রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

ময়মনসিংহ সদরে “মেধা অন্বেষণ-২০২৫”: ইউএনও’র উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন আলোড়ন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:২১ পিএম
ময়মনসিংহ সদরে “মেধা অন্বেষণ-২০২৫”: ইউএনও’র উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন আলোড়ন

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করতে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো “মেধা অন্বেষণ-২০২৫” প্রতিযোগিতা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম প্রিন্স এর উদ্যোগে এবং উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিযোগিতা ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক মহলে।

উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এবারের আয়োজনটি মোট ৯টি ক্লাস্টারে বিভক্ত হয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রতিযোগিতায় প্রাণ সঞ্চার করে।

প্রতিটি ক্লাস্টার থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর উপজেলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ধাপ। সেদিন বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে সনদপত্র ও পুরস্কার। অনুষ্ঠানে NAPE-এর মহাপরিচালক এবং ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মহোদয়কে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন জানান, “এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার আগ্রহ বাড়াবে এবং তাদের ছোটবেলা থেকেই প্রতিযোগিতার মানসিকতায় গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।”

একই সঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, “আজকের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের দক্ষতা যাচাইয়ের সুযোগ পেয়েছে।

উল্লেখ্য, এ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

ইউএনও’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ : শিক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ:-

মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ছাড়াও ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স সদরের শিক্ষার মানোন্নয়নে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন,

যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

1. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও তদারকি: ইউএনও নিয়মিত স্কুল পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে থাকেন।

2. মেধা অন্বেষণমূলক কার্যক্রম: শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা চিহ্নিত করতে নিয়মিত মেধা অন্বেষণ কার্যক্রম চালু রেখেছেন।

3. শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রশাসনের সমন্বয়: তিন পক্ষের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী শিক্ষা পরিবেশ।

4. শিক্ষাগত অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণের উন্নয়ন: সরকারি ও বেসরকারিভাবে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

5. বিশেষ সহায়তা প্রদান: হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সরকারি সুবিধার আওতায় এনে বিভিন্নভাবে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

ভবিষ্যতের আশাবাদ, ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় এ ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন শুধু মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করতেই নয়, বরং তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, প্রতিযোগিতার মনোভাব এবং ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার সাহস জাগিয়ে তুলবে বলে মনে করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

এ আয়োজন অব্যাহত রাখার জন্য শিক্ষানুরাগী ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্সকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিভিন্ন পেশার সচেতন নাগরিকরা।

শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম
শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমে ধীরগতি, ডেঙ্গু ও হামের প্রাদুর্ভাব এবং ফাইলবন্দি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। এ প্রেক্ষাপটে রোববার (২১ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির জুন ২০২৬ মাসের সভা।

ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম ও চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বাস্তবমুখী উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি এবং হামের সংক্রমণের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে অন্তত একদিন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মশার লার্ভা ধ্বংসে সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুততর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে ও কার্যকরভাবে ব্যয় নিশ্চিত করে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজারে অসাধু সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা রোধে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণে কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে কার্যকর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক।

সভায় জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, “উন্নয়ন বা জনসেবার নামে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। মাঠপর্যায়ের কাজের অগ্রগতি শুধু নথিপত্রে নয়, বাস্তবেও দৃশ্যমান হতে হবে।”

সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তারাকান্দা উপজেলার কৃতি সন্তান এস. এম. মেহেদী হাসান তালুকদার।

তিনি তারাকান্দা উপজেলার ৭ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। মেহেদী হাসান তালুকদার রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর বাবা মোঃ উছমান গনি তালুকদার রামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তাঁর দাদা ছিলেন ওই ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি।

পারিবারিকভাবে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক আদর্শ ও চেতনার পরিবেশে বেড়ে ওঠা মেহেদী হাসান তালুকদার ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, দলের প্রতি নিষ্ঠা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

তাঁর এ পদপ্রাপ্তিতে তারাকান্দা উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মেহেদী হাসান তালুকদার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:১৯ এম
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। এ প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল ও নগদ অর্থ পুরস্কার গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী খুদে ফুটবলার মিতুল হাসান।

মিতুল হাসান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ২ নম্বর পুটিজানা ইউনিয়নের মৌহাতলা এলাকার বাসিন্দা মুরাদ হাসানের ১৩ বছর বয়সী ছেলে। বর্তমানে সে ত্রিশাল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল তার অদম্য আগ্রহ। প্রতিবেশী রিফাত আহমেদ রিজভীর হাত ধরে শিবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবলের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে নিজের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে ফুলবাড়িয়ার কেশরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত কেএনবিএস যুব স্পোর্টিং একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে মিতুল।

পড়ালেখার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কারণে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর দ্রুতই সে স্কুল দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়। তার অসাধারণ নৈপুণ্যের সুবাদে দলটি বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার্সআপ খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল গ্রহণ করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিতুল। সে জানায়, এই স্বীকৃতি তার ভবিষ্যৎ ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মিতুলের এই সাফল্যে ফুলবাড়িয়া, ত্রিশালসহ সমগ্র ময়মনসিংহ অঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, মিতুলের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হবে।