মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩

ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার ছাড়া প্রহসনের নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না: সাংবাদিকবৃন্দ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার ছাড়া প্রহসনের নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না: সাংবাদিকবৃন্দ

ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের বর্তমান কাঠামো, স্বচ্ছতার অভাব এবং সাংবাদিক সংগঠনগুলোর মধ্যকার বিভেদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে বিদ্যমান নীতিমালা সংস্কার ও পূর্ণাঙ্গ গঠনতন্ত্র প্রণয়ন ছাড়া কোনো ধরনের প্রহসনের নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ময়মনসিংহে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) তারিখ বিকাল ৫টায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় নগরীর কাচারি ৪৭ রোডস্ত অস্থায়ী কার্যালয়ে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে দেড় শতাধিক সাংবাদিকের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরেই অধিকাংশ পেশাদার সাংবাদিক প্রেসক্লাব সংস্কার করে এর হারানো অধিকার ও মর্যাদা ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন করে আসছেন। অপরদিকে, একটি অংশ নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে আইনি প্রতিকার চেয়েছে। এর ফলে প্রেসক্লাবের অভ্যন্তরে দখলদারিত্ব, স্বেচ্ছাচারিতা ও অপেশাদার কর্মকাণ্ডের কারণে ত্রিমুখী সংকট ও স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে।

অধিকারবঞ্চিত সাংবাদিকরা দীর্ঘ বছর ধরে সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন, সংগ্রাম, ঘেরাও, মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ প্রকাশসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় অপেশাদার ও অসাংবাদিকদের সদস্যপদ বাতিল করে শুধুমাত্র পেশাদার সাংবাদিকদের নিয়ে “প্রেসক্লাব ফর প্রেসম্যান” গঠনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরার মধ্যস্থতায় আলোচনা ও সমঝোতা প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং একটি গঠনতন্ত্রের খসড়া প্রণয়ন করা হয়।

তবে দুঃখজনকভাবে আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং অসাংবাদিকদের সদস্যপদ প্রদান এবং পেশাদার সাংবাদিকদের তুচ্ছ অজুহাতে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

১৫১ সদস্যবিশিষ্ট প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির সভায় পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত বছর ময়মনসিংহ প্রেসকাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবরে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে বিদ্যমান সংকট নিরসনের লক্ষ্যে লিখিতভাবে দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল সাংবাদিকদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন, নীতিমালা অনুযায়ী খসড়া ভোটার তালিকা নির্ধারণ, পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে একটি এডহক কমিটি গঠন এবং সম্মিলিতভাবে সাধারণ সভা আয়োজন।

বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন, সাংবাদিক মোঃ আজগর হোসেন রবিন, শিবলী সাদিক খান, জহর লাল যে, মোঃ আরিফ রেওগীর, আবুল হোসাইন বিনয়, বদরুল আমীন, ইউসুফ খান লিটন, আলমগীর কবির উজ্জল, গোলাম কিবরিয়া পলাশ, সজিব রাজভর বিপিন, সুমন ভট্টাচার্য্য, আশিকুর রহমান মিঠু, আবু জাফর গিফারী, আবুল হোসেন পাশা, মোঃ আজাহারুল ইসলাম, তসলিম সরকার, মীর শওকত আহসান বাবুল, মীর খালেদ হাসান, আরিফ রব্বানী, সুলতান রহমান বাপ্পী, তারিকুল ইসলাম লিটন, আজাহারুল আলম।

এ ছাড়াও বিবৃতিকালে উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দ মোর্শেদ কামাল মিজান, আমিনুল ইসলাম, সোহানুর রহমান সোহান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, দ্বীন ইসলাম, সেলিম সাজ্জাদ, আলমগীর, রনি, জুয়েল, স্বপন সরকার, জাহাঙ্গীর আলম, রোকসানা আক্তার, তাসলিমা রত্না, শিউলি রেখা, মমতাজ বেগম পপি, মোমেনা আক্তার, রাজিব সহ আরও অনেকে।

এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৪০ পিএম
এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা এম.এস.এ আরেফিন।

এম.এস.এ আরেফিনের পিতার নাম মহিউদ্দিন মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৩ নং কুশমাইল ইউনিয়নের কুশমাইল ধামর কাচারি (নায়েব বাড়ী) গ্রামের বাসিন্দা।

শিক্ষাজীবনে তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ২০১৩ সালে ফুলবাড়িয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ২০১৫ সালে ফুলবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি আনন্দমোহন কলেজের গণিত বিভাগ থেকে ২০১৬-১৭ সেশনে বিএসসি (সম্মান) এবং একই বিভাগ থেকে এমএসসি (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা এম.এস.এ আরেফিন পূর্বে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি “লাইট অফ ট্রিমস ইউথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি” ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজপথে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়েছে।

তার এই নির্বাচনে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এম.এস.এ আরেফিন তার মেধা, যোগ্যতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবেন।

আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১২:৩২ এম
আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তরুণ, ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা আছিফুজ্জামান অসীম। সংগঠনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নেতাকর্মীদের মাঝে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

ছাত্র রাজনীতির ধারাবাহিকতায় আছিফুজ্জামান অসীম সবসময়ই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে মহানগর ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, আছিফুজ্জামান অসীম একজন পরিশ্রমী, সাহসী ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ময়মনসিংহে সরকারি হালট দখল, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী- ইউএনও বরাবর অভিযোগ

মো: সোহেল মিয়া, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:২৫ পিএম
ময়মনসিংহে সরকারি হালট দখল, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী- ইউএনও বরাবর অভিযোগ

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় সরকারি ‘হালট’ (চলাচলের রাস্তা) অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং এর সঠিক সীমানা নির্ধারণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আবেদন সূত্রে জানা গেছে, তারাকান্দা উপজেলার কাকনী মৌজার ১০৪৩ নং দাগে একটি সরকারি হালট বিদ্যমান। এই রাস্তাটি কাকনী ফকির মার্কেটের পেছন থেকে জয়নালের বাড়ি হয়ে কাকনী পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পেছন পর্যন্ত বিস্তৃত। অভিযোগ উঠেছে যে, জনগুরুত্বপূর্ণ এই হালটটির অধিকাংশ অংশই বর্তমানে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে।

হালটটি দখল হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ এবং স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মূল রাস্তাটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় মানুষ নিরুপায় হয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে ঘুরে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে করে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “আগে এই রাস্তা দিয়ে সহজেই বাজার ও স্কুলে যাওয়া যেত। এখন দখল হয়ে যাওয়ায় আমাদের অনেক দূর ঘুরে যেতে হচ্ছে, বিশেষ করে শিশুদের খুব কষ্ট হচ্ছে।”

আরেক বাসিন্দা রহিমা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষ। এই রাস্তা আমাদের একমাত্র ভরসা ছিল। এখন দখল হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।”

এলাকাবাসীর পক্ষে আব্দুল হান্নান খান স্বাক্ষরিত এই আবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত সরকারি সার্ভেয়ার নিয়োগের মাধ্যমে জমি পরিমাপ করে হালটের সীমানা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। একই সাথে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রাস্তাটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।