শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

ময়মনসিংহে বজ্রপাতে এক কিশোরীর মৃত্যু 

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫, ২:৫১ এম
ময়মনসিংহে বজ্রপাতে এক কিশোরীর মৃত্যু 

ময়মনসিংহের নান্দাইলে বজ্রপাতে হাসমা আক্তার (২২) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে এক টার দিকে উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাদারিনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। সে একই গ্রামের নুরুল হকের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় দক্ষিণ আকাশে কালো মেঘ করে কাল বৈশাখী ঝড়ের আভাস দেখা যাচ্ছিল ও টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছিল। এমন সময় হাসমা কাজের প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হলে বজ্রপাতের কবলে পড়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তৎক্ষনাৎ বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে

পেন্টাগ্রাফের নামে টাকা—কার নির্দেশে, কোথায় যাচ্ছে?

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫২ পিএম
পেন্টাগ্রাফের নামে টাকা—কার নির্দেশে, কোথায় যাচ্ছে?

সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে ‘পেন্টাগ্রাফ’ করার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আসাদুজ্জামান স্বপনের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগের বিষয়ে সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা ও জবাব দাবি উঠেছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে প্রশ্ন উঠেছে, আসাদুজ্জামান স্বপন বর্তমানে কোন পদে কর্মরত এবং তাঁর সরকারি দায়িত্ব কী? সরকারি সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘পেন্টাগ্রাফ’ করার জন্য সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হলে, তা কোন বিধি, কোন খাতে এবং নির্ধারিত কত টাকা তারও স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

জনগণের প্রশ্ন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা যেখানে রাষ্ট্রের রাজস্ব ও জনগণের করের অর্থ থেকে দেওয়া হয়, সেখানে সরকারি সেবা গ্রহণের সময় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার প্রয়োজন কেন হবে?

আর যদি পেন্টাগ্রাফ করার কাজে বাইরের লোক বা বেসরকারি ব্যক্তির সহায়তা নেওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে থাকে, তাহলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতার বিষয়টিও সামনে আসে। সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত ব্যক্তিরা বেতন-ভাতা গ্রহণের পরও কেন সেবা গ্রহীতাদের অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে বাইরের লোকের মাধ্যমে কাজ করাতে হবে এ প্রশ্নেরও উত্তর চাওয়া হয়েছে।

সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে এ ধরনের কোনো অর্থ নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রজ্ঞাপন, ফি নির্ধারণের আদেশ, অনুমোদিত ফি-এর তালিকা এবং অর্থ গ্রহণের বৈধ রসিদ জনগণের সামনে প্রকাশ করার দাবি উঠেছে।

অভিযোগকারীদের বক্তব্য, যদি পেন্টাগ্রাফ করার নামে টাকা নেওয়ার কোনো বৈধ সরকারি অনুমোদন না থাকে, তাহলে কার নির্দেশে অর্থ নেওয়া হচ্ছে এবং সেই অর্থ কোথায় যাচ্ছে তারও স্বচ্ছ হিসাব দিতে হবে।

তবে সাধারণ মানুষ কারও ব্যক্তিগত আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইছে না। তাদের মূল প্রশ্ন হলো সরকারি সেবার নামে কেন অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে এবং এ অর্থ নেওয়ার আইনগত ও প্রশাসনিক বৈধতা কোথায়?

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তাঁদের মতে, অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উচিত প্রয়োজনীয় নথি ও প্রমাণ উপস্থাপন করে বিষয়টি পরিষ্কার করা।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আরও বলেন, সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা অনুমোদনহীন অর্থ আদায়ের সুযোগ থাকা উচিত নয়। সরকারি সেবার নামে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিরসন এবং জনগণের সামনে বিষয়টি স্বচ্ছভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।

ময়মনসিংহে ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত, আহত ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২১ পিএম
ময়মনসিংহে ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত, আহত ৫

ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া বাইপাস মোড়ে দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশার চালকসহ আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আকুয়া বাইপাস মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে মো. সাদেক আলী (২৭) নামে এক যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার চৌদার গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে। নিহত অপর নারী যাত্রীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ফুলবাড়িয়া থেকে চিকিৎসাধীন এক আত্মীয়কে দেখতে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাচ্ছিলেন সাদেক আলী। অটোরিকশাটি আকুয়া বাইপাস মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার এক নারী যাত্রী নিহত হন। গুরুতর আহত চালকসহ পাঁচজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদেক আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ট্রাকটি শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডের রহস্যময় ভূমিকায় ধ্বংসের মুখে দনিয়া ও বর্ণমালা কলেজ

এম. আনোয়ার হোসেন।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২২ পিএম
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডের রহস্যময় ভূমিকায় ধ্বংসের মুখে দনিয়া ও বর্ণমালা কলেজ

জাল সনদ, প্রশাসনিক অনিয়ম ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষার অভিযোগে রাজধানীর দনিয়া কলেজ এবং বর্ণমালা আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন ইমরান আহমেদ নামের এক ব্যক্তি। একই ধরনের অভিযোগের পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দনিয়া কলেজের সভাপতির পদ থেকে তাকে সরিয়ে দিলেও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন বর্ণমালা আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজে তিনি কীভাবে সভাপতির দায়িত্বে বহাল রয়েছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ না করেও ইমরান আহমেদ বিতর্কিত ইবাইস ইউনিভার্সিটির বিবিএ ও এমবিএ সনদ ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে সভাপতির পদে থাকার যোগ্যতা দেখিয়েছেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত প্রতিবেদনে ইবাইস ইউনিভার্সিটির কার্যক্রম ও পরবর্তী সময়ে দেওয়া সনদের বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

নথিপত্র পর্যালোচনায় জানা যায়, এসব অভিযোগের পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গত ২৯ জুলাই ২০২৬ ইমরান আহমেদের মনোনয়ন বাতিল করে দনিয়া কলেজের সভাপতি পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন তারেককে নিয়োগ দেয়। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই ইমরান আহমেদ পুনরায় ওই পদে কীভাবে বহাল হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, দনিয়া কলেজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ৪ আগস্টের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ঢাকা কলেজের অধ্যাপক ড. মোসা. আখতারা বানুকে দনিয়া কলেজে প্রেষণে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করে ইমরান আহমেদপন্থী পক্ষ আদালতে রিট করে। ফলে মন্ত্রণালয়ের আদেশ কার্যকর হওয়া নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে।

কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধে অনিয়ম এবং প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে, বর্ণমালা আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজেও ইমরান আহমেদের সভাপতির পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, দনিয়া কলেজের ক্ষেত্রে যেসব নথি ও যোগ্যতা নিয়ে আপত্তি উঠেছে, সেগুলো বিবেচনায় নিয়েও শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানটিতে তার সভাপতির পদে থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়নি।

আরও অভিযোগ রয়েছে, বিদেশে অবস্থানকালেও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রমে তার স্বাক্ষর ব্যবহৃত হয়েছে। গত ২ জুলাই ২০২৬ তারিখে তার স্বাক্ষরযুক্ত একটি নথির মাধ্যমে জুন মাসের বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগও উঠেছে। এ ক্ষেত্রে তিনি সংশ্লিষ্ট সময়ে দেশে ছিলেন কি না, স্বাক্ষরটি কীভাবে নেওয়া হয়েছিল এবং বেতন বিলের অনুমোদন প্রক্রিয়া যথাযথ ছিল কি না এসব বিষয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকদের কেউ কেউ।

অভিভাবকদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথাও জানা গেছে। তবে অভিযোগ পাওয়ার পর ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে, তা নিয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, একই ব্যক্তির শিক্ষাগত যোগ্যতা, সনদের বৈধতা ও প্রশাসনিক অবস্থান নিয়ে এক প্রতিষ্ঠানে প্রশ্ন উঠলেও অন্য প্রতিষ্ঠানে তিনি কীভাবে দায়িত্ব পালন করছেন? জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সিদ্ধান্তে এমন পার্থক্যের কারণ কী -এ নিয়েও তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।

অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযোগগুলোকে ব্যক্তিগত বিরোধ হিসেবে না দেখে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই, সনদের বৈধতা পরীক্ষা, আর্থিক লেনদেনের নিরীক্ষা এবং গভর্নিং বডির বৈধতা খতিয়ে দেখে নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মুনসী হুমায়ূন কবিরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক নাজিম উদ্দীন আহমেদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।