বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

রামগঞ্জে ষড়যন্ত্রের শিকার ৪ সাংবাদিকের মামলা তদন্ত নিয়ে উদ্বিগ্ন বিএমইউজে

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:৪৩ পিএম
রামগঞ্জে ষড়যন্ত্রের শিকার ৪ সাংবাদিকের মামলা তদন্ত নিয়ে উদ্বিগ্ন বিএমইউজে

লক্ষ্মীপুরে রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে ব্যাংক কর্মকর্তা মোস্তফা তারেক ইকবাল ওরফে রবিন পাটওয়ারীর সুইসাইট করার ১৪ মাসেও কুলকিনারা হয়নি।

মামলায় ৪ সাংবাদিককে গ্রেফতার করলেও অন্য কাউকে গ্রেফতার না করে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই বাবর আলী অদৃশ্য ব্যক্তির ইন্দনে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করেছেন।

ঘটনার মূল আসামীদের আড়াল করতে ষড়যন্ত্রের শিকার ৪ সাংবাদিকদের উপর দোষ চাপাতে উঠে পড়ে লেগেছে একটি মহল। এতে প্রকৃত ঘটনার রহস্য আড়ালে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই সাথে ন্যায় বিচারের পথ রুদ্ধ হওয়ার আশংকা প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক সংগঠন বিএমইউজে ছাড়াও সাংবাদিকদের স্বজন, এলাকাবাসী ও আসামী পক্ষের আইনজীবি।

একাধিক সুত্রে জানায়, রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদ এলাকায় অবস্থিত পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ফিল্ড অফিসার ইমাম হোসেন সম্পর্কিত পৌর অবিরামপুর গ্রামের গ্রাহকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ইত্তেফাকের রামগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি জাকির হোসেন মোস্তান, যায়যায়দিনের বেলায়েত হোসেন বাচ্চু, সমকালের জাকির হোসেন সুমন ও মানবকণ্ঠের শাখায়াত হোসেন জাহাঙ্গীর। ২৭ অক্টোবর-২০২৪ ইং বেলা ১২টার দিকে ব্যাংক অফিসে যান সংবাদের প্রয়োজনে তথ্য সংগ্রহের জন্য সেখানে অভিযুক্ত ইমাম হোসেন ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপক অনুপস্থিত থাকায় এবং সেকেন্ড অফিসার মোস্তফা বিন তারেক অসুস্থ হওয়ায় সাংবাদিকরা কারো বক্তব্য নিতে না পেরে চলে আসেন।

বিকেলে ইউএনও অফিসের নির্মানাধীন ভবনের ৪ তলার ছাদ থেকে পড়ে সেকেন্ড অফিসার মোস্তফা মারা যাওয়ার খবর শুনে সাংবাদিকরা নিশ্চিত হতে থানায় গেলে বিকাল ৪ টার দিকে ওসি কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে ৪ সাংবাদিকে আটক করেন এবং রাত ৩টার দিকে মৃতের স্ত্রী শাহনাজ আক্তার রিমুকে বাদী করে মামলা রুজু করেন ওসি আবুল বাসার এবং ২৮ অক্টোবর ( আটকের ২৩ ঘন্টা পরে) লক্ষীপুর আদালতে সোর্পদ করেন। দীর্ঘ ৫৫ দিন জেল খাটার পরে লক্ষীপুর আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের জামিন দেন।

সাংবাদিকদের পক্ষের আইনজীবি খাদিজাতুল কোবরা বলেন, মামলার তদন্তকারী অফিসার রামগঞ্জ থানার এস.আই বাবর আলী দীর্ঘ ৯ মাস তদন্ত করে চার্জশীট না দিয়ে অদৃশ্য ব্যক্তির ইন্দনে মামলাটি এসপির মাধ্যমে ডিবিতে হস্তান্তর করেছেন। আইনজীবি আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমতি না নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে ওসি আবুল বাশার সাংবাদিকদের আটকের পর মামলা রুজু, ২৩ ঘন্টা পরে আদালতে পাঠায়। সাংবাদিকদের অন্যায় ভাবে এই মামলার আসামী করায় রামগঞ্জ প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, রিপোর্টার ইউনিয়নসহ বিভিন সাংবাদিক সংগঠন প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন করলেও অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে তদন্ত কর্মকর্তা নানা বাধার সম্মুখিন হচ্ছে বলে জানা যায়।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আলহাজ্ব সোহেল হোসেন ও সাধারন সম্পাদক শিবলী সাদিক খান সাংবাদিকদের বিষয়ে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সংবাদের প্রয়োজনে তথ্য সংগ্রহে যাওয়া ৪ সাংবাদিককে হয়রানি মূলক মামলার দায় হইতে অব্যাহতি দেওয়ার আহবান জানিয়ে পুলিশের সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

তাঁরা আরো বলেন আমরা উদ্বিগ্ন যে মুল আসামীকে আড়াল করতে মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে কিনা? মামলাটি সুষ্ঠভাবে তদন্ত পুর্বক দ্রুত প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা একান্ত প্রয়োজন। আইনের সঠিক প্রয়োগে বাধাদানকারী অদৃশ্য ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

রাজধানী ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নবনিযুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খানম। তাঁর এই নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ফরিদা খানম ইতিপূর্বেও প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফরিদা খানম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতির সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন।নারী শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ রোধে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও সংকটকালীন সময়ে তাঁর ধৈর্যশীল এবং কার্যকর নেতৃত্ব প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদা খানমের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে তাঁর অতীত রেকর্ড বলছে, তিনি ঢাকার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলার উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সফল হবেন। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা প্রশাসন আরও বেশি মানবিক ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। তাঁর এই নতুন পথচলা ঢাকার সামগ্রিক উন্নয়নে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।