শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

ব্রাহ্মপল্লী ‘হেলথ কেয়ার (প্রা:) হাসপাতালে ‘ পরিকল্পিত হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ!

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৪৮ পিএম
ব্রাহ্মপল্লী ‘হেলথ কেয়ার (প্রা:) হাসপাতালে ‘ পরিকল্পিত হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ!

ময়মনসিংহ নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন চড়পাড়া এলাকায় ব্রাহ্মপল্লী রোডে অবস্থিত বেসরকারি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান “হেলথ কেয়ার (প্রাঃ) হাসপাতাল” চাঁদাবাজি ও মানহানিমূলক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক রঞ্জয় নন্দী থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগে জানান, সম্প্রতি রেজাউল করিম রেজা নামক এক ব্যক্তি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গী কবির, ফাহাদ ও লিটন-কে নিয়ে ক্লিনিকে এসে এক প্রসূতি রোগীর চিকিৎসা না দেওয়ার মিথ্যা অভিযোগে চাপ সৃষ্টি করে এবং একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দাবি করে।

রঞ্জয় নন্দীর ভাষ্য মতে, “রেজা ও তার সঙ্গীরা একটি মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে ক্লিনিকের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করেছে। তারা হুমকি দিয়েছে টাকা না দিলে ক্লিনিকের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাবে।”

তিনি আরও জানান, রোগীটি (রোজিনা, স্বামী লুৎফর রহমান) তার পরিচিত এক শিশু ডাক্তারের মাধ্যমে ক্লিনিকে ভর্তি হন। গাইনী সার্জনের পরামর্শে একটি ‘আল্ট্রা’ (চিকিৎসা-সম্পর্কিত নির্দেশনা) যাচাই করতে চাওয়া হলে রোগীর পক্ষের লোকজন তা প্রদর্শনে অনীহা দেখায় এবং পরে নিজেরাই রোগীকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যান।

পরবর্তীতে রেজা ও তার দল ক্লিনিকে এসে চাঁদার দাবিতে হুমকি দিয়ে বলেন, “টাকা না দিলে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ক্লিনিকের সুনাম নষ্ট করা হবে।” অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, “কামাল” ও “মফিদুল আলম লাভলু” নামক ফেসবুক আইডি থেকে ক্লিনিকের সাইনবোর্ডসহ বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়, যা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে।

ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত চাঁদাবাজি ও মানহানির ষড়যন্ত্র। এর ফলে ক্লিনিকের চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।

তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, পুরো ঘটনাটি ক্লিনিকের সি.সি. ক্যামেরায় ধারণকৃত আছে এবং স্বাক্ষীদের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ সম্ভব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবীরুল ইসলাম জানান, “অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

রাজধানী ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নবনিযুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খানম। তাঁর এই নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ফরিদা খানম ইতিপূর্বেও প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফরিদা খানম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতির সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন।নারী শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ রোধে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও সংকটকালীন সময়ে তাঁর ধৈর্যশীল এবং কার্যকর নেতৃত্ব প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদা খানমের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে তাঁর অতীত রেকর্ড বলছে, তিনি ঢাকার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলার উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সফল হবেন। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা প্রশাসন আরও বেশি মানবিক ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। তাঁর এই নতুন পথচলা ঢাকার সামগ্রিক উন্নয়নে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।