ হাসান, আরিফ রব্বানী, সুলতান রহমান বাপ্পী, তারিকুল ইসলাম লিটন, আজাহারুল আলম।

এ ছাড়াও বিবৃতিকালে উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দ মোর্শেদ কামাল মিজান, আমিনুল ইসলাম, সোহানুর রহমান সোহান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, দ্বীন ইসলাম, সেলিম সাজ্জাদ, আলমগীর, রনি, জুয়েল, স্বপন সরকার, জাহাঙ্গীর আলম, রোকসানা আক্তার, তাসলিমা রত্না, শিউলি রেখা, মমতাজ বেগম পপি, মোমেনা আক্তার, রাজিব সহ আরও অনেকে।

মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে আঘাত ও পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভের মুখে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরদিন বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বিষয়টির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শারীরিকভাবে আঘাত করার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় তারা।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ নিয়ে আলোচনা হলেও শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কোনো সমাধান হয়নি। পরে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিগুলো হলো—শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক আঘাত বন্ধ করা, বিদ্যালয় পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।

তবে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিদ্যালয়ের পাশের ব্রিজে গিয়ে ঘোরাফেরা করছিল। তখন তিনি তাদের ‘শুধু শাসন করেছেন’।

বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও ঘটনার বিষয়ে তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।

রূপগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বাসায় কৃষকদলের অবৈধ পকেট কমিটির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৯ এম
রূপগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বাসায় কৃষকদলের অবৈধ পকেট কমিটির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের বাসায় উপজেলা কৃষক দলের খসড়া কমিটি ঘোষণার তীব্র প্রতিবাদে এই নেতার বিরুদ্ধেই সংবাদ সম্মেলন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দল। গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের হোড়গাঁও বাজারের কৃষক দলের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দলের সভাপতি ডা. শাহিন মিয়া বলেন, কয়েকদিন আগে রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের বাসায় কৃষক দলের খসড়া কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, এমন একটি ভিডিও ও সংবাদ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাসুরউদ্দিন বাচ্ছুও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, জেলা কৃষক দল এ বিষয়ে কিছুই জানে না। এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ঘটনায় সুসংগঠিত কৃষক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের কমিটি বর্তমানে বিদ্যমান রয়েছে। আমি জেলা কৃষক দলের সভাপতি এবং উপজেলা কমিটির সভাপতি শাহ আলম বেপারী ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল। সারা বাংলাদেশের মধ্যে রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দল সফল, উজ্জীবিত ও সুসংগঠিত। এটা একটা চক্রান্ত, এরা বিএনপির মঙ্গল চায় না। পূর্বের রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের যে কমিটি ছিল, সেটিই এখনও বহাল রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ বা খসড়া কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সাংগঠনিক বিধিবিধান এবং অভিভাবক কমিটির সম্মতি অপরিহার্য। মূল দলের সভাপতি বা সম্পাদকের বাসভবনে জেলা বা কেন্দ্রীয় অনুমোদন ছাড়া সহযোগী সংগঠনের খসড়া কমিটি ঘোষণার ঘটনা দলের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ কোয়াটার-কোন্দল ও চেইন অব কমান্ড ভঙ্গের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। এতে স্থানীয় পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা তৈরি হতে পারে, যা আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও নির্বাচনী মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেন বিশেষজ্ঞরা।

‎ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়িতে শিশুসহ নিহত ৬; আহত অন্তত ২০

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
‎ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়িতে শিশুসহ নিহত ৬; আহত অন্তত ২০

‎ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের নতুন আটতলা ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্কে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। দ্রুত ভবন থেকে বের হতে গিয়ে পদদলিত ও ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।

‎সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন আটতলা ভবনের লিফটের কন্ট্রোল রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের পাশাপাশি কন্ট্রোল রুম থেকে ধোঁয়া ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়লে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে গেলে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়। এ সময় পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

‎নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন নেত্রকোনার পূর্বধলার হাজেরা বেগম (৫০), ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার শাহজাহান (৪০), রমজান (৩৮), জাহানারা (৫০) এবং তারাকান্দার কুলসুমা (৩৫)। নিহত অপরজন এক বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা শিশু।

‎অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল-মামুন ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎তবে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. জাকিউল ইসলাম সোমবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আগুনে সরাসরি মৃত্যুর কোনো ঘটনা স্বীকার করেননি। হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা জানান, আগুনের ঘটনায় হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে এবং ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

‎ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানান, লিফটের কন্ট্রোলার মেশিনের বোর্ডে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট ও অতিরিক্ত উত্তাপের কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। কন্ট্রোল রুম থেকে বের হওয়া ধোঁয়া ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

‎খবর পেয়ে ময়মনসিংহ সদর, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল ও ঈশ্বরগঞ্জসহ পাঁচটি ফায়ার স্টেশনের ১০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ভবনের বিভিন্ন তলায় তল্লাশি চালিয়ে আগুনের অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

‎ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন খান বলেন, আগুন লাগার কারণ ও সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।