বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২

রাজশাহীর তরুণী ময়মনসিংহের নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি; দেহ ব্যবসায়ী ক্রেতা সর্দারনী লাভলী অধরা!

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ৭:১৫ পিএম
রাজশাহীর তরুণী ময়মনসিংহের নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি; দেহ ব্যবসায়ী ক্রেতা সর্দারনী লাভলী অধরা!

রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার বউবাজার এলাকার তরুণী চাকুরীর আশায় ঘর ছেড়ে বাহির হলে দালাল চক্রের চাকুরীর প্রলোভনের খপ্পরে পড়ে ভয়ংকর প্রতারণার শিকার হয়েছে।

ময়মনসিংহের নিষিদ্ধ পল্লীতে একছত্র আধিপত্য বিস্তার করা পুলিশের ছায়াতলে থাকা কোটিপতি প্রভাবশালী সর্দারনী লাভলী ওরফে ফেন্সী লাভলীর নিকট মাদক ও নারী, দেহ ব্যবসার জন্য আমদানী করা (মাল) পণ্য ক্রয় বিক্রয়ের জন্য আনা নিরাপদ অভয়াশ্রম মনে করে প্রতারক দালাল চক্র। বিভিন্ন জেলার কিশোরী তরুণীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে লাভলীর সাম্রাজ্যে নিয়ে আসে দরদাম সাব্যস্ত করে প্রথম ক্রেতা হিসাবে নগরীতে তার একাধিক বাড়ীতে ঐ সকল কিশোরী তরুণীদের দেহ ব্যবসায় বাধ্য করতে পালিত দালাল ভারুয়া দিয়ে ট্রায়াল দেয় বলে জানা গেছে। কথামতো কাজ না করলে চলে চরম অত্যাচার অবর্ণনীয় নির্যাতন, এসব কারণে ভীতসন্ত্রস্থ হয় মেয়েরা আনুগত্য শিকার করে জীবন পদ্ধতি ভাগ্যের উপর ছেড়ে দেয়। অসহায় এই বিক্রয় হওয়া মেয়েরা যদি কারো সহায়তায় নিজ বাড়ী ঘরে ফিরে যেতে ইচ্ছে পোষণ করলেও, ভয় আতংক উৎকন্ঠা মনে বাসা বাঁধে, তাই করো বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে রাজি হয় না। এমন ঘটনার বর্নণা উদ্ধার হওয়া অহরহ মেয়েদের কাছে শোনা যায়।

সর্দারনী লাভলীর অবৈধ মদ প্রকাশ্যে তার লোকজন দিয়ে বিক্রি করে। সে নিজে ফেন্সিডিলে আসক্ত। প্রতিদিন ৫/৬টি ফেন্সিডিল লাভলীর সেবন করতে হয়। নিষিদ্ধ পল্লীতে অবৈধ ভাবে সে তার লোকজন দিয়ে প্রায় পঁচিশ লক্ষ টাকার ২০% লভ্যাংশ্য হাড়ে সুদের ব্যবসা পরিচালনা করছে। শহরে একাধিক স্থানে জমি ও বাসা বাড়ী রয়েছে।বেপরোয়া সর্দারনী লাভলী আপরাধ সাম্রাজ্যে থেকেও থানার সামনে এসে করছে দম্ভোক্তি! তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ করছে গড়িমসি এমন আলোচনায় হতবাক নগরবাসী।

পতিতা সর্দারনী দালাল আর পুলিশের মাঝে লেনদেন, উঠবস সম্পর্ক দেখে ভুক্তভোগী নারী বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়, এমনটাই মনে করে ভিকটিম এরপর কোনো অভিযোগ দিলে ন্যায় বিচার তো দুরের কথা অভিযোগ দেওয়ার কারণে নানাভাবে ঝামেলা বাঁধিয়ে শেষ রক্ষা পাওয়ার সুযোগ টুকু হাতছাড়া করতে চায় না কেউ। এজন্যেই অধিকাংশ তরুণী দেহ ব্যবসার জন্য বিক্রয় হওয়ার পর নির্যাতনের শিকার হয়ে দেহ ব্যবসা করতে বাধ্য হওয়ার ঘটনা চেপে যায়। প্রকাশ্যে বলতে পারার সাহস শক্তি হাড়িয়ে ফেলার কারণে অভিযোগ করিতে অস্বীকার করায় মামলা হয় না।

জোরপূর্বক দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা এই তরুণীকে বৃহস্পতিবার উদ্ধার করেছে পুলিশ। রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার বউবাজার এলাকার মোছাঃ উম্মে আক্তার ছালমা (১৭) চাকুরির আশায় ঘর ছাড়লেও শেষ পর্যন্ত ভয়ংকর প্রতারণার শিকার হন। দালাল চক্র মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কুখ্যাত সর্দারনী লাভলীর হাতে তুলে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত দিন আগে এক দালাল চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ছালমাকে ময়মনসিংহে নিয়ে আসে। প্রথমে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি স্বাভাবিক মনে করলেও পরে তার কোনো খোঁজ না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর জানা যায়, ছালমাকে সরদারনি লাভলীর কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাকে জোর করে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা হচ্ছে।

মানবাধিকার সংগঠনের সভাপতি ও সাংবাদিক সাদেকুর রহমান সাদেক এবং সাংবাদিক মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক দ্রুত কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করিলে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে সরদারনি লাভলীর আস্তানা থেকে ঐ তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় সর্দারনী লাভলী দ্রুত সটকে পড়ে।

উদ্ধারের পর ছালমার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, তারা দ্রুত ময়মনসিংহ এসে মেয়েটিকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। এ ঘটনায় সরদারনি লাভলীসহ জড়িত দালাল চক্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। সর্দারনী লাভলী আপরাধ সাম্রাজ্যে থেকেও থানার সামনে এসে করছে দম্ভোক্তি

ময়মনসিংহে ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের স্থান নিয়ে বিতর্ক!

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
ময়মনসিংহে ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের স্থান নিয়ে বিতর্ক!

ময়মনসিংহ নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ওয়ার্ডবাসীর অভিযোগ, প্রস্তাবিত স্থানটি অধিকাংশ মানুষের জন্য দূরবর্তী হওয়ায় নাগরিক সেবা গ্রহণে ভোগান্তি বাড়তে পারে।

স্থানীয় নাগরিকদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, Mymensingh City Corporation-এর ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিসের জন্য নির্ধারিত বর্তমান স্থানটি ওয়ার্ডের অনেক বাসিন্দার জন্য সুবিধাজনক নয়। এতে প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার মানুষকে নাগরিক সেবা গ্রহণের জন্য দুই থেকে তিন কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হতে পারে।

নাগরিকদের মতে, বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, নারী ও সাধারণ মানুষের জন্য এত দূরত্ব অতিক্রম করা কষ্টসাধ্য হবে। এতে সরকারের ঘোষিত নাগরিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার মূল লক্ষ্যও ব্যাহত হতে পারে।

আবেদনকারীরা উল্লেখ করেছেন, Constitution of Bangladesh-এর অনুচ্ছেদ ২৭ (আইনের দৃষ্টিতে সমতা) এবং অনুচ্ছেদ ৩১ (আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার) অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক সমানভাবে প্রশাসনিক সেবা পাওয়ার অধিকারী।

এছাড়া Local Government (City Corporation) Act, 2009 অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম দায়িত্ব হলো নাগরিকদের জন্য সহজলভ্য, স্বচ্ছ ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা।

সরকারের Digital Bangladesh ও Smart Bangladesh বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নাগরিক সেবা সহজলভ্য করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে Local Government Division এবং a2i Programme-এর মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

নাগরিকদের মতে, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডেও আধুনিক নাগরিক সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হলে মানুষ দ্রুত ও সহজে সরকারি সেবা পেতে পারবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের জন্য যে জমি নির্বাচন করা হয়েছে সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ে বা বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের মালিকানাধীন হতে পারে বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এসব জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করলে ভবিষ্যতে আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে সচেতন নাগরিকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ওয়ার্ডবাসীর দাবি, নাগরিকদের মতামত বিবেচনা করে অধিকাংশ মানুষের জন্য সহজে যাতায়াতযোগ্য চায়না মোড় এলাকায় ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপন করা হলে হাজারো মানুষ উপকৃত হবে।

ওয়ার্ডবাসীর পক্ষে উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তা বিপ্লব নিভ বলেন, “নাগরিকদের সুবিধা বিবেচনা করেই ওয়ার্ড অফিসের স্থান নির্ধারণ করা উচিত। আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে এমন স্থানে অফিস স্থাপন করুক, যেখানে অধিকাংশ মানুষ সহজে সেবা নিতে পারে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ময়মনসিংহের চর নিলক্ষীয়ায় বিএনপি’র আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম
ময়মনসিংহের চর নিলক্ষীয়ায় বিএনপি’র আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

ময়মনসিংহ সদরে ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে রাজগঞ্জ সাহেব কাচারি বাজারে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুল হাসান রাসেলের সভাপতিত্বে ও মহসিন আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন কোতোয়ালী বিএনপি’র আহ্বায়ক হেলাল আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াহিয়া হোসেন শাহীন, সদস্য সচিব, মোঃ আজহারুল ইসলাম বুলবুল সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম শহীদ সদস্য, আব্দুস ছালাম।

ইফতার পূর্ব মিলাদ ও মোনাজাত পাঠ করা হয়।

ময়মনসিংহ বিসিক শিল্পনগরীতে কয়েল কারখানায় আগুন, ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভিন্ন দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৭ পিএম
ময়মনসিংহ বিসিক শিল্পনগরীতে কয়েল কারখানায় আগুন, ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভিন্ন দাবি

ময়মনসিংহের বিসিক শিল্প নগরীর একটি কয়েল উৎপাদন কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটের তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হয়।

শনিবার (৭ মার্চ) দিনগত রাত ৩টার দিকে বিসিক শিল্প নগরীতে ‘মেসার্স তাকওয়া মার্কেটিং নেটওয়ার্ক’ উৎপাদিত নাইটগার্ড মশার কয়েলের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. হাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, রাত ৩টার দিকে ওই কয়েল উৎপাদন কারখানায় হঠাৎ করেই আগুন দেখতে পায় লোকজন। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে সদর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ও বাকৃবি ফায়ার সার্ভিসের আরও দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। তবে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হয় সকাল ৬টার পর।

ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, অগ্নিকাণ্ডে কারখানার অনেক অংশসহ উৎপাদিত কয়েল, উৎপাদন সামগ্রী, মটরসহ কারখানায় থাকা অন্য জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদিও কারখানার মালিকের দাবি, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছি। বিসিকে প্রচুর পরিমাণ শিল্প কারখানা রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ছাড়াই আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।